ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পরিবেশ খাতে আইনের শাসন-ন্যায় বিচার নিশ্চিতে বিচারকদের কর্মশালা চট্টগ্রামে কুটুমবাড়ি রেস্তোরাঁকে লাখ টাকা জরিমানা আইইউবিতে মঞ্চস্থ হলো ইবসেনের কালজয়ী নাটকের আধুনিক রূপ নির্বাচনের পর পদত্যাগ করতে চান রাষ্ট্রপতি : রয়টার্স স্থানীয় সরকারে আদিলুর, তথ্যে রিজওয়ানা, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পেলেন আসিফ নজরুল ঢাকা-২০ আসনে এনসিপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ নিয়ম ভাঙলেই এক্রিডিটেশন বাতিল, হুঁশিয়ারি বিসিবির ৩২ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি শিশু সাজিদের, হাল ছাড়ছে না ফায়ার সার্ভিস দাফনের সময় কবরে পড়ে যায় মোবাইল, এক রাত পর মাটি সরিয়ে উদ্ধার তারাগঞ্জে গোপন নিয়োগ ও সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগে মানববন্ধন

মূলত রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়াতেই জটিলতা রয়ে গেছে : রাশেদ খান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৭২ বার পড়া হয়েছে

গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের হাতে উপদেষ্টা পরিষদের শপথ নেওয়াতেই জটিলতা রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তার ভাষ্য, এসব ভুলের খেসারত হয় না।

আজ সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খান। জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত অধ্যাদেশ জারি করলে তা মানা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। গতকাল রবিবার সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই সনদ অবশ্যই এবং অবশ্যই অধ্যাপক ইউনূসকে জারি করতে হবে। জুলাই সনদ যদি তথাকথিত রাষ্ট্রপতির থেকে জারি হয়, রাষ্ট্রপতি কার্যালয় থেকে থেকে জারি হয়, তাহলে এই সনদের কোনো আইনি ও রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হবে না।’
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খান তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, যেহেতু সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ। যেহেতু মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তৎকালীন ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামসহ সকল উপদেষ্টারা রাষ্ট্রপতিকে মেনেই শপথ নিয়েছেন।

যেহেতু এই ধরনের আদেশ জারি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সেহেতু জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে না হলে সেটি হবে আইনগতভাবে ত্রুটিযুক্ত।
রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর ছাড়া এমন অধ্যাদেশ জারি হলে তা ভবিষ্যতে প্রশ্নের মুখোমুখি ফেলার সুযোগ রেখে দিবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিধি অনুযায়ী আদেশ জারি হওয়া দরকার, আবেগতাড়িত হয়ে কোনকিছু করতে গেলে তা ভবিষ্যতে অবৈধ বিবেচিত হতে পারে।

গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা আরো বলেন, মূলত গত ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়াতেই জটিলতা রয়ে গেছে। তখন যদি নাহিদ ইসলামরা রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিতেন, তবে এখন বলতে পারতেন, আমরা রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি মানব না। কিন্তু শপথ নেওয়ার পর আর বলার সুযোগ নেই। ভুলটা তখনই হয়ে গেছে। আর এইসব ভুলের কোন খেসারত হয় না। খেসারতের জন্য প্রয়োজন নতুন গণ-অভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবেশ খাতে আইনের শাসন-ন্যায় বিচার নিশ্চিতে বিচারকদের কর্মশালা

মূলত রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়াতেই জটিলতা রয়ে গেছে : রাশেদ খান

আপডেট সময় ০৩:০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের হাতে উপদেষ্টা পরিষদের শপথ নেওয়াতেই জটিলতা রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তার ভাষ্য, এসব ভুলের খেসারত হয় না।

আজ সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খান। জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত অধ্যাদেশ জারি করলে তা মানা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। গতকাল রবিবার সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই সনদ অবশ্যই এবং অবশ্যই অধ্যাপক ইউনূসকে জারি করতে হবে। জুলাই সনদ যদি তথাকথিত রাষ্ট্রপতির থেকে জারি হয়, রাষ্ট্রপতি কার্যালয় থেকে থেকে জারি হয়, তাহলে এই সনদের কোনো আইনি ও রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হবে না।’
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খান তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, যেহেতু সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ। যেহেতু মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তৎকালীন ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামসহ সকল উপদেষ্টারা রাষ্ট্রপতিকে মেনেই শপথ নিয়েছেন।

যেহেতু এই ধরনের আদেশ জারি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সেহেতু জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে না হলে সেটি হবে আইনগতভাবে ত্রুটিযুক্ত।
রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর ছাড়া এমন অধ্যাদেশ জারি হলে তা ভবিষ্যতে প্রশ্নের মুখোমুখি ফেলার সুযোগ রেখে দিবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিধি অনুযায়ী আদেশ জারি হওয়া দরকার, আবেগতাড়িত হয়ে কোনকিছু করতে গেলে তা ভবিষ্যতে অবৈধ বিবেচিত হতে পারে।

গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা আরো বলেন, মূলত গত ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়াতেই জটিলতা রয়ে গেছে। তখন যদি নাহিদ ইসলামরা রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিতেন, তবে এখন বলতে পারতেন, আমরা রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি মানব না। কিন্তু শপথ নেওয়ার পর আর বলার সুযোগ নেই। ভুলটা তখনই হয়ে গেছে। আর এইসব ভুলের কোন খেসারত হয় না। খেসারতের জন্য প্রয়োজন নতুন গণ-অভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব।