শিয়ালের কামড়ে শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ী উপজেলার আশপাশের চারটি গ্রামে ২২ জন আহত হয়েছেন। ছবি : সংগৃহীত
শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ী উপজেলার আশপাশের চারটি গ্রামে এক শিয়ালের কামড়ে ২২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৭টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিয়ালটি প্রথমে সদরের গাজীরখামারের দিকপাড়া গ্রামে ৪ জনকে, এরপর গির্দ্দাপাড়া গ্রামে ১০ জনকে, তারপর নালিতাবাড়ীর কলসপাড়ের নাকশি গ্রামে ৪ জনকে এবং সর্বশেষ সদরের ধলা ইউনিয়নের পাঞ্জরভাঙ্গা গ্রামে ৪ জনকে কামড়ে আহত করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে শিয়ালটিকে তাড়া করে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, শিয়ালটি জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগে আক্রান্ত হতে পারে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উম্মে সালমা আঁখি জানান, কিছুদিন যাবত হাসপাতালে কুকুর ও শিয়ালের কামড়ের রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ১৪ জন শিয়ালে কামড়ানোর রোগী পেয়েছি।
শিয়ালের কামড়ে আহত সবাইকে অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। এ ছাড়া হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গাজীরখামার ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শিয়ালটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের সাধারণ মানুষকে কামড়িয়ে আহত করেছে। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে এলাকার মসজিদগুলোয় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়। পরে গ্রামবাসীরা মিলে শিয়ালটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।
গাজীরখামা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘কয়েকজনকে শিয়ালে কামড়িয়েছে। তাদেরকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
শেরপুর প্রতিনিধি 





















