সংবাদ শিরোনাম ::
মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয়

ইরানে হামলার অর্থ ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা রাশিয়ার

ইরানে সম্ভাব্য হামলার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি বলেছেন, সত্যিই হামলা ঘটলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিয়াকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ল্যাভরভ। গতকাল বুধবার সেই সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচারিত হয়েছে। আল আরাবিয়াকে তিনি বলেন, “এর পরিণতি ভালো হবে না। গত বছর জুনে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কর্তৃপক্ষ (জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল। যেভাবে হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের পরমাণু দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল।”

“ইরানে সম্ভাব্য হামলা ইস্যুতে আমি সতর্কভাবে আরব এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সরকারের মনোভাব পর্যবেক্ষণ করেছি। কেউই উত্তেজনা বাড়াতে রাজি নয়। সবাই বুঝতে পারছে যে এটা হলো আগুন নিয়ে খেলা করার শামিল।”

“তাছাড়া উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে সাম্প্রতিক অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ বাতিল হতে পারে। এসবের মধ্যে ইরান এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে— তা ও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সংলাপ শুরু হয়েছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে। ওমানের রাজধানী আম্মানে ইতোমধ্যে প্রথম দফার আলোচনা শেষও হয়েছে। দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু হয়েছে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায়, তবে এখন পর্যন্ত সেখানে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এদিকে ইরানকে চাপে রাখতে গত জানুয়ারির মাঝামাঝি মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ বেশ কয়েকটি রণতরী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরান সমঝোতা চুক্তিতে না এলে ‘ভয়ঙ্কর কিছু’ ঘটবে। কয়েক দিন আগে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় আরও একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে সেখানে সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তার যথাযোগ্য জবাব দিতে প্রস্তুত আছে ইরান।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র

ইরানে হামলার অর্থ ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা রাশিয়ার

আপডেট সময় ০৩:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানে সম্ভাব্য হামলার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তিনি বলেছেন, সত্যিই হামলা ঘটলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বড় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিয়াকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ল্যাভরভ। গতকাল বুধবার সেই সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচারিত হয়েছে। আল আরাবিয়াকে তিনি বলেন, “এর পরিণতি ভালো হবে না। গত বছর জুনে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি কর্তৃপক্ষ (জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল। যেভাবে হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের পরমাণু দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল।”

“ইরানে সম্ভাব্য হামলা ইস্যুতে আমি সতর্কভাবে আরব এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সরকারের মনোভাব পর্যবেক্ষণ করেছি। কেউই উত্তেজনা বাড়াতে রাজি নয়। সবাই বুঝতে পারছে যে এটা হলো আগুন নিয়ে খেলা করার শামিল।”

“তাছাড়া উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে সাম্প্রতিক অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ বাতিল হতে পারে। এসবের মধ্যে ইরান এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে— তা ও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সংলাপ শুরু হয়েছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে। ওমানের রাজধানী আম্মানে ইতোমধ্যে প্রথম দফার আলোচনা শেষও হয়েছে। দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু হয়েছে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায়, তবে এখন পর্যন্ত সেখানে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এদিকে ইরানকে চাপে রাখতে গত জানুয়ারির মাঝামাঝি মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ বেশ কয়েকটি রণতরী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরান সমঝোতা চুক্তিতে না এলে ‘ভয়ঙ্কর কিছু’ ঘটবে। কয়েক দিন আগে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় আরও একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে সেখানে সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তার যথাযোগ্য জবাব দিতে প্রস্তুত আছে ইরান।