ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুখবর পেলেন কলকাতার ক্রিকেট ভক্তরা

ভারতের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে ইডেন গার্ডেন অন্যতম। কলকাতার দর্শকরাও ক্রিকেট প্রিয়। তাই এখানে খেলা মানেই বাড়তি উত্তেজনা। বেশিরভাগ সময়ই গ্যালারি থাকে হাউজফুল। আর সেটা যদি হয় ভারতের ম্যাচ তাহলে তো কথাই নেই।

কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদের কথা চিন্তা করেই এবার ইডেনের আসন সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ৬৭ হাজার থেকে ইডেনের দর্শক আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫ হাজার। যদি ১৮ হাজার আসন বাড়ে, তাহলে বড় ম্যাচ পাওয়ার ক্ষেত্রে ইডেন পাল্লা দিতে পারবে অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের সঙ্গে।

ভারতে এখন যেকোনো বড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল অহমদাবাদেই হয়। ২০২৩ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল সেখানে হয়েছে। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালও মোদী স্টেডিয়ামেই হবে। যদিও এর পরেও অহমদাবাদ (১ লক্ষ ৩২ হাজার দর্শকাসন) অনেকটাই এগিয়ে থাকবে ৮৫ হাজারের ইডেনের থেকে।

ইডেনকে আধুনিক করার জন্য এবং গ্যালারিতে আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সিএবি ইতোমধ্যেই টেন্ডার ডেকেছে। যে কোম্পানি দায়িত্ব পাবে, তাদের কাজ শুরু করার দেড় বছরের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। মনে করা হচ্ছে, এই বছরের আইপিএল শেষ হলেই ইডেনে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। অর্থাৎ, সব পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ২০২৭ সালের মধ্যেই নতুন সাজে দেখা যেতে পারে ইডেনকে।

শুধু ক্রিকেট নয়, ইডেনে খেলাধূলা ছাড়া অন্য অনুষ্ঠান করারও পরিকল্পনা রয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই হবে সংস্কারের কাজ। দরপত্রে বলা হয়েছে, যুগোপযোগী বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে। বলা হয়েছে, ‘মাল্টি-পারপাস স্পোর্টস’-এর সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে। আনুমানিক খরচ হবে ২৫০ কোটি টাকা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখবর পেলেন কলকাতার ক্রিকেট ভক্তরা

আপডেট সময় ০৮:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ভারতের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে ইডেন গার্ডেন অন্যতম। কলকাতার দর্শকরাও ক্রিকেট প্রিয়। তাই এখানে খেলা মানেই বাড়তি উত্তেজনা। বেশিরভাগ সময়ই গ্যালারি থাকে হাউজফুল। আর সেটা যদি হয় ভারতের ম্যাচ তাহলে তো কথাই নেই।

কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদের কথা চিন্তা করেই এবার ইডেনের আসন সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ৬৭ হাজার থেকে ইডেনের দর্শক আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫ হাজার। যদি ১৮ হাজার আসন বাড়ে, তাহলে বড় ম্যাচ পাওয়ার ক্ষেত্রে ইডেন পাল্লা দিতে পারবে অহমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের সঙ্গে।

ভারতে এখন যেকোনো বড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল অহমদাবাদেই হয়। ২০২৩ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল সেখানে হয়েছে। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালও মোদী স্টেডিয়ামেই হবে। যদিও এর পরেও অহমদাবাদ (১ লক্ষ ৩২ হাজার দর্শকাসন) অনেকটাই এগিয়ে থাকবে ৮৫ হাজারের ইডেনের থেকে।

ইডেনকে আধুনিক করার জন্য এবং গ্যালারিতে আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সিএবি ইতোমধ্যেই টেন্ডার ডেকেছে। যে কোম্পানি দায়িত্ব পাবে, তাদের কাজ শুরু করার দেড় বছরের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। মনে করা হচ্ছে, এই বছরের আইপিএল শেষ হলেই ইডেনে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। অর্থাৎ, সব পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ২০২৭ সালের মধ্যেই নতুন সাজে দেখা যেতে পারে ইডেনকে।

শুধু ক্রিকেট নয়, ইডেনে খেলাধূলা ছাড়া অন্য অনুষ্ঠান করারও পরিকল্পনা রয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই হবে সংস্কারের কাজ। দরপত্রে বলা হয়েছে, যুগোপযোগী বিশ্বমানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে। বলা হয়েছে, ‘মাল্টি-পারপাস স্পোর্টস’-এর সুযোগ-সুবিধা থাকতে হবে। আনুমানিক খরচ হবে ২৫০ কোটি টাকা।