ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, চেয়ারম্যান আহমদ শাকিল মাসুদ সাঈদীর ইস্তানবুল রিসোর্টের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন সিলেটে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক আটক সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের ১০০ কোটির অবৈধ সাম্রাজ্য! মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর যুবদলের নেতাকর্মীরা ফেসবুকে নয়, রাজপথে বিশ্বাসী: নয়ন ডাম্পিং থেকে সোজা বিমান সচিব পদে সড়ক সচিব জিয়াউল হকের স্ত্রী! বিদ্যালয়ের টয়লেটে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কুমিল্লায় বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সোনারগাঁয়ে তথ্য অধিকার আইনেও দুর্নীতির তথ্য দিতে তালবাহানা, ইউএনও ফারজানা

  • ফাহাদ সোনারগাঁ
  • আপডেট সময় ০৩:২১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৯০ বার পড়া হয়েছে

উন্নয়ন তহবিলের কোটি টাকার হরিলুটের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনেও মিলছে না সঠিক তথ্য সোনারগাঁ উপজেলার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড। গত অর্থবছরে ADP ও UDF ফান্ড হতে PIC করণের মাধ্যমে কতগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, কত টাকার কাজ হয়েছে—সে বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেও সাংবাদিকরা কোনো তথ্য পাননি।

আইন অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে পাঁচ মাস চললেও সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন সাংবাদিকদের আবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। উল্টো যারা তথ্য অধিকার ফরম পূরণ করেছেন, সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চলছে নানা ষড়যন্ত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত এক বছরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নামে ফান্ড এনে অধিকাংশ কাজ নামমাত্র করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই কোনো কাজই হয়নি। অথচ ফাইলপত্রে এসব কাজ দেখানো হয়েছে সম্পন্ন। অভিযোগ উঠেছে, এভাবে অন্তত ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

উপজেলায় বর্তমানে কোনো জনপ্রতিনিধি ও পৌরসভার মেয়র না থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে উন্নয়ন ফান্ডে ব্যাপক দুর্নীতির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

সচেতন মহল বলছে, সাংবাদিকদের নীরব বা বিভ্রান্ত করে রেখে যদি কোটি কোটি টাকার ফান্ড লুটপাট হয়, তবে তা সোনারগাঁবাসীর সঙ্গে নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। এ অর্থ জনগণের করের টাকা, তাই এর হিসাব জনগণ জানবে—এটাই আইনগত ও নৈতিক অধিকার।

প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য দেননি।
সোনারগাঁবাসী প্রশ্ন রাখছে—এত বড় দুর্নীতির অভিযোগের কোনো অনুসন্ধান কি শুরু হবে না?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ইনকিলাব পার্টির আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, চেয়ারম্যান আহমদ শাকিল

সোনারগাঁয়ে তথ্য অধিকার আইনেও দুর্নীতির তথ্য দিতে তালবাহানা, ইউএনও ফারজানা

আপডেট সময় ০৩:২১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

উন্নয়ন তহবিলের কোটি টাকার হরিলুটের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনেও মিলছে না সঠিক তথ্য সোনারগাঁ উপজেলার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড। গত অর্থবছরে ADP ও UDF ফান্ড হতে PIC করণের মাধ্যমে কতগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, কত টাকার কাজ হয়েছে—সে বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেও সাংবাদিকরা কোনো তথ্য পাননি।

আইন অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে পাঁচ মাস চললেও সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন সাংবাদিকদের আবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। উল্টো যারা তথ্য অধিকার ফরম পূরণ করেছেন, সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চলছে নানা ষড়যন্ত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত এক বছরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নামে ফান্ড এনে অধিকাংশ কাজ নামমাত্র করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই কোনো কাজই হয়নি। অথচ ফাইলপত্রে এসব কাজ দেখানো হয়েছে সম্পন্ন। অভিযোগ উঠেছে, এভাবে অন্তত ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

উপজেলায় বর্তমানে কোনো জনপ্রতিনিধি ও পৌরসভার মেয়র না থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে উন্নয়ন ফান্ডে ব্যাপক দুর্নীতির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

সচেতন মহল বলছে, সাংবাদিকদের নীরব বা বিভ্রান্ত করে রেখে যদি কোটি কোটি টাকার ফান্ড লুটপাট হয়, তবে তা সোনারগাঁবাসীর সঙ্গে নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। এ অর্থ জনগণের করের টাকা, তাই এর হিসাব জনগণ জানবে—এটাই আইনগত ও নৈতিক অধিকার।

প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য দেননি।
সোনারগাঁবাসী প্রশ্ন রাখছে—এত বড় দুর্নীতির অভিযোগের কোনো অনুসন্ধান কি শুরু হবে না?