ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নতুন বছরে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে দৈনন্দিন রুটিনে আনুন ৫টি সহজ পরিবর্তন

ছবি- সংগৃহীত

নতুন বছরের ক্যালেন্ডার উল্টানোর সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অনেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। কিন্তু কঠিন ডায়েট বা কঠোর ব্যায়ামের চেয়ে দৈনন্দিন ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তনই আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, ২০২৬ সালে নিজেকে সুখী, সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখতে প্রতিদিনের জীবনাচরণে মাত্র ৫টি পরিবর্তন আনাই যথেষ্ট।

১. দিন শুরু হোক সঠিক পানীয় দিয়ে
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া সচল করতে হাইড্রেশন জরুরি। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, দিন শুরু করুন এক গ্লাস হালকা গরম পানি দিয়ে। এর সঙ্গে মৌরি বীজ, কিশমিশ ভেজানো পানি অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এই ছোট্ট অভ্যাসটি হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখে।

২. অন্ত্রের স্বাস্থ্যের যত্ন ও হোল গ্রেইন
সুস্থতার মূল চাবিকাঠি হলো ভালো হজমশক্তি। তাই খাদ্যতালিকায় হোল গ্রেইন বা পূর্ণশস্যজাত খাবার, হালকা রান্না করা শাকসবজি এবং বাটারমিল্কের মতো প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবারকে প্রাধান্য দিন। রান্নায় জিরা, হলুদ ও ধনিয়ার মতো প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানের ব্যবহার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. চিনি ও প্রসেসড ফুডকে ‘না’ বলুন
পরিশোধিত চিনি এবং প্যাকেটজাত কৃত্রিম খাবার শরীরের শক্তির স্তর কমিয়ে দেয় এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই সুস্থ থাকতে চিনি ও প্রসেসড খাবার বর্জন করুন। এর পরিবর্তে তাজা ফল, চিয়া বীজ বা বাদামের মতো স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক নাস্তা বেছে নিন।

৪. খাবার খান মনোযোগ দিয়ে
খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। টিভি বা মোবাইল ফোন দূরে রেখে খাবারের স্বাদ ও গন্ধে মনোযোগ দিন। এছাড়া সারা বছর শরীরকে চাঙ্গা রাখতে ঋতুভিত্তিক ফলমূল এবং হলুদের দুধ, এলাচ বা মৌরি দিয়ে তৈরি ভেষজ চা পান করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

৫. ঘরের রান্নায় ভরসা
রেস্তোরাঁ বা বাইরের খাবারের চেয়ে ঘরের রান্না সবসময়ই নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত। কারণ ঘরে তেল, লবণ ও মশলার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দি

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্ব শ্রমিক দিবসে কুমিল্লায় তরুণদের ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

নতুন বছরে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে দৈনন্দিন রুটিনে আনুন ৫টি সহজ পরিবর্তন

আপডেট সময় ১১:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন বছরের ক্যালেন্ডার উল্টানোর সঙ্গে সঙ্গেই আমরা অনেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। কিন্তু কঠিন ডায়েট বা কঠোর ব্যায়ামের চেয়ে দৈনন্দিন ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তনই আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, ২০২৬ সালে নিজেকে সুখী, সুস্থ ও রোগমুক্ত রাখতে প্রতিদিনের জীবনাচরণে মাত্র ৫টি পরিবর্তন আনাই যথেষ্ট।

১. দিন শুরু হোক সঠিক পানীয় দিয়ে
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া সচল করতে হাইড্রেশন জরুরি। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, দিন শুরু করুন এক গ্লাস হালকা গরম পানি দিয়ে। এর সঙ্গে মৌরি বীজ, কিশমিশ ভেজানো পানি অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এই ছোট্ট অভ্যাসটি হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখে।

২. অন্ত্রের স্বাস্থ্যের যত্ন ও হোল গ্রেইন
সুস্থতার মূল চাবিকাঠি হলো ভালো হজমশক্তি। তাই খাদ্যতালিকায় হোল গ্রেইন বা পূর্ণশস্যজাত খাবার, হালকা রান্না করা শাকসবজি এবং বাটারমিল্কের মতো প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবারকে প্রাধান্য দিন। রান্নায় জিরা, হলুদ ও ধনিয়ার মতো প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানের ব্যবহার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. চিনি ও প্রসেসড ফুডকে ‘না’ বলুন
পরিশোধিত চিনি এবং প্যাকেটজাত কৃত্রিম খাবার শরীরের শক্তির স্তর কমিয়ে দেয় এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই সুস্থ থাকতে চিনি ও প্রসেসড খাবার বর্জন করুন। এর পরিবর্তে তাজা ফল, চিয়া বীজ বা বাদামের মতো স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক নাস্তা বেছে নিন।

৪. খাবার খান মনোযোগ দিয়ে
খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। টিভি বা মোবাইল ফোন দূরে রেখে খাবারের স্বাদ ও গন্ধে মনোযোগ দিন। এছাড়া সারা বছর শরীরকে চাঙ্গা রাখতে ঋতুভিত্তিক ফলমূল এবং হলুদের দুধ, এলাচ বা মৌরি দিয়ে তৈরি ভেষজ চা পান করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

৫. ঘরের রান্নায় ভরসা
রেস্তোরাঁ বা বাইরের খাবারের চেয়ে ঘরের রান্না সবসময়ই নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত। কারণ ঘরে তেল, লবণ ও মশলার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দি