সংবাদ শিরোনাম ::
নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন ফতুল্লার ওসি মাহবুবের জমি দখলের রাজত্ব চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ, আটক ১ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আলজাজিরার ক্যামেরাম্যানসহ নিহত ৬ বিশ্বকাপের মাঝেই মেসির সতীর্থ কাসেমিরো! বাবার লাশ দাফন নিয়ে সাত সন্তানের আপত্তি, এলাকায় চাঞ্চল্য দেশের পাঁচ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত কুষ্টিয়ার বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনা, নিহত ২ তানোরে ১১ কোটি টাকাা ব্যয়ে রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে অসন্তুষ্ট স্থানীয়রা  বিয়ানীবাজার সীমান্তে ০২ কেজি  ভারতীয় গাজা  সহ একজনকে আটক করেছে বিজিবি

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভেন্যু না পাল্টালে কী কী বিকল্প আইসিসির সামনে

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬১৮ বার পড়া হয়েছে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গতকাল (রোববার) আইসিসির কাছে বাংলাদেশের ম্যাচের ভেন্যু ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে বিসিবি। এবিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ বলছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না আইসিসি। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তবে এক-দুই দিনের মধ্যেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত।

তবে যতক্ষণ না আইসিসি এই দাবি মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ আসলে কোনো কিছুই চূড়ান্ত নয়। এই পরিস্থিতিতে তাদের হাতে আরও দুটি বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকছে। অতীতের ঘটনা বিবেচনায় এনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

প্রথম বিকল্প, পয়েন্ট হারাতে পারে বাংলাদেশ। ভারতে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলো ওয়াকওভার করতে হতে পারে। তাতে তাদের গ্রুপ প্রতিপক্ষ দলগুলো দুটি পয়েন্ট করে পাবে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলতে যায়নি শ্রীলঙ্কায়। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে তারা না যাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী দুই ম্যাচেই স্বাগতিকরা জয় পায়, ওইবারেও যৌথ আয়োজক ছিল ভারত। ২০০৩ সালে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে না গিয়ে ম্যাচ পরিত্যক্ত করে; পূর্ণ পয়েন্ট পায় স্বাগতিকরা। একই আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে না খেলায় নিউজিল্যান্ডও ওয়াকওভার দেয়।

আরেকটি বিকল্প, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্য একটি দেশকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে, যেমনটা হয়েছিল ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়া খেলতে আসেনি বাংলাদেশে। তাদের বাদ দিয়ে বাছাইপর্বের রানার্সআপ আয়ারল্যান্ডকে নেওয়া হয়।

বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, সব ম্যাচই ভারতে খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। তার মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবং অন্য ম্যাচ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। এখন দেখার অপেক্ষা মাত্র এক মাস সময় হাতে রেখে বাংলাদেশের দাবি মেনে তাদের চার ম্যাচ ভারতের বাইরে নেওয়ার অনুমোদন আইসিসি দেয় কি না!

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভেন্যু না পাল্টালে কী কী বিকল্প আইসিসির সামনে

আপডেট সময় ১১:৪৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গতকাল (রোববার) আইসিসির কাছে বাংলাদেশের ম্যাচের ভেন্যু ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে বিসিবি। এবিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ বলছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না আইসিসি। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তবে এক-দুই দিনের মধ্যেই আসতে পারে সিদ্ধান্ত।

তবে যতক্ষণ না আইসিসি এই দাবি মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ আসলে কোনো কিছুই চূড়ান্ত নয়। এই পরিস্থিতিতে তাদের হাতে আরও দুটি বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকছে। অতীতের ঘটনা বিবেচনায় এনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

প্রথম বিকল্প, পয়েন্ট হারাতে পারে বাংলাদেশ। ভারতে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলো ওয়াকওভার করতে হতে পারে। তাতে তাদের গ্রুপ প্রতিপক্ষ দলগুলো দুটি পয়েন্ট করে পাবে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলতে যায়নি শ্রীলঙ্কায়। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে তারা না যাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী দুই ম্যাচেই স্বাগতিকরা জয় পায়, ওইবারেও যৌথ আয়োজক ছিল ভারত। ২০০৩ সালে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে না গিয়ে ম্যাচ পরিত্যক্ত করে; পূর্ণ পয়েন্ট পায় স্বাগতিকরা। একই আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে না খেলায় নিউজিল্যান্ডও ওয়াকওভার দেয়।

আরেকটি বিকল্প, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্য একটি দেশকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে, যেমনটা হয়েছিল ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়া খেলতে আসেনি বাংলাদেশে। তাদের বাদ দিয়ে বাছাইপর্বের রানার্সআপ আয়ারল্যান্ডকে নেওয়া হয়।

বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, সব ম্যাচই ভারতে খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। তার মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবং অন্য ম্যাচ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। এখন দেখার অপেক্ষা মাত্র এক মাস সময় হাতে রেখে বাংলাদেশের দাবি মেনে তাদের চার ম্যাচ ভারতের বাইরে নেওয়ার অনুমোদন আইসিসি দেয় কি না!