ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মঈন খান মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্ব প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার মহাপরিচালক বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া, কাটাতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী সিলেটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ বরগুনার নলটোনায় মাহফুজ চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প চাঁদা না দেওয়ায় নারী উদ্যোক্তার ফসল কাটার অভিযোগ থানায় মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচে অবৈধ কাপড়ের মার্কেট কুমিল্লায় ডিবির অভিযানে ৬ অবৈধ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ৯ রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুলকে পবিপ্রবি ভিসির অভিনন্দন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ছাত্রদলের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত

মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচে অবৈধ কাপড়ের মার্কেট

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মাওনা চৌরাস্তা। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও অসংখ্য যানবাহনের চলাচলে মুখর থাকে এ এলাকা। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচের খালি জায়গা এবং মহাসড়কের অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানপাট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকানপাট স্থাপনের ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কোনো অনুমোদন নেই। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে এ ধরনের অনুমোদনহীন স্থাপনা গড়ে ওঠায় একদিকে যেমন পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উড়ালসেতুর নিচে ও মহাসড়কের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। এসব দোকানে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা অনেক সময় মহাসড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। ফলে দ্রুতগতিতে চলাচলকারী যানবাহনের সঙ্গে পথচারীদের সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ব্যস্ত মহাসড়কের ওপর অনিয়ন্ত্রিতভাবে পথচারী ও ক্রেতাদের চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। পাশাপাশি রাস্তার দুপাশ থেকে পথচারী ও ক্রেতাদের আকস্মিক যাতায়াতের কারণে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।

অভিযোগ রয়েছে, মহাসড়কের জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দিতে একটি সুবিধাবাদী চক্র সক্রিয় রয়েছে। নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে জনসাধারণের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা টিকিয়ে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্ব হলো মহাসড়কের জায়গা দখলমুক্ত রাখা এবং সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচের অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে মহাসড়কটি নিরাপদ ও যান চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে মহাসড়কের সীমানা নির্ধারণ করে ভবিষ্যতে যাতে কেউ সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনস্বার্থ ও সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মঈন খান

মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচে অবৈধ কাপড়ের মার্কেট

আপডেট সময় ০৫:০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মাওনা চৌরাস্তা। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও অসংখ্য যানবাহনের চলাচলে মুখর থাকে এ এলাকা। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচের খালি জায়গা এবং মহাসড়কের অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানপাট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকানপাট স্থাপনের ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কোনো অনুমোদন নেই। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে এ ধরনের অনুমোদনহীন স্থাপনা গড়ে ওঠায় একদিকে যেমন পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উড়ালসেতুর নিচে ও মহাসড়কের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। এসব দোকানে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতারা অনেক সময় মহাসড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। ফলে দ্রুতগতিতে চলাচলকারী যানবাহনের সঙ্গে পথচারীদের সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ব্যস্ত মহাসড়কের ওপর অনিয়ন্ত্রিতভাবে পথচারী ও ক্রেতাদের চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। পাশাপাশি রাস্তার দুপাশ থেকে পথচারী ও ক্রেতাদের আকস্মিক যাতায়াতের কারণে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।

অভিযোগ রয়েছে, মহাসড়কের জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দিতে একটি সুবিধাবাদী চক্র সক্রিয় রয়েছে। নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে জনসাধারণের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা টিকিয়ে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্ব হলো মহাসড়কের জায়গা দখলমুক্ত রাখা এবং সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই মাওনা চৌরাস্তা উড়ালসেতুর নিচের অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে মহাসড়কটি নিরাপদ ও যান চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে মহাসড়কের সীমানা নির্ধারণ করে ভবিষ্যতে যাতে কেউ সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনস্বার্থ ও সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।