ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

মামলার পরও দূর্নীতি করে যাচ্ছে গণপূর্তের মিজান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১২:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৬২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালতে সিআর মামলা নং-১১৮/২০২৫ দায়ের করা হয়েছে মো. সমুন হাওলাদারের দ্বারা। মামলাটির প্রধান অভিযুক্ত সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, যিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্লাম্বিং ইউনিট-২, ঢাকায় দায়িত্ব পালন করতেন। অভিযোগের বিষয়ধারা অন্তর্ভুক্ত ১৪৭, ১৪৮, ৩২৬, ৩০৭, ৫০৬ এবং ৩৪ দণ্ডবিধি। এই মামলা ও তার পরবর্তী প্রেক্ষাপট নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে মামলার পরও অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে থাকায়।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, মো. সমুন হাওলাদার অভিযোগ করেছেন যে সাবেক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান তাঁর দায়িত্বের দায়িত্ববিমুখ ব্যবহার করেছেন। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অনিয়ম, শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং জনসাধারণের স্বার্থে ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড। মামলার ধারা অনুযায়ী ১৪৭, ১৪৮ ধারায় উল্লেখিত হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহ বা সরকারী দায়িত্বের অবমাননা; ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় উল্লেখিত হয়েছে গুরুতর আঘাত ও হত্যাচেষ্টা; ৫০৬ ধারায় ভয় দেখানো ও হুমকি; এবং ৩৪ ধারায় যৌথ অপরাধ।
প্রধান অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট : মো. মিজানুর রহমানের দায়িত্ব ছিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্লাম্বিং ইউনিট-২-এর বিভিন্ন প্রকল্প তদারকি করা। অভিযোগ অনুসারে, তিনি দায়িত্বের সুযোগ নিয়ে সরকারি সম্পদ ও অর্থের ব্যবহার নিয়ে অনিয়ম করেছেন। সূত্রের খবর, তার নেতৃত্বে কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে তার প্রভাবের কারণে সহকর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তের পদস্থতার কারণে কর্মচারীরা তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। অভিযোগের ধরন এবং সাবেক প্রকৌশলীর অবস্থান প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।
মামলা দায়েরের পরও মো. মিজানুর রহমান বহাল তবিয়তে আছেন। আদালতের মামলা শুরু হওয়ার পরও তার পদচ্যুত না হওয়ার কারণ নিয়োগ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতাকে বলা হচ্ছে। প্রশাসনিক মহলের তথ্য অনুযায়ী, পদত্যাগ বা সাময়িক বরখাস্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে। এছাড়া, কিছু কর্মকর্তা মনে করছেন, মামলা চলাকালীন পদে থাকা প্রক্রিয়া প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
তবে সরকারি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বহাল তবিয়তে থাকার ফলে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বের উপর প্রশ্ন উঠছে। এতে কর্মচারী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রশাসন সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানালেন, “মামলা দায়ের হওয়ার পরও বহাল তবিয়তে থাকা সম্ভব, কারণ প্রশাসনিক অনুমোদনের জটিলতা এবং কিছু ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পদচ্যুতি করা সম্ভব নয়।”
অন্যদিকে, এক আইনজীবী মন্তব্য করেছেন, “আইন অনুযায়ী মামলার রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক পদে থাকা বৈধ হতে পারে, তবে এটি নৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘমেয়াদি পদে থাকা স্বাভাবিক নয়।”
মামলার পরও বহাল তবিয়তে থাকার ঘটনা গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মপরিবেশ ও স্বচ্ছতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা অভিযোগ করছেন, তারা পদস্থ ব্যক্তির অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে প্রশাসনিক সুষ্ঠু কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। জনমতও এ ধরনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ। সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মামলার পরও বহাল তবিয়তে থাকা প্রক্রিয়া প্রমাণ করে যে প্রশাসনিক কাঠামোতে কিছু দুর্বলতা রয়েছে। প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, তা স্বচ্ছতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। এর পাশাপাশি, সরকারি কর্মচারীদের জন্য সতর্কতা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রশাসনিক সংস্কার, অভ্যন্তরীণ নজরদারি এবং দায়িত্ব পালনকারীদের প্রতি কঠোর আইন প্রয়োগ দরকার। মামলার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত না হলে, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি বারবার ঘটতে পারে।
মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা ১১৮/২০২৫ বর্তমানে আদালতের পর্যবেক্ষণে। মামলার প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও তার বহাল তবিয়তে থাকার ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরে রেখেছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ঘটনা সরকারের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে। মামলার ফলাফল ও পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা পুরো দেশেই নজরকাড়া বিষয় হয়ে উঠেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

