সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

ফিফা সভাপতিকে হত্যা করতে চায় ইউক্রেন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৯৭ বার পড়া হয়েছে

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নাম ইউক্রেনের রাষ্ট্রসমর্থিত বিতর্কিত ওয়েবসাইট ‘মিরোতোভোরেতস’-এর তালিকায় যুক্ত হওয়াকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ওয়েবসাইটটি ইউক্রেনের ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশ করে থাকে, যা সমালোচকদের কাছে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘কিল লিস্ট’ নামে পরিচিত।

তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে সমর্থন, রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং রুশ প্রোপাগান্ডায় সহায়ক ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে ২০১৯ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছ থেকে ‘অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ’ পদক গ্রহণের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার ওপর আরোপিত ক্রীড়া নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পক্ষে মত দেন ইনফান্তিনো। তিনি বলেন, রুশ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ফেরার সুযোগ থাকা উচিত। তার ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা ও বয়কট কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না, বরং হতাশা ও বিভাজন বাড়াচ্ছে।

ইনফান্তিনোর এ মন্তব্যের পর ইউক্রেন সরকারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তার সমালোচনা করেন। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা তাকে “নৈতিকভাবে অধঃপতিত” বলে মন্তব্য করেছেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ফিফা ও উয়েফাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা রুশ দল ও ক্রীড়াবিদদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করে। রাশিয়া এসব নিষেধাজ্ঞাকে বৈষম্যমূলক বলে আখ্যা দিয়ে আসছে।

এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, খেলাধুলা ও অলিম্পিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক বিরোধের বাইরে রাখা উচিত।

মিরোতোভোরেতস ওয়েবসাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বলে দাবি করা হলেও ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে এর যোগাযোগ রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। তালিকাভুক্ত কিছু ব্যক্তি পরবর্তীতে হামলা বা সন্দেহজনক মৃত্যুর শিকার হওয়ায় সাইটটি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগ রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

ফিফা সভাপতিকে হত্যা করতে চায় ইউক্রেন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় ০৭:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নাম ইউক্রেনের রাষ্ট্রসমর্থিত বিতর্কিত ওয়েবসাইট ‘মিরোতোভোরেতস’-এর তালিকায় যুক্ত হওয়াকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ওয়েবসাইটটি ইউক্রেনের ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশ করে থাকে, যা সমালোচকদের কাছে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘কিল লিস্ট’ নামে পরিচিত।

তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে সমর্থন, রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং রুশ প্রোপাগান্ডায় সহায়ক ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে ২০১৯ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছ থেকে ‘অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ’ পদক গ্রহণের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার ওপর আরোপিত ক্রীড়া নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পক্ষে মত দেন ইনফান্তিনো। তিনি বলেন, রুশ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ফেরার সুযোগ থাকা উচিত। তার ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা ও বয়কট কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না, বরং হতাশা ও বিভাজন বাড়াচ্ছে।

ইনফান্তিনোর এ মন্তব্যের পর ইউক্রেন সরকারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তার সমালোচনা করেন। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা তাকে “নৈতিকভাবে অধঃপতিত” বলে মন্তব্য করেছেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ফিফা ও উয়েফাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা রুশ দল ও ক্রীড়াবিদদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করে। রাশিয়া এসব নিষেধাজ্ঞাকে বৈষম্যমূলক বলে আখ্যা দিয়ে আসছে।

এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, খেলাধুলা ও অলিম্পিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক বিরোধের বাইরে রাখা উচিত।

মিরোতোভোরেতস ওয়েবসাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বলে দাবি করা হলেও ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে এর যোগাযোগ রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। তালিকাভুক্ত কিছু ব্যক্তি পরবর্তীতে হামলা বা সন্দেহজনক মৃত্যুর শিকার হওয়ায় সাইটটি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগ রয়েছে।