ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

অবৈধ পলিথিন ও বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সারা দেশে একাধিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এসব অভিযানে পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া নির্গমন, শব্দদূষণসহ বিভিন্ন পরিবেশ দূষণকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী ও সুনামগঞ্জ জেলায় পরিচালিত অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করা হয় এবং সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ৬৮ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়।

একই দিনে ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় যানবাহনের মানমাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে চারটি মামলায় ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি মামলায় ২৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৬৩৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ৪ হাজার ৩৮টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান চলাকালে ৪৮৯টি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, ২১৬টি ভাটাকে বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং ১৩৩টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ২৫টি পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানার সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সিলগালা করা হয়। ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ ট্রাক সিসা/ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের দূষণবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

অবৈধ পলিথিন ও বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযান

আপডেট সময় ০৭:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সারা দেশে একাধিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এসব অভিযানে পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া নির্গমন, শব্দদূষণসহ বিভিন্ন পরিবেশ দূষণকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী ও সুনামগঞ্জ জেলায় পরিচালিত অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাত করার অভিযোগে তিনটি মামলা দায়ের করা হয় এবং সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ৬৮ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দোকান মালিক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়।

একই দিনে ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় যানবাহনের মানমাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে চারটি মামলায় ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে কল্যাণপুর ও মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি মামলায় ২৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১০টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৬৩৩টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ৪ হাজার ৩৮টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান চলাকালে ৪৮৯টি ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, ২১৬টি ভাটাকে বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং ১৩৩টি ভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ২৫টি পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানার সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও সিলগালা করা হয়। ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ ট্রাক সিসা/ব্যাটারি গলানোর যন্ত্রপাতি জব্দ করে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের দূষণবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।