মামলার পরও দূর্নীতি করে যাচ্ছে গণপূর্তের মিজান

আপডেট সময় ১২:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার বিজ্ঞ সিএমএম আদালতে সিআর মামলা নং-১১৮/২০২৫ দায়ের করা হয়েছে মো. সমুন হাওলাদারের দ্বারা। মামলাটির প্রধান অভিযুক্ত সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, যিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্লাম্বিং ইউনিট-২, ঢাকায় দায়িত্ব পালন করতেন। অভিযোগের বিষয়ধারা অন্তর্ভুক্ত ১৪৭, ১৪৮, ৩২৬, ৩০৭, ৫০৬ এবং ৩৪ দণ্ডবিধি। এই মামলা ও তার পরবর্তী প্রেক্ষাপট নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে মামলার পরও অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে থাকায়।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, মো. সমুন হাওলাদার অভিযোগ করেছেন যে সাবেক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান তাঁর দায়িত্বের দায়িত্ববিমুখ ব্যবহার করেছেন। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অনিয়ম, শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং জনসাধারণের স্বার্থে ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড। মামলার ধারা অনুযায়ী ১৪৭, ১৪৮ ধারায় উল্লেখিত হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহ বা সরকারী দায়িত্বের অবমাননা; ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় উল্লেখিত হয়েছে গুরুতর আঘাত ও হত্যাচেষ্টা; ৫০৬ ধারায় ভয় দেখানো ও হুমকি; এবং ৩৪ ধারায় যৌথ অপরাধ।
প্রধান অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট : মো. মিজানুর রহমানের দায়িত্ব ছিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্লাম্বিং ইউনিট-২-এর বিভিন্ন প্রকল্প তদারকি করা। অভিযোগ অনুসারে, তিনি দায়িত্বের সুযোগ নিয়ে সরকারি সম্পদ ও অর্থের ব্যবহার নিয়ে অনিয়ম করেছেন। সূত্রের খবর, তার নেতৃত্বে কিছু প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে তার প্রভাবের কারণে সহকর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তের পদস্থতার কারণে কর্মচারীরা তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। অভিযোগের ধরন এবং সাবেক প্রকৌশলীর অবস্থান প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।
মামলা দায়েরের পরও মো. মিজানুর রহমান বহাল তবিয়তে আছেন। আদালতের মামলা শুরু হওয়ার পরও তার পদচ্যুত না হওয়ার কারণ নিয়োগ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতাকে বলা হচ্ছে। প্রশাসনিক মহলের তথ্য অনুযায়ী, পদত্যাগ বা সাময়িক বরখাস্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে। এছাড়া, কিছু কর্মকর্তা মনে করছেন, মামলা চলাকালীন পদে থাকা প্রক্রিয়া প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
তবে সরকারি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় বহাল তবিয়তে থাকার ফলে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বের উপর প্রশ্ন উঠছে। এতে কর্মচারী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রশাসন সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানালেন, “মামলা দায়ের হওয়ার পরও বহাল তবিয়তে থাকা সম্ভব, কারণ প্রশাসনিক অনুমোদনের জটিলতা এবং কিছু ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পদচ্যুতি করা সম্ভব নয়।”
অন্যদিকে, এক আইনজীবী মন্তব্য করেছেন, “আইন অনুযায়ী মামলার রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক পদে থাকা বৈধ হতে পারে, তবে এটি নৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘমেয়াদি পদে থাকা স্বাভাবিক নয়।”
মামলার পরও বহাল তবিয়তে থাকার ঘটনা গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মপরিবেশ ও স্বচ্ছতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা অভিযোগ করছেন, তারা পদস্থ ব্যক্তির অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে প্রশাসনিক সুষ্ঠু কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। জনমতও এ ধরনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ। সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মামলার পরও বহাল তবিয়তে থাকা প্রক্রিয়া প্রমাণ করে যে প্রশাসনিক কাঠামোতে কিছু দুর্বলতা রয়েছে। প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়, তা স্বচ্ছতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। এর পাশাপাশি, সরকারি কর্মচারীদের জন্য সতর্কতা এবং দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রশাসনিক সংস্কার, অভ্যন্তরীণ নজরদারি এবং দায়িত্ব পালনকারীদের প্রতি কঠোর আইন প্রয়োগ দরকার। মামলার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত না হলে, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি বারবার ঘটতে পারে।
মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা ১১৮/২০২৫ বর্তমানে আদালতের পর্যবেক্ষণে। মামলার প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও তার বহাল তবিয়তে থাকার ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরে রেখেছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ঘটনা সরকারের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের গুরুত্বকে পুনর্ব্যক্ত করে। মামলার ফলাফল ও পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা পুরো দেশেই নজরকাড়া বিষয় হয়ে উঠেছে।