সংবাদ শিরোনাম ::
ডেপুটি রেঞ্জার আবু সুফিয়ানের লোভনীয় পোস্টিং, রাঙ্গামাটিতে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বহাল ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখা-৫ এর কর্মচারী মিজানের বিপুল অবৈধ সম্পদের পাহাড় গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমারের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা ভারতে পাচারের অভিযোগ গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে সাড়ে ৭ কোটি টাকার টেন্ডারে নয়ছয়ের অভিযোগ তিন মহাদেশে স্মার্ট টেকনোলজির ব্যবসা, আড়ালে অর্থপাচারের অভিযোগ দুই মাসের বকেয়াসহ জুলাই থেকেই নিয়মিত বেতন পাবেন মাদরাসাশিক্ষকরা : শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রের টাকায় নিজের ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! পছন্দের ঠিকাদারকে মাল বুঝে না পেয়েই বিল দিতে তড়িঘড়ি শাহীনের রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

নলকূপ থেকে পানি তুলতেও গুনতে হবে টাকা

গভীর নলকূপ থেকে পানি উত্তোলনের ফি আরোপ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এক্ষেত্রে আবাসিক গ্রাহকদের ইউনিট প্রতি গুনতে হবে ৬ টাকা এবং অনাবাসিক গ্রাহকদের গুনতে হবে ১২ টাকা ৩৪ পয়সা। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে এ ফি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামে ওয়াসার অনুমোদিত ৪ হাজার ৩০০টি গভীর নলকূপ রয়েছে। নিয়মানুযায়ী গ্রাহকদের শুরুতে ফি দিয়ে লাইসেন্স নিতে হয়। এছাড়া প্রতি বছর আবার ওয়াসাকে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে সেই লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এসবের পাশাপাশি নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে উত্তোলন করা পানির জন্য একক প্রতি ওয়াসার কাছে টাকা পরিশোধ করতে হবে। পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ আইন ১৯৯৬-এর ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।

যদিও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের দাবি, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনকে নিরুৎসাহিত করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ফি আরোপের এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি নাজের হোসাইন বলেন, ওয়াসা আমাদেরকে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করতে পারছে না। সে কারণে আমরা নলকূপ বসাতে চাই। নলকূপ বসাতে আমাদের অনেক টাকা লাগে। এরপর বিদ্যুৎ খরচ করে পানি উত্তোলন করি। এছাড়া ওয়াসাকে লাইসেন্স ফি দেই। এখন আবার পানি উত্তোলন করতে কেন এককপ্রতি ওয়াসাকে ফি দিতে হবে। এটি গ্রাহকের স্বার্থবিরোধী। এই সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেপুটি রেঞ্জার আবু সুফিয়ানের লোভনীয় পোস্টিং, রাঙ্গামাটিতে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বহাল

নলকূপ থেকে পানি তুলতেও গুনতে হবে টাকা

আপডেট সময় ০৪:২৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

গভীর নলকূপ থেকে পানি উত্তোলনের ফি আরোপ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এক্ষেত্রে আবাসিক গ্রাহকদের ইউনিট প্রতি গুনতে হবে ৬ টাকা এবং অনাবাসিক গ্রাহকদের গুনতে হবে ১২ টাকা ৩৪ পয়সা। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে এ ফি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রামে ওয়াসার অনুমোদিত ৪ হাজার ৩০০টি গভীর নলকূপ রয়েছে। নিয়মানুযায়ী গ্রাহকদের শুরুতে ফি দিয়ে লাইসেন্স নিতে হয়। এছাড়া প্রতি বছর আবার ওয়াসাকে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে সেই লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এসবের পাশাপাশি নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে উত্তোলন করা পানির জন্য একক প্রতি ওয়াসার কাছে টাকা পরিশোধ করতে হবে। পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ আইন ১৯৯৬-এর ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।

যদিও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের দাবি, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনকে নিরুৎসাহিত করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ফি আরোপের এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি নাজের হোসাইন বলেন, ওয়াসা আমাদেরকে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করতে পারছে না। সে কারণে আমরা নলকূপ বসাতে চাই। নলকূপ বসাতে আমাদের অনেক টাকা লাগে। এরপর বিদ্যুৎ খরচ করে পানি উত্তোলন করি। এছাড়া ওয়াসাকে লাইসেন্স ফি দেই। এখন আবার পানি উত্তোলন করতে কেন এককপ্রতি ওয়াসাকে ফি দিতে হবে। এটি গ্রাহকের স্বার্থবিরোধী। এই সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।