ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

খাগড়াছড়ির সহিংসতায় পর্যটকশূন্য সাজেক

খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারা উপজেলার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটনায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাজেক এখন পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে।

চলতি সপ্তাহে শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ঘিরে সেখানকার রিসোর্টগুলোতে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত থাকা সব বুকিং বাতিল হয়ে গেছে। তবে কিছু রিসোর্টে ১-৪ অক্টোবর পর্যন্ত থাকা বুকিংগুলো এখনো বহাল আছে বলে জানিয়েছে সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতি।

খাগড়াছড়ির সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় রাঙামাটির সাজেক বর্তমানে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সাজেক যেতে হয় খাগড়াছড়ি হয়ে। ফলে সাজেকে এর প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি।

২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে এক পাহাড়ি কিশোরীকে দলবদ্ধ গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, অবরোধ কর্মসূচি কেন্দ্র করে একপর্যায়ে সেখানে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা এবং আন্দোলনকারীদের অবরোধের মুখে সাজেকে দুই হাজারের অধিক পর্যটক আটকা পড়েন।

এদিন রাতেই নিরাপত্তা বাহিনীর প্রহরায় তাদের খাগড়াছড়ি সদরে নিয়ে আসা হলে সাজেক পর্যটকশূন্য হয়ে যায়। তাছাড়া মঙ্গলবার পর্যন্ত সব রিসোর্ট-কটেজে অগ্রিম বুকিং থাকলেও সেগুলো বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে সব রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল, রেস্তোরাঁ ফাঁকা বলে খবর পাওয়া গেছে।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ন দেব বর্মণ বলেন, বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক নেই। মঙ্গলবার পর্যন্ত যেসব অগ্রিম কক্ষ বুকিং ছিল সেগুলো সব বুকিং বাতিল হয়ে গেছে। তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে ১ থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত থাকা কিছু অগ্রিম বুকিং এখনো বাতিল করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পর্যটকরা আসবেন বলে আশা করছি।

এদিকে রাঙামাটি শহরে পরিস্থিতির তেমনটা প্রভাব পড়েনি বলে মন্তব্য করে রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের মোটেলে শতভাগ বুকিং বহাল আছে। পর্যটকদের আসা-যাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

খাগড়াছড়ির সহিংসতায় পর্যটকশূন্য সাজেক

আপডেট সময় ০৬:৪০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারা উপজেলার সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ঘটনায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাজেক এখন পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে।

চলতি সপ্তাহে শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ঘিরে সেখানকার রিসোর্টগুলোতে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত থাকা সব বুকিং বাতিল হয়ে গেছে। তবে কিছু রিসোর্টে ১-৪ অক্টোবর পর্যন্ত থাকা বুকিংগুলো এখনো বহাল আছে বলে জানিয়েছে সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতি।

খাগড়াছড়ির সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় রাঙামাটির সাজেক বর্তমানে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। তাছাড়া সাজেক যেতে হয় খাগড়াছড়ি হয়ে। ফলে সাজেকে এর প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি।

২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে এক পাহাড়ি কিশোরীকে দলবদ্ধ গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, অবরোধ কর্মসূচি কেন্দ্র করে একপর্যায়ে সেখানে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা এবং আন্দোলনকারীদের অবরোধের মুখে সাজেকে দুই হাজারের অধিক পর্যটক আটকা পড়েন।

এদিন রাতেই নিরাপত্তা বাহিনীর প্রহরায় তাদের খাগড়াছড়ি সদরে নিয়ে আসা হলে সাজেক পর্যটকশূন্য হয়ে যায়। তাছাড়া মঙ্গলবার পর্যন্ত সব রিসোর্ট-কটেজে অগ্রিম বুকিং থাকলেও সেগুলো বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে সব রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল, রেস্তোরাঁ ফাঁকা বলে খবর পাওয়া গেছে।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ন দেব বর্মণ বলেন, বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক নেই। মঙ্গলবার পর্যন্ত যেসব অগ্রিম কক্ষ বুকিং ছিল সেগুলো সব বুকিং বাতিল হয়ে গেছে। তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে ১ থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত থাকা কিছু অগ্রিম বুকিং এখনো বাতিল করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পর্যটকরা আসবেন বলে আশা করছি।

এদিকে রাঙামাটি শহরে পরিস্থিতির তেমনটা প্রভাব পড়েনি বলে মন্তব্য করে রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের মোটেলে শতভাগ বুকিং বহাল আছে। পর্যটকদের আসা-যাওয়া স্বাভাবিক রয়েছে।