ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

পাকিস্তানের কিংবদন্তী কৌতুক অভিনেতা মারা গেছেন

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৯ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ, কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা লাকি ডিয়ার ৬০ বছর বয়সে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন…)। দীর্ঘ অসুস্থতার পর লাহোরের মায়ো হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তার প্রয়াণে চার দশকের এক বর্ণাঢ্য কৌতুক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলো, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে হাসিতে মাতিয়ে রেখেছিল। গত আট মাস ধরে ফুসফুসের জটিল রোগ এবং ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন এই জনপ্রিয় শিল্পী। গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে মায়ো হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষ দিনগুলোতে তিনি কোমায় চলে যান এবং তার কিডনি, যকৃত ও পাকস্থলী অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই জনপ্রিয় শিল্পীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তার মৃত্যুর খবরে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আসর নামাজের পর লাহোরের বাঘবানপুরায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। চার দশক ধরে লাকি ডিয়ার তার অনবদ্য কমিক টাইমিং এবং নিজস্ব স্টাইলে অভিনয়ের জন্য বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়েছেন।

অসংখ্য নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও, লাহোরের প্রাণবন্ত মঞ্চ থিয়েটারেই তার কৌতুক প্রতিভা বিশেষভাবে বিকশিত হয়। একসময় তিনি হয়ে উঠেছিলেন পাকিস্তানের কৌতুক জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ।

কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন একজন উদ্যমী ও নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী। অসুস্থতা এবং ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও তিনি তার কাজের প্রতি কখনোই পিছপা হননি। বিনোদন জগতের সহকর্মীরা তাকে একজন বিনয়ী মানুষ হিসেবে স্মরণ করেছেন, যিনি নতুন প্রজন্মের বহু শিল্পীর অনুপ্রেরণা ও মেন্টর ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল, কঠিন সময়েও মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর অসাধারণ ক্ষমতা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের কিংবদন্তী কৌতুক অভিনেতা মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৯:২৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ, কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা লাকি ডিয়ার ৬০ বছর বয়সে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন…)। দীর্ঘ অসুস্থতার পর লাহোরের মায়ো হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তার প্রয়াণে চার দশকের এক বর্ণাঢ্য কৌতুক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলো, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে হাসিতে মাতিয়ে রেখেছিল। গত আট মাস ধরে ফুসফুসের জটিল রোগ এবং ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন এই জনপ্রিয় শিল্পী। গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে মায়ো হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষ দিনগুলোতে তিনি কোমায় চলে যান এবং তার কিডনি, যকৃত ও পাকস্থলী অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই জনপ্রিয় শিল্পীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তার মৃত্যুর খবরে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আসর নামাজের পর লাহোরের বাঘবানপুরায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। চার দশক ধরে লাকি ডিয়ার তার অনবদ্য কমিক টাইমিং এবং নিজস্ব স্টাইলে অভিনয়ের জন্য বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়েছেন।

অসংখ্য নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও, লাহোরের প্রাণবন্ত মঞ্চ থিয়েটারেই তার কৌতুক প্রতিভা বিশেষভাবে বিকশিত হয়। একসময় তিনি হয়ে উঠেছিলেন পাকিস্তানের কৌতুক জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ।

কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি ছিলেন একজন উদ্যমী ও নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী। অসুস্থতা এবং ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও তিনি তার কাজের প্রতি কখনোই পিছপা হননি। বিনোদন জগতের সহকর্মীরা তাকে একজন বিনয়ী মানুষ হিসেবে স্মরণ করেছেন, যিনি নতুন প্রজন্মের বহু শিল্পীর অনুপ্রেরণা ও মেন্টর ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল, কঠিন সময়েও মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর অসাধারণ ক্ষমতা।