ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে গণধোলাই দিল শিক্ষার্থীরা ​কুকুর হত্যা মামলায় দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পটুয়াখালীতে বাংলাদেশ দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী সমিতির মানববন্ধন ব্রাহ্মণপাড়ার সীমান্তে নারী-শিশুসসহ ৪ জনের অনুপ্রবেশ চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ব্যাংক কর্মীদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে দুই মাসে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে: এস এম জিলানী শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সাগরে লঘুচাপ, ঝড়ের শঙ্কায় বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আমানুল্লাহর টেন্ডার কেলেঙ্কারি

অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গণমাধ্যমকর্মীদের সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকালপার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন’ এরূপ ভুল সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে; যা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক। গণমাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল। অথচ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সংবাদের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তাঁর মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এই বিষয়গুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে গণধোলাই দিল শিক্ষার্থীরা

অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

আপডেট সময় ০৮:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গণমাধ্যমকর্মীদের সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকালপার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। ভবিষ্যতে সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত অবমাননাকর কার্যক্রমের জন্য আইনানুগভাবে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করায় আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি ছুটিতে গিয়েছেন’ এরূপ ভুল সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে; যা সম্পূর্ণরূপে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক। গণমাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল। অথচ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের পূর্বে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা যদি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সংবাদের যথার্থতা যাচাই করতেন, তবে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তাঁর মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি গ্রহণ করেছেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এই বিষয়গুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’