ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

বকশীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মহিষের সুস্বাদু টক দইয়ের জমজমাট হাট

জামালপুর জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা বকশীগঞ্জের সূর্যনগর নঈমিয়ার হাট এখন একটি বিশেষ নামের সাথে পরিচিত যা মহিষের টক দইয়ের রাজ্য। এই অঞ্চলের মানুষের একটি ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় খাবারেন নাম মহিষের টক দই। দীর্ঘদিন ধরে এই হাটের দই স্থানীয়ভাবে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি আশেপাশের জেলাগুলোর মানুষের কাছেও এক অনন্য রসনার খোরাক হয়ে উঠেছে স্থানীয় দই ক্রেতারা জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার এই হাট বসে, দুপুর থেকে শুরু হয় নঈমিয়ার হাটের দইবিক্রি। সারি সারি দইওয়ালা তাদের কাঁধে দইভর্তি হাঁড়ি নিয়ে এসে বসেন বাজারের নির্দিষ্ট স্থানে। মাটির হাঁড়িতে জমা থাকে ঘন, টক আর একেবারে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা দই, যা মূলত তাজা মহিষের দুধ থেকে প্রস্তুত হয়।এই দই তৈরি হয় কোনো ধরনের কৃত্রিম রঙ বা রাসায়নিক ছাড়াই। নিজেদের গৃহ পালিত মহিষের তাজা দুধ দোহন করে একটু ঠাণ্ডা করে তাঁজা দুধ দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ফারমেন্ট করে তৈরি হয় এই টক দই। এতে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থাকার কারণে এটি হজমে সহায়ক, পাশাপাশি এটি ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানে ভরপুর।স্থানীয় দই বিক্রেতা ওয়াজকুরুনী বলেন,আমাদের দই একেবারে মহিষের তাজা খাঁটি দুধ দিয়ে তৈরি হয়। কোনো ভেজাল নেই। কোন রঙ বা কেমিক্যাল ছাড়াই মহিষের খাঁটি দুধ দিয়ে এই দই তৈরি করা হয়। প্রথমে মাটির হাঁড়ি ভালোভাবে পরিস্কার করে হাঁড়িতে সামান্ন পরিমান সরিষার তেল মেখে নিয়ে রোদ বা চুলার তাপে শুকিয়ে নিয়ে তাঁজা মহিষের দুধ ভালো ভাবে ছাকনা দিয়ে ছেকে নিয়ে তারপর হাঁড়িতে রেখে দিতে হয়। ২০ থেকে ২৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর তা সুন্দর স্বাদের দই তৈরি হয়। একটি হাঁড়িতে ২ লিটার থেকে ১৫ লিটার পর্যন্ত দই বসানো যায়।দই বিক্রেতা মোতালেব হোসেন বলেন, প্রতি হাটে এখানে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে দই বিক্রি হয়। মহিষের দই এই এলাকার মানুষের একটি সুস্বাদু ঐতিহ্যবাহী খাবার যা একবার খেলে রসনার তৃপ্তিদায়ক প্রশান্তি অনুভূত হয়। এই দইয়ের চাহিদাও অনেক। অনেক দুর দরান্ত থেকে লোকজন আসে এ বাজার থেকে দই ক্রয় করে নিয়ে যায়।এই দই বিক্রির মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে এ এলাকায় মহিষের কোন খামার নেই, নিজেদের গৃহপালিত মহিষের দুধ থেকেই দই তৈরি করে বিক্রি করেন। একটি মহিষ দৈনিক চার থেকে আট কেজি দুধ দিয়ে থাকে। এতে নারী উদ্যোক্তারাও এগিয়ে এসেছেন। ঈদ, পূঁজা কিংবা বিয়ে যেকোনো উপলক্ষে এই দইয়ের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যায়। প্রতি কেজি দই বিক্রি হয় ১২০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। এই দইয়ের চাহিদা রমজান মাসে ও ঈদে কয়েকগুণ বেড়ে যায় ফলে দামও অনেকটা বেশি হয়।এই দই কেবল একটি খাবার নয়, এটি বকশীগঞ্জ বাসীর সংস্কৃতিরও অংশ। অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে খাবারের পর এক কাপ ঠান্ডা টক দই যেন খাবারের পরিপূর্ণতা এনে দেয়। বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ সহ আশেপাশের উপজেলা ও গ্রাম থেকে প্রতিদিন শত শত মানুষ নঈমিয়ার হাটে এসে এই দই কিনে নিয়ে যান। কেউ কেউ আবার ঢাকায় আত্মীয়দের জন্য পাঠান এই দই।স্থানীয়দের দাবি, এই দই শিল্পকে কেন্দ্র করে মানুষকে মহিষ পালনে উদ্বুদ্ধ করে একটি গ্রামীণ দই বাজার গড়ে তুললে এলাকার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। দই প্রস্তুতকারীদের প্রশিক্ষণ, সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা ও সরকারি সহায়তা পেলে এটি হতে পারে একটি জাতীয় ব্র্যান্ড।সূর্যনগর নঈমিয়ার হাটের মহিষের টক দই শুধু খাবার নয়, এটি এক ধরণের ঐতিহ্য, এক টুকরো সাংস্কৃতিক পরিচয়। এই স্বাদ একবার যারা পেয়েছেন, তারা ভুলে না সহজে।বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, মহিষের টক দই একটি স্বাস্থকর খাবার এর উপকারিতা অনেক যেমন, মহিষের দই উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, মহিষের দুধে গরুর তুলনায় বেশি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে, ফলে দইতেও এসব উপাদান বেশি থাকে। এটি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে। এ দই হজমে অনেক সহায়ক, মহিষের টক দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেটের নানা সমস্যা যেমন গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, দইয়ে থাকা ল্যাক্টোব্যাসিলাস জাতীয় উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, যদিও মহিষের দইয়ে চর্বির পরিমাণ বেশি, তবুও এটি খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভব হয়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এছাড়াও ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, তিনি আরও বলেন, মহিষের টক দইয়ের ক্ষতিকর দিক নেই বললেই চলে, ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সহনীয়, সঠিক পরিমাণে খেলে এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তবে ডায়াবেটিস রোগিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়াই উত্তম।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

বকশীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী মহিষের সুস্বাদু টক দইয়ের জমজমাট হাট

আপডেট সময় ০৫:০০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

জামালপুর জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা বকশীগঞ্জের সূর্যনগর নঈমিয়ার হাট এখন একটি বিশেষ নামের সাথে পরিচিত যা মহিষের টক দইয়ের রাজ্য। এই অঞ্চলের মানুষের একটি ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় খাবারেন নাম মহিষের টক দই। দীর্ঘদিন ধরে এই হাটের দই স্থানীয়ভাবে যেমন জনপ্রিয়, তেমনি আশেপাশের জেলাগুলোর মানুষের কাছেও এক অনন্য রসনার খোরাক হয়ে উঠেছে স্থানীয় দই ক্রেতারা জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার এই হাট বসে, দুপুর থেকে শুরু হয় নঈমিয়ার হাটের দইবিক্রি। সারি সারি দইওয়ালা তাদের কাঁধে দইভর্তি হাঁড়ি নিয়ে এসে বসেন বাজারের নির্দিষ্ট স্থানে। মাটির হাঁড়িতে জমা থাকে ঘন, টক আর একেবারে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা দই, যা মূলত তাজা মহিষের দুধ থেকে প্রস্তুত হয়।এই দই তৈরি হয় কোনো ধরনের কৃত্রিম রঙ বা রাসায়নিক ছাড়াই। নিজেদের গৃহ পালিত মহিষের তাজা দুধ দোহন করে একটু ঠাণ্ডা করে তাঁজা দুধ দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ফারমেন্ট করে তৈরি হয় এই টক দই। এতে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থাকার কারণে এটি হজমে সহায়ক, পাশাপাশি এটি ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানে ভরপুর।স্থানীয় দই বিক্রেতা ওয়াজকুরুনী বলেন,আমাদের দই একেবারে মহিষের তাজা খাঁটি দুধ দিয়ে তৈরি হয়। কোনো ভেজাল নেই। কোন রঙ বা কেমিক্যাল ছাড়াই মহিষের খাঁটি দুধ দিয়ে এই দই তৈরি করা হয়। প্রথমে মাটির হাঁড়ি ভালোভাবে পরিস্কার করে হাঁড়িতে সামান্ন পরিমান সরিষার তেল মেখে নিয়ে রোদ বা চুলার তাপে শুকিয়ে নিয়ে তাঁজা মহিষের দুধ ভালো ভাবে ছাকনা দিয়ে ছেকে নিয়ে তারপর হাঁড়িতে রেখে দিতে হয়। ২০ থেকে ২৪ ঘন্টা অপেক্ষার পর তা সুন্দর স্বাদের দই তৈরি হয়। একটি হাঁড়িতে ২ লিটার থেকে ১৫ লিটার পর্যন্ত দই বসানো যায়।দই বিক্রেতা মোতালেব হোসেন বলেন, প্রতি হাটে এখানে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে দই বিক্রি হয়। মহিষের দই এই এলাকার মানুষের একটি সুস্বাদু ঐতিহ্যবাহী খাবার যা একবার খেলে রসনার তৃপ্তিদায়ক প্রশান্তি অনুভূত হয়। এই দইয়ের চাহিদাও অনেক। অনেক দুর দরান্ত থেকে লোকজন আসে এ বাজার থেকে দই ক্রয় করে নিয়ে যায়।এই দই বিক্রির মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে এ এলাকায় মহিষের কোন খামার নেই, নিজেদের গৃহপালিত মহিষের দুধ থেকেই দই তৈরি করে বিক্রি করেন। একটি মহিষ দৈনিক চার থেকে আট কেজি দুধ দিয়ে থাকে। এতে নারী উদ্যোক্তারাও এগিয়ে এসেছেন। ঈদ, পূঁজা কিংবা বিয়ে যেকোনো উপলক্ষে এই দইয়ের চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যায়। প্রতি কেজি দই বিক্রি হয় ১২০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। এই দইয়ের চাহিদা রমজান মাসে ও ঈদে কয়েকগুণ বেড়ে যায় ফলে দামও অনেকটা বেশি হয়।এই দই কেবল একটি খাবার নয়, এটি বকশীগঞ্জ বাসীর সংস্কৃতিরও অংশ। অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে খাবারের পর এক কাপ ঠান্ডা টক দই যেন খাবারের পরিপূর্ণতা এনে দেয়। বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ সহ আশেপাশের উপজেলা ও গ্রাম থেকে প্রতিদিন শত শত মানুষ নঈমিয়ার হাটে এসে এই দই কিনে নিয়ে যান। কেউ কেউ আবার ঢাকায় আত্মীয়দের জন্য পাঠান এই দই।স্থানীয়দের দাবি, এই দই শিল্পকে কেন্দ্র করে মানুষকে মহিষ পালনে উদ্বুদ্ধ করে একটি গ্রামীণ দই বাজার গড়ে তুললে এলাকার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। দই প্রস্তুতকারীদের প্রশিক্ষণ, সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা ও সরকারি সহায়তা পেলে এটি হতে পারে একটি জাতীয় ব্র্যান্ড।সূর্যনগর নঈমিয়ার হাটের মহিষের টক দই শুধু খাবার নয়, এটি এক ধরণের ঐতিহ্য, এক টুকরো সাংস্কৃতিক পরিচয়। এই স্বাদ একবার যারা পেয়েছেন, তারা ভুলে না সহজে।বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, মহিষের টক দই একটি স্বাস্থকর খাবার এর উপকারিতা অনেক যেমন, মহিষের দই উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, মহিষের দুধে গরুর তুলনায় বেশি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে, ফলে দইতেও এসব উপাদান বেশি থাকে। এটি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে। এ দই হজমে অনেক সহায়ক, মহিষের টক দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেটের নানা সমস্যা যেমন গ্যাস, অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, দইয়ে থাকা ল্যাক্টোব্যাসিলাস জাতীয় উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, যদিও মহিষের দইয়ে চর্বির পরিমাণ বেশি, তবুও এটি খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভব হয়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। এছাড়াও ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, তিনি আরও বলেন, মহিষের টক দইয়ের ক্ষতিকর দিক নেই বললেই চলে, ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সহনীয়, সঠিক পরিমাণে খেলে এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তবে ডায়াবেটিস রোগিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়াই উত্তম।