গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার কিশোর গাড়ি ইউনিয়নের বুজরকডাঙ্গা গ্রামে সাদেকুল ইসলাম (৪৭) নামে এক বাবার বিরুদ্ধে নিজের ১৪ বছরের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে তাকে গণপিটুনী দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা। এ ব্যাপারে পলাশবাড়ি থানায় মেয়েটির নানা জাহাঙ্গীর আলম রাতে বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদেকুল ইসলাম পেশায় হকার। তিনি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করেন। তার স্ত্রী চার বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে বাড়িতে তিনি কিশোরী দুই মেয়ে ও ৯ বছরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে বাস করতেন।
পলাশবাড়ি থানার ওসি জুলফিকার আলী ভুট্টো রাতে বলেন, ‘গত ৩-৪ মাস ধরে সাদেকুল নিজের বড় মেয়েকে (১৪) বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করে আসছিলেন। অসহায় মেয়েটি এই নির্যাতনে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এলাকার লোকজন বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে সন্দেহ করছিলেন। গতকাল বুধবার দুপুরে আবারও মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন সাদেকুল। এসময় ধস্তাধস্তি হলে তার ছোট মেয়ে ভয় পেয়ে চিৎকার শুরু করে। এসময় প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তারা দরজা ভেঙে ঢুকে বড় মেয়েকে উদ্ধার করেন এবং সাদেকুলকে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে পলাশবাড়ী থানায় নিয়ে যায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আসামিকে ভুক্তভোগী মেয়েটির নানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মেয়েটিকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য আজ বৃস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। আসামি সাদেকুলকেও আদালতে পাঠানো হবে।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি 





















