সংবাদ শিরোনাম ::
আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার দাবি বিরোধী দলীয় নেতার রতনদিয়া রজনীকান্ত সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মানিকনগর মডেল হাই স্কুলে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত নারী সাংবাদিকের মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও হারলেন ট্রাম্প, দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৮ দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, চলছে পায়ের থেরাপি অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

সোনারগাঁয়ে তথ্য অধিকার আইনেও দুর্নীতির তথ্য দিতে তালবাহানা, ইউএনও ফারজানা

  • ফাহাদ সোনারগাঁ
  • আপডেট সময় ০৩:২১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৩৩ বার পড়া হয়েছে

উন্নয়ন তহবিলের কোটি টাকার হরিলুটের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনেও মিলছে না সঠিক তথ্য সোনারগাঁ উপজেলার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড। গত অর্থবছরে ADP ও UDF ফান্ড হতে PIC করণের মাধ্যমে কতগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, কত টাকার কাজ হয়েছে—সে বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেও সাংবাদিকরা কোনো তথ্য পাননি।

আইন অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে পাঁচ মাস চললেও সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন সাংবাদিকদের আবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। উল্টো যারা তথ্য অধিকার ফরম পূরণ করেছেন, সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চলছে নানা ষড়যন্ত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত এক বছরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নামে ফান্ড এনে অধিকাংশ কাজ নামমাত্র করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই কোনো কাজই হয়নি। অথচ ফাইলপত্রে এসব কাজ দেখানো হয়েছে সম্পন্ন। অভিযোগ উঠেছে, এভাবে অন্তত ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

উপজেলায় বর্তমানে কোনো জনপ্রতিনিধি ও পৌরসভার মেয়র না থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে উন্নয়ন ফান্ডে ব্যাপক দুর্নীতির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

সচেতন মহল বলছে, সাংবাদিকদের নীরব বা বিভ্রান্ত করে রেখে যদি কোটি কোটি টাকার ফান্ড লুটপাট হয়, তবে তা সোনারগাঁবাসীর সঙ্গে নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। এ অর্থ জনগণের করের টাকা, তাই এর হিসাব জনগণ জানবে—এটাই আইনগত ও নৈতিক অধিকার।

প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য দেননি।
সোনারগাঁবাসী প্রশ্ন রাখছে—এত বড় দুর্নীতির অভিযোগের কোনো অনুসন্ধান কি শুরু হবে না?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

সোনারগাঁয়ে তথ্য অধিকার আইনেও দুর্নীতির তথ্য দিতে তালবাহানা, ইউএনও ফারজানা

আপডেট সময় ০৩:২১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

উন্নয়ন তহবিলের কোটি টাকার হরিলুটের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনেও মিলছে না সঠিক তথ্য সোনারগাঁ উপজেলার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিয়ম ও প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড। গত অর্থবছরে ADP ও UDF ফান্ড হতে PIC করণের মাধ্যমে কতগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, কত টাকার কাজ হয়েছে—সে বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেও সাংবাদিকরা কোনো তথ্য পাননি।

আইন অনুযায়ী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে পাঁচ মাস চললেও সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন সাংবাদিকদের আবেদন উপেক্ষা করে চলেছে। উল্টো যারা তথ্য অধিকার ফরম পূরণ করেছেন, সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই চলছে নানা ষড়যন্ত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত এক বছরে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার নামে ফান্ড এনে অধিকাংশ কাজ নামমাত্র করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই কোনো কাজই হয়নি। অথচ ফাইলপত্রে এসব কাজ দেখানো হয়েছে সম্পন্ন। অভিযোগ উঠেছে, এভাবে অন্তত ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

উপজেলায় বর্তমানে কোনো জনপ্রতিনিধি ও পৌরসভার মেয়র না থাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে উন্নয়ন ফান্ডে ব্যাপক দুর্নীতির সুযোগ নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমানের বিরুদ্ধে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে।

সচেতন মহল বলছে, সাংবাদিকদের নীরব বা বিভ্রান্ত করে রেখে যদি কোটি কোটি টাকার ফান্ড লুটপাট হয়, তবে তা সোনারগাঁবাসীর সঙ্গে নির্মম প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়। এ অর্থ জনগণের করের টাকা, তাই এর হিসাব জনগণ জানবে—এটাই আইনগত ও নৈতিক অধিকার।

প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য দেননি।
সোনারগাঁবাসী প্রশ্ন রাখছে—এত বড় দুর্নীতির অভিযোগের কোনো অনুসন্ধান কি শুরু হবে না?