সংবাদ শিরোনাম ::
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুই মাসে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা টিকে গ্রুপের দেশের ৯ অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা ববিতে লাগামহীন লোডশেডিংয়ে তীব্র ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা- ব্যহত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম  বড়লেখার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় দুটি এয়ারগান জব্দ বাঘায় বিদ্যুত স্পৃষ্টে যুবক নিহত নওগাঁয় চু’রির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ আ’টক-১ সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

ঢাবিসহ সব বিশ্ববিদ্যালয় হকারমুক্ত দেখতে চান রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় হকারমুক্ত ও ফুটপাতের দোকানীমুক্ত করে নিরাপদ ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।

গত শনিবার দিবাগত রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি বলেন, হ্যাঁ, যারা হকার ও দোকানী হিসেবে ব্যবসা করতে চান, তাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া যেতে পারে। আমি চীনে গিয়ে দেখেছি, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ভবঘুরে, যেখানে সেখানে দোকান বা আড্ডা নেই। পৃথিবীর উন্নত কোনো দেশের বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মতো নয়।

রাশেদ খান আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের করার উদ্যোগ নিতে হবে। কোনো আবেগ বা মায়া দিয়ে শৃঙ্খল রাষ্ট্র গঠনে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। বরং দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে পারস্পরিক সহায়তা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র বিরোধী রাজনীতি বা আদর্শিক মতপার্থক্যের কারণে কারও ভালো কাজের বিরোধিতা করলে দেশ কখনোই উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে না। আসুন, ভালো কাজে সবাইকে সমর্থন করি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানের সিএন্ডএফ ক্লিয়ারিং বাণিজ্য

ঢাবিসহ সব বিশ্ববিদ্যালয় হকারমুক্ত দেখতে চান রাশেদ খান

আপডেট সময় ১১:২২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় হকারমুক্ত ও ফুটপাতের দোকানীমুক্ত করে নিরাপদ ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।

গত শনিবার দিবাগত রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি বলেন, হ্যাঁ, যারা হকার ও দোকানী হিসেবে ব্যবসা করতে চান, তাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া যেতে পারে। আমি চীনে গিয়ে দেখেছি, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ভবঘুরে, যেখানে সেখানে দোকান বা আড্ডা নেই। পৃথিবীর উন্নত কোনো দেশের বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মতো নয়।

রাশেদ খান আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের করার উদ্যোগ নিতে হবে। কোনো আবেগ বা মায়া দিয়ে শৃঙ্খল রাষ্ট্র গঠনে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। বরং দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে পারস্পরিক সহায়তা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র বিরোধী রাজনীতি বা আদর্শিক মতপার্থক্যের কারণে কারও ভালো কাজের বিরোধিতা করলে দেশ কখনোই উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে না। আসুন, ভালো কাজে সবাইকে সমর্থন করি।