ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

অপমান থেকে বাঁচতে হিন্দি শিখেছিলাম

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭১২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের অন্যতম সেরা সংগীতজ্ঞ, অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তামিলনাড়ুতে বেড়ে ওঠা এই শিল্পীর কণ্ঠ এবং সুরের মূর্ছনা বারবার মুগ্ধ করেছে বিশ্বজুড়ে শ্রোতাদের। ‘স্লামডগ মিলিয়নেয়ার’, ‘রোজা’, ‘রঙ্গিলা’, ‘তাল’ তার সুপারহিট চলচ্চিত্রের তালিকা বেশ দীর্ঘ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ আর রহমান জানিয়েছেন, কেন তিনি হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে চেয়েছিলেন। মূলত, সম্মানহানি থেকে বাঁচতেই হিন্দি ভাষা শেখার দিকে মনোযোগ দেন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আর রহমান বলেন, ‘প্রতিটি ভাষার প্রতি আমার একটা আকর্ষণ রয়েছে। যখন আমার সিনেমা ‘দিল সে’ এবং ‘রোজা’ দারুণ ব্যবসা শুরু করে, তখন লোকেরা তামিল গানের হিন্দিতে অনুবাদ নিয়ে নানা আলোচনা করতে শুরু করে। এই বিষয়টি আমার কাছে খুবই অপমানজনক ছিল।’

সমালোচকদের কটূক্তি প্রসঙ্গে গায়ক আরও বলেন, ‘অনেকেই তখন খারাপ মন্তব্য করতেন। কেউ কেউ বলেছিলেন, হিন্দি গানের কথাগুলো অর্থহীন। তামিল এর চেয়ে অনেক ভালো। মানুষ বলতেন, এই ধরণের কাজ আর কখনও করো না।’

তার কথায়, ‘সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল কারণ সেই সময়ে তিনটি ভাষায় তৈরি ছবি বক্স অফিসে হিট হতো। মানুষ মূলত টাকাটাই দেখত। ঠিক তখনই আমি ডাবিং ছবির পরিবর্তে সরাসরি হিন্দি ছবির উপর মনোযোগ দিতে শুরু করি। বলতে গেলে, অপমান থেকে বাঁচতেই আমি হিন্দি শিখেছিলাম।’

ইন্ডাস্ট্রিতে কয়েক বছর কাজের অভিজ্ঞতার পরেই তিনি এই সত্যটি উপলব্ধি করেন। রহমান আরও জানান, ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে তিনি পবিত্র কোরআন থেকে কিছুটা আরবিও শিখেছিলেন। এর পরই হিন্দি শেখায় মনোযোগী হন।

কিংবদন্তী পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে দেখা হওয়ার পরই তিনি বুঝতে পারেন, হিন্দি না শিখলে বলিউডে টিকে থাকা কঠিন হবে। তাই তিনি হিন্দি এবং উর্দু শেখেন। এমনকি, পাঞ্জাবি ভাষার প্রতিও তার বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে বলে জানান এই শিল্পী।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

অপমান থেকে বাঁচতে হিন্দি শিখেছিলাম

আপডেট সময় ০২:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ভারতের অন্যতম সেরা সংগীতজ্ঞ, অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তামিলনাড়ুতে বেড়ে ওঠা এই শিল্পীর কণ্ঠ এবং সুরের মূর্ছনা বারবার মুগ্ধ করেছে বিশ্বজুড়ে শ্রোতাদের। ‘স্লামডগ মিলিয়নেয়ার’, ‘রোজা’, ‘রঙ্গিলা’, ‘তাল’ তার সুপারহিট চলচ্চিত্রের তালিকা বেশ দীর্ঘ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ আর রহমান জানিয়েছেন, কেন তিনি হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে চেয়েছিলেন। মূলত, সম্মানহানি থেকে বাঁচতেই হিন্দি ভাষা শেখার দিকে মনোযোগ দেন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আর রহমান বলেন, ‘প্রতিটি ভাষার প্রতি আমার একটা আকর্ষণ রয়েছে। যখন আমার সিনেমা ‘দিল সে’ এবং ‘রোজা’ দারুণ ব্যবসা শুরু করে, তখন লোকেরা তামিল গানের হিন্দিতে অনুবাদ নিয়ে নানা আলোচনা করতে শুরু করে। এই বিষয়টি আমার কাছে খুবই অপমানজনক ছিল।’

সমালোচকদের কটূক্তি প্রসঙ্গে গায়ক আরও বলেন, ‘অনেকেই তখন খারাপ মন্তব্য করতেন। কেউ কেউ বলেছিলেন, হিন্দি গানের কথাগুলো অর্থহীন। তামিল এর চেয়ে অনেক ভালো। মানুষ বলতেন, এই ধরণের কাজ আর কখনও করো না।’

তার কথায়, ‘সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল কারণ সেই সময়ে তিনটি ভাষায় তৈরি ছবি বক্স অফিসে হিট হতো। মানুষ মূলত টাকাটাই দেখত। ঠিক তখনই আমি ডাবিং ছবির পরিবর্তে সরাসরি হিন্দি ছবির উপর মনোযোগ দিতে শুরু করি। বলতে গেলে, অপমান থেকে বাঁচতেই আমি হিন্দি শিখেছিলাম।’

ইন্ডাস্ট্রিতে কয়েক বছর কাজের অভিজ্ঞতার পরেই তিনি এই সত্যটি উপলব্ধি করেন। রহমান আরও জানান, ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে তিনি পবিত্র কোরআন থেকে কিছুটা আরবিও শিখেছিলেন। এর পরই হিন্দি শেখায় মনোযোগী হন।

কিংবদন্তী পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে দেখা হওয়ার পরই তিনি বুঝতে পারেন, হিন্দি না শিখলে বলিউডে টিকে থাকা কঠিন হবে। তাই তিনি হিন্দি এবং উর্দু শেখেন। এমনকি, পাঞ্জাবি ভাষার প্রতিও তার বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে বলে জানান এই শিল্পী।