ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত কিছু ছবি, হাজারো স্মৃতি—আমার জুলাই পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১

বিরোধীদের হট্টগোলের পর পাকিস্তানের সিনেটে ২৭তম সংশোধনী পাস

পাকিস্তানের সিনেটে সংবিধানের বিতর্কিত ২৭তম সংশোধনী পাস হয়েছে। সোমবার সিনেট অধিবেশনে বিরোধীদের প্রতিবাদের মুখেই সংশোধনী সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আজম নজির। এটি পাস হওয়ার আগ মুহূর্তে বিরোধী সিনেটররা ওয়াকআউট করেন।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সিনেট চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ রাজা জিলানি। বিল পাসের আগেই বিরোধী সিনেটররা তীব্র বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা সরকার ও জোটসঙ্গীদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে আইনমন্ত্রীর দিকে বিলের কপি ছোড়েন। পরে বেশিরভাগ বিরোধী সিনেটর বেরিয়ে যান। এরপর বিলটি পাস হয়।

এর আগে পার্লামেন্টের আইন ও বিচারবিষয়ক স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিলে কিছু সংশোধনী এনে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিরোধীরা ওই বৈঠকও বর্জন করেন।

পাকিস্তানের আরেক গণমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংশোধনীর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৬৪ জন সিনেটর। বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। বিলটি পাসের জন্য ৯৬ সিনেটরের মধ্যে ৬৪ জনের সমর্থন লাগতো।

সংবিধানের এই সংশোধনীর লক্ষ্য হলো শাসন কাঠামোর আধুনিকীকরণ। প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার করা এবং ২০০৬ সালের ‘চার্টার অব ডেমোক্রেসি’-এর আওতায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা।

তবে গত কয়েক দিন ধরে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে। এর আওতায় এতদিন সশস্ত্র বাহিনীর ওপর বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ ছিল। কিন্তু সংশোধনের পর সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকবেন সেনাপ্রধান। তিনি সব বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান) ওপর সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবেন। বলা হচ্ছে, এটি পাকিস্তানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনে ক্ষমতার ভারসাম্যে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

বিরোধীদের হট্টগোলের পর পাকিস্তানের সিনেটে ২৭তম সংশোধনী পাস

আপডেট সময় ০৮:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের সিনেটে সংবিধানের বিতর্কিত ২৭তম সংশোধনী পাস হয়েছে। সোমবার সিনেট অধিবেশনে বিরোধীদের প্রতিবাদের মুখেই সংশোধনী সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আজম নজির। এটি পাস হওয়ার আগ মুহূর্তে বিরোধী সিনেটররা ওয়াকআউট করেন।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সিনেট চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ রাজা জিলানি। বিল পাসের আগেই বিরোধী সিনেটররা তীব্র বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা সরকার ও জোটসঙ্গীদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে আইনমন্ত্রীর দিকে বিলের কপি ছোড়েন। পরে বেশিরভাগ বিরোধী সিনেটর বেরিয়ে যান। এরপর বিলটি পাস হয়।

এর আগে পার্লামেন্টের আইন ও বিচারবিষয়ক স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিলে কিছু সংশোধনী এনে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিরোধীরা ওই বৈঠকও বর্জন করেন।

পাকিস্তানের আরেক গণমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংশোধনীর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৬৪ জন সিনেটর। বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। বিলটি পাসের জন্য ৯৬ সিনেটরের মধ্যে ৬৪ জনের সমর্থন লাগতো।

সংবিধানের এই সংশোধনীর লক্ষ্য হলো শাসন কাঠামোর আধুনিকীকরণ। প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার করা এবং ২০০৬ সালের ‘চার্টার অব ডেমোক্রেসি’-এর আওতায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা।

তবে গত কয়েক দিন ধরে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয় সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব নিয়ে। এর আওতায় এতদিন সশস্ত্র বাহিনীর ওপর বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ ছিল। কিন্তু সংশোধনের পর সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকবেন সেনাপ্রধান। তিনি সব বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান) ওপর সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবেন। বলা হচ্ছে, এটি পাকিস্তানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনে ক্ষমতার ভারসাম্যে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।