সংবাদ শিরোনাম ::
দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির স্টাফ রিপোর্টার প্রিয়া চৌধুরীকে অব্যাহতি শহীদ সন্তানের মায়ের হৃদয়বিদারক স্মৃতিচারণে অশ্রুসিক্ত চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি শনিবারকে ছুটির দিন ভেবে পরীক্ষা মিস শাহনাজের, পরে গিয়েও মিলল না প্রবেশের অনুমতি দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের ইতিহাস বিনির্মাণে সহায়তা করেছে : ডেপুটি স্পিকার কৃমি নির্মূল করে যে পাতার রস শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২ মাদক কারবারি যত প্রভাবশালীই হোক তার জায়গা সমাজে হবে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী কেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে গেলেন না শাকিব খান? ১৭ বছরে অনেক নির্যাতনেও মাথা নত করিনি : মির্জা ফখরুল

শৈত্যপ্রবাহের দাপটে কাঁপছে দেশ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

ছবি- সংগৃহীত

টানা তিন দিন ধরে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ। কোথাও মিলছে না সূর্যের দেখা। পৌষের হাড়কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জনজীবন। এর মধ্যেই শীত নিয়ে নতুন করে দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাস বলছে, আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং চলতি মাসে দেশের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে ৬ জানুয়ারি সকাল থেকে শীতের দাপট বাড়বে এবং দেশের কোথাও কোথাও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। আজ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে দেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং অন্তত দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির ঘরে নামার শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার ও বৃহস্পতিবার জেলাটিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গতকাল সকালেও ঘন কুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে ৯টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, কলকাতা ও ব্যাংককে ডাইভার্ট করা হয়েছে। সড়কেও ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, আগামী ৬ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার ঘটতে পারে। গতবারের তুলনায় এবার শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। ঢাকায় বাতাসের আর্দ্রতা ৯৫ শতাংশ থাকায় এবং উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় ঠান্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির স্টাফ রিপোর্টার প্রিয়া চৌধুরীকে অব্যাহতি

শৈত্যপ্রবাহের দাপটে কাঁপছে দেশ, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

আপডেট সময় ১১:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

টানা তিন দিন ধরে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ। কোথাও মিলছে না সূর্যের দেখা। পৌষের হাড়কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জনজীবন। এর মধ্যেই শীত নিয়ে নতুন করে দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাস বলছে, আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং চলতি মাসে দেশের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে ৬ জানুয়ারি সকাল থেকে শীতের দাপট বাড়বে এবং দেশের কোথাও কোথাও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। আজ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে দেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং অন্তত দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির ঘরে নামার শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার ও বৃহস্পতিবার জেলাটিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গতকাল সকালেও ঘন কুয়াশার কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে ৯টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, কলকাতা ও ব্যাংককে ডাইভার্ট করা হয়েছে। সড়কেও ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, আগামী ৬ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার ঘটতে পারে। গতবারের তুলনায় এবার শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। ঢাকায় বাতাসের আর্দ্রতা ৯৫ শতাংশ থাকায় এবং উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় ঠান্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে।