আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে ফের উঠেছে প্রশ্ন। সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামালের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক আলোচনামূলক ভিডিওর নিচে দর্শকরা জানিয়েছেন নানা মত। কেউ সরকারের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন, কেউ আবার আশঙ্কা করছেন—এবার হয়তো ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের চেয়েও কম ভোট পড়বে। এসব প্রতিক্রিয়ার জবাবে মাসুদ কামালও দিয়েছেন খোলামেলা মন্তব্য। মাসুদ কামাল শনিবার (২৫ অক্টোবর) তার ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। যার শিরোনাম ছিল—‘আওয়ামী লীগের ভয়েই বিকলাঙ্গ না ভোট’। ভিডিওটিতে তিনি আরপিও সংশোধন এবং আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নিয়ম-কানুন নিয়ে কথা বলেন। ওই ভিডিওর নিচে দর্শকরা নানা মন্তব্য করেন।
সেখান থেকে বাছাই করা কয়েকটি প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি আজ রবিবার (২৬ অক্টোবর) তৈরি করেন আরেকটি ভিডিও—‘দর্শকের কথা’।
সেখানে রোহান নামে এক দর্শক মন্তব্য করেন, ‘নিরপেক্ষ ভূমিকা আশা করেছিলাম এই সরকারের কাছে। রাজনৈতিক দলকেও এত দমনমূলক পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।’
রাব্বি শিকদার নামে আরেকজন লেখেন, ‘গ্রামে কৃষক সারের অভাবে জমি চাষ করতে পারছেন না। দেশের পরিস্থিতি অনেক খারাপ।’ এর জবাবে মাসুদ কামাল বলেন, ‘আমি রাব্বি সাহেবের সঙ্গে একমত। গ্রামের মানুষের অবস্থা সত্যিই খারাপ। হাতে টাকা নেই, বাজারে জিনিসপত্রের দামও লাগামহীন। কৃষকরা এখন বাঁচার লড়াই করছেন।
আরেক দর্শক সালু ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘কত আইন করছে, সেটা মানুষ দেখবে না। দেখবে কত শতাংশ ভোটার কেন্দ্রে যাবেন। আমার মনে হয়, ২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচনের চেয়েও কম ভোট পড়বে।’ এই মন্তব্যের জবাবে মাসুদ কামাল বলেন, ‘আমরা চাই না এমনটা হোক, কিন্তু আশঙ্কাটা বাস্তবায়িত হতে পারে।’ মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম নামে একজন লেখেন, ‘আপনি সত্য কথা বলেন, এতে আপনার শত্রুতা বেড়ে যায় না?’ জবাবে মাসুদ কামাল বলেন, ‘বাড়তেই পারে। তবে যদি নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকা যায়, তাহলে কোনো শত্রুই ক্ষতি করতে পারবে না।’
জাহাঙ্গীর আলম নামে এক দর্শক মন্তব্য করেন, ‘আমার বিশ্বাস নির্বাচন হবে না, কারণ নির্বাচন হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।’ এর জবাবে মাসুদ কামাল বলেন, ‘সরকার ও নির্বাচন কমিশন ফেব্রুয়ারির কথা বলছে, প্রস্তুতিও নিচ্ছে। তার পরও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করছেন, সেটা একেবারে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।’
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























