ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মৌসুমের ‘প্রথম শিরোপা’ লড়াই আজ, কোথায় কখন কিভাবে দেখবেন ভারত থেকে আজ আসছে ২০টি ব্রডগেজ রেল কোচ ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া

ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আবারও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি

  • রংপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৭:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬১০ বার পড়া হয়েছে

পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি থেকে নভেম্বরে গণভোট ও পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান ঘটনোর হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করে রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

মানববন্ধনটি নগরীর সিও বাজার থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, ডিসির মোড়, কাচারি বাজার, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়, স্টেশন রোড ও মডার্ন মোড় পর্যন্ত সড়কজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ সময় নগরীর কাচারি বাজার পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ।
ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আবারও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি
রংপুর
পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি থেকে নভেম্বরে গণভোট ও পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান ঘটনোর হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করে রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

মানববন্ধনটি নগরীর সিও বাজার থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, ডিসির মোড়, কাচারি বাজার, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়, স্টেশন রোড ও মডার্ন মোড় পর্যন্ত সড়কজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ সময় নগরীর কাচারি বাজার পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক ও মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল।

জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না। জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই কেবল ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা জনমতকে অবমূল্যায়ন করার সাথে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনে ৫ দফা এখন জাতীয় দাবি।

মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। দেশের মানুষ যদি চব্বিশের আকাঙ্ক্ষায় আবারও একত্রিত হয় তাহলে ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

এ সময় বক্তারা নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু বিএনপির কথায় উঠা-বসা করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা চাই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুক। অন্যথায় ৫ দফা দাবি গণআন্দোলনে পরিণত হলে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন রংপুর মহানগরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, জেলা সভাপতি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা সেক্রেটারি মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগরের সহসভাপতি মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, জয়েন্ট সেক্রেটারি ক্বারী জয়নুল আবেদীন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শরিফ মুহাম্মাদ রায়হান প্রমুখ।

ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আবারও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি
রংপুর
পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি থেকে নভেম্বরে গণভোট ও পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান ঘটনোর হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করে রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

মানববন্ধনটি নগরীর সিও বাজার থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, ডিসির মোড়, কাচারি বাজার, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়, স্টেশন রোড ও মডার্ন মোড় পর্যন্ত সড়কজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ সময় নগরীর কাচারি বাজার পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক ও মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল।

জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না। জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই কেবল ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা জনমতকে অবমূল্যায়ন করার সাথে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনে ৫ দফা এখন জাতীয় দাবি।

মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। দেশের মানুষ যদি চব্বিশের আকাঙ্ক্ষায় আবারও একত্রিত হয় তাহলে ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

এ সময় বক্তারা নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু বিএনপির কথায় উঠা-বসা করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা চাই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুক। অন্যথায় ৫ দফা দাবি গণআন্দোলনে পরিণত হলে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন রংপুর মহানগরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, জেলা সভাপতি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা সেক্রেটারি মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগরের সহসভাপতি মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, জয়েন্ট সেক্রেটারি ক্বারী জয়নুল আবেদীন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শরিফ মুহাম্মাদ রায়হান প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক ও মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল।

জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না। জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই কেবল ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা জনমতকে অবমূল্যায়ন করার সাথে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনে ৫ দফা এখন জাতীয় দাবি।

মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। দেশের মানুষ যদি চব্বিশের আকাঙ্ক্ষায় আবারও একত্রিত হয় তাহলে ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

এ সময় বক্তারা নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু বিএনপির কথায় উঠা-বসা করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা চাই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুক। অন্যথায় ৫ দফা দাবি গণআন্দোলনে পরিণত হলে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন রংপুর মহানগরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, জেলা সভাপতি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা সেক্রেটারি মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগরের সহসভাপতি মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, জয়েন্ট সেক্রেটারি ক্বারী জয়নুল আবেদীন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শরিফ মুহাম্মাদ রায়হান প্রমুখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন মৌসুমের ‘প্রথম শিরোপা’ লড়াই আজ, কোথায় কখন কিভাবে দেখবেন

ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আবারও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৭:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি থেকে নভেম্বরে গণভোট ও পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান ঘটনোর হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করে রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

