সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

গ্রাহক হয়রানি কারি শীর্ষ দুর্নীতিবাজ বিআর টি এ ঢাকা জেলা মোটরযান পরিদর্শক আবু জামাল

  • মোঃ মামুন হোসেন
  • আপডেট সময় ০৭:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬০৪ বার পড়া হয়েছে

বিআরটিএ ঢাকা জেলা কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক আবু জামাল গ্রাহকদের হয়রানি করে জালাল সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন প্রসঙ্গে।
এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জালাল আখন্দ নামের এক ব্যক্তি।
তিনি জানান,মো.আবু জামাল মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা জেলা কার্যালয় ইকুরিয়া কেরানীগঞ্জ,ঢাকায় কর্মরত আছেন।
তিনি বর্তমানে বিআরটিএ ঢাকা জেলায় যোগদান করার পর দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলে গ্রাহকদের নিয়মিত হয়রানি করে ঘুষের টাকার বিনিময়ে বিআরটিএ ফিটনেস মালিকানা পরিবর্তন সহ লাইসেন্স এর কাজ করেন দালালদের মাধ্যমে। দালাল ছাড়া তিনি কোন ফাইল স্বাক্ষর করেন না। তিনি নিজেকে বিএনপির একজন ক্যাডার মনে করেন। তিনি কাউকে পাত্তা দিতে চান না। তার বিষয়ে ইতি পূর্বে বহু অভিযোগ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা পড়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অদৃশ্য কারণে ব্যবস্তা গ্রহন করতে অপারাগ। আবু জামালের পিতার নাম-মো. ওলিউর রহমান,মাতার নাম-নুরজাহান বেগম,তার স্ত্রীর নাম মাহমুদা খাতুন,তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৮৬৮২৭৫৬৩৩৬, জনা তারিখ: ০৭/০৮/১৯৮৮ইং, ঠিকানা:বাসা-২০, মোজাহিদপাড়া,আব্দুল গনি সড়ক, ডাকঘর-খুলনা সদর, উপজেলা-খুলনা,জেলা-খুলনা। তার টিআইএন নং-৬২০১০৮১৪৩৭৫৪,কর সার্কেল-৬, ডুমুরিয়া, কর অঞ্চল- খুলনা। তার দুর্নীতির পরিমাণ এতো বেড়ে গিয়েছে যে বিআরটিএ ঢাকা জেলা কার্যালয়,তিনি দালালদের মাধ্যমে গ্রাহক হয়রানি করে দালালের মাধ্যমে গ্রাহকদের ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য করেন। তিনি বর্তমানে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বলে খুলনায় তার এলাকাবাসির সূত্রে জানা গিয়েছে।
তিনি আরও জানান,খুলনায় তার একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী রয়েছে এবং খুলনা শহরে। তার কয়েকটি প্লট, ফ্ল্যাট ও বিলাশবহুল গাড়ী রয়েছে। ঢাকা শহরে তার একাধিক ফ্ল্যাট এবং প্লট রয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকে তার ও তার পরিবারের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে। তার ঘুষ দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানির মাত্রা এতো বেড়ে গিয়েছে যে,তার কথা মতো ঘুষ না দিলে গ্রাহকদের হয়রানি করতেই থাকেন। তার বিষয়ে যদি অতিদ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন না করা হয় তাহলে অদূরভবিষ্যতে বিআরটিএ এর ভবিষ্যত অন্ধকার হয়ে যাবে এবং গ্রাহকদের কোন অস্তিত্ব থাকবে না।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

গ্রাহক হয়রানি কারি শীর্ষ দুর্নীতিবাজ বিআর টি এ ঢাকা জেলা মোটরযান পরিদর্শক আবু জামাল

আপডেট সময় ০৭:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিআরটিএ ঢাকা জেলা কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক আবু জামাল গ্রাহকদের হয়রানি করে জালাল সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন প্রসঙ্গে।
এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সচিবালয় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জালাল আখন্দ নামের এক ব্যক্তি।
তিনি জানান,মো.আবু জামাল মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা জেলা কার্যালয় ইকুরিয়া কেরানীগঞ্জ,ঢাকায় কর্মরত আছেন।
তিনি বর্তমানে বিআরটিএ ঢাকা জেলায় যোগদান করার পর দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলে গ্রাহকদের নিয়মিত হয়রানি করে ঘুষের টাকার বিনিময়ে বিআরটিএ ফিটনেস মালিকানা পরিবর্তন সহ লাইসেন্স এর কাজ করেন দালালদের মাধ্যমে। দালাল ছাড়া তিনি কোন ফাইল স্বাক্ষর করেন না। তিনি নিজেকে বিএনপির একজন ক্যাডার মনে করেন। তিনি কাউকে পাত্তা দিতে চান না। তার বিষয়ে ইতি পূর্বে বহু অভিযোগ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা পড়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অদৃশ্য কারণে ব্যবস্তা গ্রহন করতে অপারাগ। আবু জামালের পিতার নাম-মো. ওলিউর রহমান,মাতার নাম-নুরজাহান বেগম,তার স্ত্রীর নাম মাহমুদা খাতুন,তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৮৬৮২৭৫৬৩৩৬, জনা তারিখ: ০৭/০৮/১৯৮৮ইং, ঠিকানা:বাসা-২০, মোজাহিদপাড়া,আব্দুল গনি সড়ক, ডাকঘর-খুলনা সদর, উপজেলা-খুলনা,জেলা-খুলনা। তার টিআইএন নং-৬২০১০৮১৪৩৭৫৪,কর সার্কেল-৬, ডুমুরিয়া, কর অঞ্চল- খুলনা। তার দুর্নীতির পরিমাণ এতো বেড়ে গিয়েছে যে বিআরটিএ ঢাকা জেলা কার্যালয়,তিনি দালালদের মাধ্যমে গ্রাহক হয়রানি করে দালালের মাধ্যমে গ্রাহকদের ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য করেন। তিনি বর্তমানে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক বলে খুলনায় তার এলাকাবাসির সূত্রে জানা গিয়েছে।
তিনি আরও জানান,খুলনায় তার একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ী রয়েছে এবং খুলনা শহরে। তার কয়েকটি প্লট, ফ্ল্যাট ও বিলাশবহুল গাড়ী রয়েছে। ঢাকা শহরে তার একাধিক ফ্ল্যাট এবং প্লট রয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকে তার ও তার পরিবারের নামে বেনামে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে। তার ঘুষ দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানির মাত্রা এতো বেড়ে গিয়েছে যে,তার কথা মতো ঘুষ না দিলে গ্রাহকদের হয়রানি করতেই থাকেন। তার বিষয়ে যদি অতিদ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন না করা হয় তাহলে অদূরভবিষ্যতে বিআরটিএ এর ভবিষ্যত অন্ধকার হয়ে যাবে এবং গ্রাহকদের কোন অস্তিত্ব থাকবে না।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুর্নীতির এই অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা।