ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রাম সিটিতে বর্জ্য থেকে পরীক্ষামূলক বায়োগ্যাস উৎপাদন শুরু

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) হালিশহর আনন্দ বাজার ল্যান্ডফিল্ডে গ্যাস কূপের টেস্ট বোরিং উদ্বোধন করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

উদ্বোধন শেষে মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার কোনো বিকল্প নেই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটিতে পরিণত করতে চাই।

তিনি বলেন, আমি যখন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন থেকেই আমার চিন্তা ছিল- কিভাবে শহরের ময়লাগুলোকে সম্পদে রূপান্তর করা যায়। হালিশহরের মানুষ বছরের পর বছর দুর্গন্ধ ও দূষণের কষ্ট ভোগ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করব।

মেয়র জানান, সিটি কর্পোরেশনের ওয়েস্ট টু এনার্জি প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে। এই টেস্ট বোরিং সফল হলে ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকল্পটি চালু হবে, এবং জনগণ বিনামূল্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পাবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রতিদিন চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে সিটি কর্পোরেশন সংগ্রহ করে প্রায় ২২০০ টন। বাকি বর্জ্য নালা ও খালে গিয়ে জলাবদ্ধতা ও দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য ডোর-টু-ডোর প্রকল্প চালুর মাধ্যমে আমরা শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে চাই।

মেয়র এসময় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, আপনারা বর্জ্য নালা বা খালে ফেলবেন না। একটু সচেতনতা আমাদের শহরকে করবে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম বায়োগ্যাস প্রজেক্ট, যা চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও টেকসই শহরে রূপান্তরে ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চসিক সচিব মো. আশরাফুল আমিন ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

চট্টগ্রাম সিটিতে বর্জ্য থেকে পরীক্ষামূলক বায়োগ্যাস উৎপাদন শুরু

আপডেট সময় ০৮:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) হালিশহর আনন্দ বাজার ল্যান্ডফিল্ডে গ্যাস কূপের টেস্ট বোরিং উদ্বোধন করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

উদ্বোধন শেষে মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার কোনো বিকল্প নেই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটিতে পরিণত করতে চাই।

তিনি বলেন, আমি যখন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন থেকেই আমার চিন্তা ছিল- কিভাবে শহরের ময়লাগুলোকে সম্পদে রূপান্তর করা যায়। হালিশহরের মানুষ বছরের পর বছর দুর্গন্ধ ও দূষণের কষ্ট ভোগ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তাও নিশ্চিত করব।

মেয়র জানান, সিটি কর্পোরেশনের ওয়েস্ট টু এনার্জি প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে বায়োগ্যাস উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে। এই টেস্ট বোরিং সফল হলে ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকল্পটি চালু হবে, এবং জনগণ বিনামূল্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পাবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রতিদিন চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে সিটি কর্পোরেশন সংগ্রহ করে প্রায় ২২০০ টন। বাকি বর্জ্য নালা ও খালে গিয়ে জলাবদ্ধতা ও দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য ডোর-টু-ডোর প্রকল্প চালুর মাধ্যমে আমরা শতভাগ বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে চাই।

মেয়র এসময় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, আপনারা বর্জ্য নালা বা খালে ফেলবেন না। একটু সচেতনতা আমাদের শহরকে করবে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম বায়োগ্যাস প্রজেক্ট, যা চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও টেকসই শহরে রূপান্তরে ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চসিক সচিব মো. আশরাফুল আমিন ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।