ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মঈন খান মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্ব প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার মহাপরিচালক বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া, কাটাতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী সিলেটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ বরগুনার নলটোনায় মাহফুজ চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প চাঁদা না দেওয়ায় নারী উদ্যোক্তার ফসল কাটার অভিযোগ থানায় মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচে অবৈধ কাপড়ের মার্কেট কুমিল্লায় ডিবির অভিযানে ৬ অবৈধ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ৯ রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুলকে পবিপ্রবি ভিসির অভিনন্দন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্রদলের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত

বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা দিলেন পরাজিত প্রার্থী

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ফুলের মালা পরিয়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আবু সাঈদ চাঁদ সলুয়া ইউনিয়নের চামটা গ্রামে নাজমুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে অভিনন্দন জানান।

‘ছোট ভাই নাজমুলের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ’ -এই ক্যাপশন দিয়ে আবু সাঈদ চাঁদ তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে মালা পরানোর একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। অনেক নেটিজেন উভয় প্রার্থীর আচরণের প্রশংসা করেন।

রহিদুল ইসলাম নাহিদ নামে একজন মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক এবং এটিই গণতন্ত্রের নিয়ম। ফলাফল ঘোষণার পর হিংসা-বিদ্বেষে না জড়িয়ে পরস্পরকে সম্মান জানানোই প্রকৃত নাগরিক সচেতনতার পরিচয়। তিনি আরও লেখেন, জয়ী হলে অহংকার না করা এবং পরাজিত হলেও হতাশা বা প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব না পোষণ করে দেশের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার মানসিকতাই রাজনীতির সৌন্দর্য।

আরেকজন মন্তব্যকারী শামসুদ্দিন রিন্টু লেখেন, এমন দৃশ্য রাজনীতির ইতিবাচক দিক তুলে ধরে এবং অন্য নেতাদের জন্য শিক্ষণীয়। রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসা দূর হওয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শাহিদুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেন, এমন সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে চারঘাট-বাঘার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো উচিত।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, ৫৫ হাজার ৭০৭ ভোটের ব্যবধানে আবু সাঈদ চাঁদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অধ্যক্ষ নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট।

অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) ১ হাজার ৬২৮ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুস সালাম সুরুজ (হাতপাখা) ২ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী জামানত হারান।

এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৯টি। এর মধ্যে বাঘায় ৬১টি এবং চারঘাটে ৫৮টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৯ জন; এর মধ্যে নারী ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৬ এবং পুরুষ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯১১ জন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মঈন খান

বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা দিলেন পরাজিত প্রার্থী

আপডেট সময় ০১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ফুলের মালা পরিয়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর পরাজিত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আবু সাঈদ চাঁদ সলুয়া ইউনিয়নের চামটা গ্রামে নাজমুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে অভিনন্দন জানান।

‘ছোট ভাই নাজমুলের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ’ -এই ক্যাপশন দিয়ে আবু সাঈদ চাঁদ তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে মালা পরানোর একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। অনেক নেটিজেন উভয় প্রার্থীর আচরণের প্রশংসা করেন।

রহিদুল ইসলাম নাহিদ নামে একজন মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক এবং এটিই গণতন্ত্রের নিয়ম। ফলাফল ঘোষণার পর হিংসা-বিদ্বেষে না জড়িয়ে পরস্পরকে সম্মান জানানোই প্রকৃত নাগরিক সচেতনতার পরিচয়। তিনি আরও লেখেন, জয়ী হলে অহংকার না করা এবং পরাজিত হলেও হতাশা বা প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব না পোষণ করে দেশের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার মানসিকতাই রাজনীতির সৌন্দর্য।

আরেকজন মন্তব্যকারী শামসুদ্দিন রিন্টু লেখেন, এমন দৃশ্য রাজনীতির ইতিবাচক দিক তুলে ধরে এবং অন্য নেতাদের জন্য শিক্ষণীয়। রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসা দূর হওয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শাহিদুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেন, এমন সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে চারঘাট-বাঘার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো উচিত।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, ৫৫ হাজার ৭০৭ ভোটের ব্যবধানে আবু সাঈদ চাঁদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অধ্যক্ষ নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট।

অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) ১ হাজার ৬২৮ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুস সালাম সুরুজ (হাতপাখা) ২ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী জামানত হারান।

এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৯টি। এর মধ্যে বাঘায় ৬১টি এবং চারঘাটে ৫৮টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৯ জন; এর মধ্যে নারী ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬৬ এবং পুরুষ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯১১ জন।