সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

নির্বাচনের ৩ দিন আগে ঢাকা-১৮ আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। নির্বাচনের তিন দিন আগে তিনি এ ঘোষণা দিলেন।

ওই পোস্টে মান্না লিখেছেন, তিনি বগুড়ায় অবস্থান করছেন। ঢাকা–১৮ আসনে নির্বাচন করা ব্যয়বহুল। এই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব নয় বলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মান্না বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখান থেকেই তিনি এই পোস্ট দেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এখন আমি বগুড়ায়। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৮ এবং বগুড়া–২ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

মান্না আরও লেখেন, ‘ঢাকা–১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং সাড়ে ছয় লক্ষের মতো ভোটার এখানে। নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা–১৮–এর নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তে হয়তো অনেকে মনে কষ্ট পাবেন। তাদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

এর আগে বগুড়া-২ আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগে মান্নার প্রার্থিতা বাতিল হয়। পরে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে তিনি তা ফিরে পান। অন্যদিকে ঢাকা-১৮ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র শুরু থেকেই বৈধ ছিল। রাজধানীর খিলক্ষেত, কুড়িল, উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৮ আসন।

ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী রয়েছে। তিনি হলেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আরিফুল ইসলাম প্রার্থী।

বগুড়া–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান। প্রথমে এই আসনটি মান্নাকে ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। তবে পরে সেখানে বিএনপি নিজেদের দলের প্রার্থী দেয়।

ডাকসুর দুবারের ভিপি, আওয়ামী লীগের একসময়ের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না এর আগে একাধিকবার প্রার্থী হলেও কখনো তাঁর সংসদে যাওয়া হয়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

নির্বাচনের ৩ দিন আগে ঢাকা-১৮ আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মান্নার

আপডেট সময় ০২:০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। নির্বাচনের তিন দিন আগে তিনি এ ঘোষণা দিলেন।

ওই পোস্টে মান্না লিখেছেন, তিনি বগুড়ায় অবস্থান করছেন। ঢাকা–১৮ আসনে নির্বাচন করা ব্যয়বহুল। এই ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব নয় বলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মান্না বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখান থেকেই তিনি এই পোস্ট দেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এখন আমি বগুড়ায়। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৮ এবং বগুড়া–২ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

মান্না আরও লেখেন, ‘ঢাকা–১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং সাড়ে ছয় লক্ষের মতো ভোটার এখানে। নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা–১৮–এর নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তে হয়তো অনেকে মনে কষ্ট পাবেন। তাদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

এর আগে বগুড়া-২ আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগে মান্নার প্রার্থিতা বাতিল হয়। পরে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে তিনি তা ফিরে পান। অন্যদিকে ঢাকা-১৮ আসনে তাঁর মনোনয়নপত্র শুরু থেকেই বৈধ ছিল। রাজধানীর খিলক্ষেত, কুড়িল, উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৮ আসন।

ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী রয়েছে। তিনি হলেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আরিফুল ইসলাম প্রার্থী।

বগুড়া–২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান। প্রথমে এই আসনটি মান্নাকে ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। তবে পরে সেখানে বিএনপি নিজেদের দলের প্রার্থী দেয়।

ডাকসুর দুবারের ভিপি, আওয়ামী লীগের একসময়ের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না এর আগে একাধিকবার প্রার্থী হলেও কখনো তাঁর সংসদে যাওয়া হয়নি।