ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা মেডিকেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারের জুড়ী সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট আটক মরক্কোর বিদায়ে কেন কান্নায় ভেঙে পড়লেন নোরা চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮ সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম আরও কমাতে বিপিপিএকে পরিকল্পনা মন্ত্রীর নির্দেশ যে কারণে অনেক ফুটবলপ্রেমীরা ব্রাজিল সমর্থন করেন না কর্মসংস্থান না হলে বেকারদের হাত ধরেই হবে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টে ষড়যন্ত্র করছে একটি গোষ্ঠী: রিজভী প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর মাঠে নামার আগেই ফিফার কাছে ধাক্কা খেল ফ্রান্স

ফলের বাজার আবার চড়া

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১১:০৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬১৩ বার পড়া হয়েছে

রমজানে ইফতারির অন্যতম অনুষঙ্গ ফল। কিন্তু গত দু-তিন দিনের ব্যবধানে আমদানি করা বিদেশি ফলের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশি ফলের দাম। মানভেদে বিভিন্ন ফলের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৭০ টাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা। শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বিদেশি ফলের বাজারদর
রোজার শুরুতে ফলের বাজার বেশ চড়া ছিল। সপ্তাহখানেক চড়া থাকার পর কিছুটা কমেছিল দাম। এখন ফের বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে আপেল এখন সাধারণের জন্য বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি আপেল বেচা হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। দু-তিন দিন আগেও যা ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। কালো আঙুরের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা। দুদিন আগে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বেচা এই আঙুর এখন কিনতে ক্রেতাকে খরচ করতে হচ্ছে কেজিতে ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা। সবুজ বা সাদা আঙুর আগের মতো ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। কমলা ও মাল্টার দামও আগের মতো রয়েছে। মানভেদে প্রতি কেজি কমলা বেচা হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। মাল্টার কেজিতে এখনও ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা।

দেশি ফলের বাজারও চড়া
দেশি ফলের মধ্যে কলার দাম ফের আকাশচুম্বী। রোজার শুরুতে প্রতি ডজন বাংলা কলা বেচা হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। মাঝে তিন-চার দিন ডজনে ৩০ টাকার মতো কমেছিল। এখন দাম আরও বেড়ে বেচা হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়। সবরি কলার ডজন রোজার শুরুতে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। দুদিন আগ পর্যন্ত মোটামুটি এ দরে কেনা গেছে। গতকাল ফের দাম বেড়ে প্রতি ডজন বেচা হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। সাধারণ মানের চম্পা কলার দরও বেড়েছে। প্রতি ডজন কিনতে গেলে খরচ হবে ৯০ থেকে ১০০ টাকা; যা দুদিন আগে ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। পেঁপের দামও বেড়েছে। মাঝারি মানের পাকা পেঁপে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বেচা হচ্ছে। রোজার শুরুতে পেঁপের কেজি ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে সাধারণের ফল হিসেবে পরিচিত বরইর দাম, প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১৩০ টাকা। রোজার আগে বরই কেজি ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

তরমুজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
তরমুজের মৌসুম এখনও শুরু হয়নি। বাজারে যেসব তরমুজ আসছে সেগুলো পুরোপুরি পরিপক্ব নয়। কৃষক তরমুজ পিস হিসেবে বেচলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা কেজি দরে বেচছেন। রোজার শুরুতে তরমুজের কেজি বেচা হয়েছিল কমবেশি ৮০ টাকা দরে। গতকাল দাম হঠাৎ বেড়ে মানভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি উঠেছে। কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম বলেন, মোকামে আমদানি কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা মেডিকেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফলের বাজার আবার চড়া

আপডেট সময় ১১:০৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানে ইফতারির অন্যতম অনুষঙ্গ ফল। কিন্তু গত দু-তিন দিনের ব্যবধানে আমদানি করা বিদেশি ফলের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশি ফলের দাম। মানভেদে বিভিন্ন ফলের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৭০ টাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা। শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বিদেশি ফলের বাজারদর
রোজার শুরুতে ফলের বাজার বেশ চড়া ছিল। সপ্তাহখানেক চড়া থাকার পর কিছুটা কমেছিল দাম। এখন ফের বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে আপেল এখন সাধারণের জন্য বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি আপেল বেচা হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। দু-তিন দিন আগেও যা ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। কালো আঙুরের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা। দুদিন আগে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বেচা এই আঙুর এখন কিনতে ক্রেতাকে খরচ করতে হচ্ছে কেজিতে ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা। সবুজ বা সাদা আঙুর আগের মতো ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। কমলা ও মাল্টার দামও আগের মতো রয়েছে। মানভেদে প্রতি কেজি কমলা বেচা হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। মাল্টার কেজিতে এখনও ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা।

দেশি ফলের বাজারও চড়া
দেশি ফলের মধ্যে কলার দাম ফের আকাশচুম্বী। রোজার শুরুতে প্রতি ডজন বাংলা কলা বেচা হয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। মাঝে তিন-চার দিন ডজনে ৩০ টাকার মতো কমেছিল। এখন দাম আরও বেড়ে বেচা হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়। সবরি কলার ডজন রোজার শুরুতে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। দুদিন আগ পর্যন্ত মোটামুটি এ দরে কেনা গেছে। গতকাল ফের দাম বেড়ে প্রতি ডজন বেচা হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। সাধারণ মানের চম্পা কলার দরও বেড়েছে। প্রতি ডজন কিনতে গেলে খরচ হবে ৯০ থেকে ১০০ টাকা; যা দুদিন আগে ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। পেঁপের দামও বেড়েছে। মাঝারি মানের পাকা পেঁপে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বেচা হচ্ছে। রোজার শুরুতে পেঁপের কেজি ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। অপরিবর্তিত রয়েছে সাধারণের ফল হিসেবে পরিচিত বরইর দাম, প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১৩০ টাকা। রোজার আগে বরই কেজি ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

তরমুজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
তরমুজের মৌসুম এখনও শুরু হয়নি। বাজারে যেসব তরমুজ আসছে সেগুলো পুরোপুরি পরিপক্ব নয়। কৃষক তরমুজ পিস হিসেবে বেচলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা কেজি দরে বেচছেন। রোজার শুরুতে তরমুজের কেজি বেচা হয়েছিল কমবেশি ৮০ টাকা দরে। গতকাল দাম হঠাৎ বেড়ে মানভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি উঠেছে। কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম বলেন, মোকামে আমদানি কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।