ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

বরগুনায় ছেলে হত্যার অভিযোগে মা’য়ের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বরগুনার তালতলীতে ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে মায়ের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেনএলাকাবাসী।  শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া আশ্রয় প্রকল্পে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার বছর আগে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার শানু হাওলাদারের ছেলে শাহিনের সঙ্গে ছোটবগী ইউনিয়নের পি. কে এলাকার মনির খন্নারের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর তাঁদের সাংসারে জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান শাহাদাত হোসেন। এরপর স্ত্রী মারজিয়া আক্তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। সবশেষে গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারজিয়া আক্তার তার শিশু ছেলে শাহাদাতকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

পর দিন সকালে একই এলাকায় অবস্থিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে ভেসে ওঠে শিশু শাহাদাতের মরাদেহ। এরপর মায়ের বিরুদ্ধে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ এনে শিশুটির বাবা শাহিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।

পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, সেই সঙ্গে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবি করে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা। এদিকে, মারজিয়া আক্তার নিখোঁজ থাকায় তার বাবা মনির খন্নার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিশুটির বাবা শাহিন বলেন, ‘সোমবার রাতে মারজিয়া সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।

খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন নদীতে ভেসে ওঠা লাশ দেখে বুঝতে পারি এটা আমার ছেলে শাহাদাত।’ তিনি আরও বলেন, ‘মারজিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ঘর থেকে বের হয়ে যেত। এবার ঘর থেকে বেরিয়ে সন্তানকে হত্যা করে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে।

আমি থানায় মামলা করতে গিয়েও কোনো পদক্ষেপ পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মারজিয়ার বাবা ঘটনাস্থলে থাকেন না। তবুও মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি সাধারন ডায়েরি করেছেন।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ মারজিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হবার চেষ্টা চলছে।’ তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশুর লাশটি পায়রা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’ ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির মা নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

মাওলানা মোঃ আব্দুল মোতালেব,
স্টাফ রিপোটার, বরগুনা।
০১৬০৮১২৭৬৯৮.বরগুনার তালতলীতে তিন বছরের এক শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে, শিশুটির লাশ উদ্ধারের পর তার বাবা একাধিকবার মামলা করতে গেলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।

শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া আশ্রয় প্রকল্পে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার বছর আগে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার শানু হাওলাদারের ছেলে শাহিনের সঙ্গে ছোটবগী ইউনিয়নের পি. কে এলাকার মনির খন্নারের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর তাঁদের সাংসারে জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান শাহাদাত হোসেন। এরপর স্ত্রী মারজিয়া আক্তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। সবশেষে গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারজিয়া আক্তার তার শিশু ছেলে শাহাদাতকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

পর দিন সকালে একই এলাকায় অবস্থিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে ভেসে ওঠে শিশু শাহাদাতের মরাদেহ। এরপর মায়ের বিরুদ্ধে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ এনে শিশুটির বাবা শাহিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।

পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, সেই সঙ্গে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবি করে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা। এদিকে, মারজিয়া আক্তার নিখোঁজ থাকায় তার বাবা মনির খন্নার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিশুটির বাবা শাহিন বলেন, ‘সোমবার রাতে মারজিয়া সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।

খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন নদীতে ভেসে ওঠা লাশ দেখে বুঝতে পারি এটা আমার ছেলে শাহাদাত।’ তিনি আরও বলেন, ‘মারজিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ঘর থেকে বের হয়ে যেত। এবার ঘর থেকে বেরিয়ে সন্তানকে হত্যা করে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে।

আমি থানায় মামলা করতে গিয়েও কোনো পদক্ষেপ পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মারজিয়ার বাবা ঘটনাস্থলে থাকেন না। তবুও মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি সাধারন ডায়েরি করেছেন।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ মারজিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হবার চেষ্টা চলছে।’ তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশুর লাশটি পায়রা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’ ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির মা নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

বরগুনায় ছেলে হত্যার অভিযোগে মা’য়ের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১২:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

বরগুনার তালতলীতে ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে মায়ের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেনএলাকাবাসী।  শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া আশ্রয় প্রকল্পে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশ্রয়ন প্রকল্পের প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার বছর আগে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার শানু হাওলাদারের ছেলে শাহিনের সঙ্গে ছোটবগী ইউনিয়নের পি. কে এলাকার মনির খন্নারের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর তাঁদের সাংসারে জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান শাহাদাত হোসেন। এরপর স্ত্রী মারজিয়া আক্তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। সবশেষে গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারজিয়া আক্তার তার শিশু ছেলে শাহাদাতকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

পর দিন সকালে একই এলাকায় অবস্থিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে ভেসে ওঠে শিশু শাহাদাতের মরাদেহ। এরপর মায়ের বিরুদ্ধে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ এনে শিশুটির বাবা শাহিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।

পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, সেই সঙ্গে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবি করে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা। এদিকে, মারজিয়া আক্তার নিখোঁজ থাকায় তার বাবা মনির খন্নার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিশুটির বাবা শাহিন বলেন, ‘সোমবার রাতে মারজিয়া সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।

খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন নদীতে ভেসে ওঠা লাশ দেখে বুঝতে পারি এটা আমার ছেলে শাহাদাত।’ তিনি আরও বলেন, ‘মারজিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ঘর থেকে বের হয়ে যেত। এবার ঘর থেকে বেরিয়ে সন্তানকে হত্যা করে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে।

আমি থানায় মামলা করতে গিয়েও কোনো পদক্ষেপ পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মারজিয়ার বাবা ঘটনাস্থলে থাকেন না। তবুও মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি সাধারন ডায়েরি করেছেন।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ মারজিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হবার চেষ্টা চলছে।’ তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশুর লাশটি পায়রা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’ ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির মা নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

মাওলানা মোঃ আব্দুল মোতালেব,
স্টাফ রিপোটার, বরগুনা।
০১৬০৮১২৭৬৯৮.বরগুনার তালতলীতে তিন বছরের এক শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে, শিশুটির লাশ উদ্ধারের পর তার বাবা একাধিকবার মামলা করতে গেলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।

শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া আশ্রয় প্রকল্পে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার বছর আগে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার শানু হাওলাদারের ছেলে শাহিনের সঙ্গে ছোটবগী ইউনিয়নের পি. কে এলাকার মনির খন্নারের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর তাঁদের সাংসারে জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান শাহাদাত হোসেন। এরপর স্ত্রী মারজিয়া আক্তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। সবশেষে গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারজিয়া আক্তার তার শিশু ছেলে শাহাদাতকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

পর দিন সকালে একই এলাকায় অবস্থিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে ভেসে ওঠে শিশু শাহাদাতের মরাদেহ। এরপর মায়ের বিরুদ্ধে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ এনে শিশুটির বাবা শাহিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।

পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, সেই সঙ্গে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবি করে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা। এদিকে, মারজিয়া আক্তার নিখোঁজ থাকায় তার বাবা মনির খন্নার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিশুটির বাবা শাহিন বলেন, ‘সোমবার রাতে মারজিয়া সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।

খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন নদীতে ভেসে ওঠা লাশ দেখে বুঝতে পারি এটা আমার ছেলে শাহাদাত।’ তিনি আরও বলেন, ‘মারজিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ঘর থেকে বের হয়ে যেত। এবার ঘর থেকে বেরিয়ে সন্তানকে হত্যা করে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে।

আমি থানায় মামলা করতে গিয়েও কোনো পদক্ষেপ পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মারজিয়ার বাবা ঘটনাস্থলে থাকেন না। তবুও মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি সাধারন ডায়েরি করেছেন।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ মারজিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হবার চেষ্টা চলছে।’ তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশুর লাশটি পায়রা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’ ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির মা নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।