কুমিল্লা দেবিদ্বার পৌর এলাকার বিএনপি নেতা বদিউল আলম (বদু)–এর বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিএনপি নেতা বদিউল আলম বদু জানান, তিনি দেবিদ্বার পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ি মির্জানগর ও আলিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে দেবিদ্দার পৌরসভার(ভিংলাবাড়ী,মির্জানগর,আলীয়াবাদ) ২নং ওয়ার্ড বি.এন.পি,র সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, “আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। বিএনপির রাজনীতি করি এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০১৩ সালে ভিরাল্লা গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় আমাকে ৪৯ নম্বর আসামি করা হয়েছিল। তখন আমি কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে সরকারের দমননীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে হরতাল পালন করেছি।”
বদিউল আলম আরও অভিযোগ করে বলেন, “২০১৩ সালের হরতালের সময় তোলা একটি পুরনো ছবি ব্যবহার করে কিছু দুষ্কৃতিকারী সম্প্রতি (২০২৫ সালে) সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। তারা ছবিটি বিকৃত করে আমাকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এমনকি আমার ছবির সঙ্গে মদের বোতল ও অনৈতিক উপকরণ যুক্ত করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।”
বদিউল আলম বদু মিয়া দাবি করেছেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি বলেন, “আমি বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সী, এ এফ এম তারেক মুন্সীসহ দেবিদ্বার উপজেলা ও পৌরসভার সকল নেতৃবৃন্দ বিষয়টি জানেন।”
তিনি অভিযোগ করেন, ভুলবশত তাকে আওয়ামী লীগ কর্মী ভেবে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিষয়টি নিশ্চিত করে তাকে মুক্তি দেন বলে জানান বদিউল আলম বদু মিয়া।
এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি চক্র তাঁর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সম্মানহানি ঘটানোর ষড়যন্ত্র করছে।বদিউল আলম জানান, তিনি ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেবিদ্বার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে একই ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আমি বিএনপির প্রকৃত সৈনিক। অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কেউ আমার রাজনৈতিক আদর্শ থেকে আমাকে সরাতে পারবে না।”
কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি 





