মানববন্ধনটি নগরীর সিও বাজার থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, ডিসির মোড়, কাচারি বাজার, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়, স্টেশন রোড ও মডার্ন মোড় পর্যন্ত সড়কজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ সময় নগরীর কাচারি বাজার পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ।
ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আবারও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি
রংপুর
পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি থেকে নভেম্বরে গণভোট ও পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান ঘটনোর হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করে রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

মানববন্ধনটি নগরীর সিও বাজার থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, ডিসির মোড়, কাচারি বাজার, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়, স্টেশন রোড ও মডার্ন মোড় পর্যন্ত সড়কজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ সময় নগরীর কাচারি বাজার পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক ও মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল।

জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না। জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই কেবল ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা জনমতকে অবমূল্যায়ন করার সাথে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনে ৫ দফা এখন জাতীয় দাবি।

মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। দেশের মানুষ যদি চব্বিশের আকাঙ্ক্ষায় আবারও একত্রিত হয় তাহলে ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

এ সময় বক্তারা নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু বিএনপির কথায় উঠা-বসা করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা চাই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুক। অন্যথায় ৫ দফা দাবি গণআন্দোলনে পরিণত হলে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন রংপুর মহানগরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, জেলা সভাপতি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা সেক্রেটারি মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগরের সহসভাপতি মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, জয়েন্ট সেক্রেটারি ক্বারী জয়নুল আবেদীন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শরিফ মুহাম্মাদ রায়হান প্রমুখ।

ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আবারও গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি
রংপুর
পিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবি আদায়ে বিভাগীয় নগরী রংপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি থেকে নভেম্বরে গণভোট ও পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে দেশে আবারও গণঅভ্যুত্থান ঘটনোর হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দীর্ঘ ১০ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালন করে রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াতে ইসলামী।

মানববন্ধনটি নগরীর সিও বাজার থেকে শুরু হয়ে মেডিকেল মোড়, ডিসির মোড়, কাচারি বাজার, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়, স্টেশন রোড ও মডার্ন মোড় পর্যন্ত সড়কজুড়ে বিস্তৃত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ সময় নগরীর কাচারি বাজার পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, মহানগরের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী, রংপুর-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক ও মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল।

জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না। জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই কেবল ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা জনমতকে অবমূল্যায়ন করার সাথে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনে ৫ দফা এখন জাতীয় দাবি।

মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। দেশের মানুষ যদি চব্বিশের আকাঙ্ক্ষায় আবারও একত্রিত হয় তাহলে ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

এ সময় বক্তারা নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু বিএনপির কথায় উঠা-বসা করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা চাই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুক। অন্যথায় ৫ দফা দাবি গণআন্দোলনে পরিণত হলে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন রংপুর মহানগরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, জেলা সভাপতি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা সেক্রেটারি মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগরের সহসভাপতি মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, জয়েন্ট সেক্রেটারি ক্বারী জয়নুল আবেদীন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শরিফ মুহাম্মাদ রায়হান প্রমুখ।

সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক ও মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল।

জামায়াতের নেতৃবৃন্দ বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচনে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না। জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেই কেবল ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। দেশের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা জনমতকে অবমূল্যায়ন করার সাথে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। তাই পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচন আয়োজনে ৫ দফা এখন জাতীয় দাবি।

মানববন্ধনে বক্তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। দেশের মানুষ যদি চব্বিশের আকাঙ্ক্ষায় আবারও একত্রিত হয় তাহলে ফ্যাসিবাদমুক্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটবে।

এদিকে একই সময়ে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির প্রতি নতজানু নীতি পরিহার করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা।

এ সময় বক্তারা নভেম্বরের মধ্যে গণভোট এবং ফেব্রুয়ারিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। শুধু বিএনপির কথায় উঠা-বসা করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। আমরা চাই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুক। অন্যথায় ৫ দফা দাবি গণআন্দোলনে পরিণত হলে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন রংপুর মহানগরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল, জেলা সভাপতি ও রংপুর-১ আসনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা সেক্রেটারি মাহমুদুর রহমান রিপন সরকার, মহানগরের সহসভাপতি মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, জয়েন্ট সেক্রেটারি ক্বারী জয়নুল আবেদীন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শরিফ মুহাম্মাদ রায়হান প্রমুখ।