ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঞ্ছারামপুরে ইউপি সদস্য আবু মুসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েম মিয়া গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আলোচিত ছলিমাবাদ ইউপি সদস্য আবু মুছা সরকার হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েম মিয়াকে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর মডেল থানাধীন আহমদ নগর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার মামলা নম্বর ০১, তারিখ ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪–এর এ মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন সায়েম মিয়া (৩৫)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের আশ্রাফবাদ এলাকার মঙ্গল মিয়ার ছেলে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মো. হাসান জামিল খান বলেন, এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন, এসআই (নিঃ) ফারুক আহাম্মদ ও সঙ্গীয় ফোর্সকে নিয়ে আমরা ঢাকার মিরপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করি। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে থানায় আনা হয়েছে এবং বিধি মোতাবেক পরবর্তী আইনগত ব্যসস্থা নেয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঞ্ছারামপুরে ইউপি সদস্য আবু মুসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েম মিয়া গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১০:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আলোচিত ছলিমাবাদ ইউপি সদস্য আবু মুছা সরকার হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েম মিয়াকে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর মডেল থানাধীন আহমদ নগর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার মামলা নম্বর ০১, তারিখ ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ধারা ৩০২/৩৪–এর এ মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন সায়েম মিয়া (৩৫)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের আশ্রাফবাদ এলাকার মঙ্গল মিয়ার ছেলে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মো. হাসান জামিল খান বলেন, এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন, এসআই (নিঃ) ফারুক আহাম্মদ ও সঙ্গীয় ফোর্সকে নিয়ে আমরা ঢাকার মিরপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করি। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে থানায় আনা হয়েছে এবং বিধি মোতাবেক পরবর্তী আইনগত ব্যসস্থা নেয়া হবে।