ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

ডেমু ট্রেন ক্রয়ে ক্ষতি ৬০০ কোটি টাকা, আসামি রেলওয়ের সাবেক ডিজিসহ ৭

অকার্যকর ও অনুপযোগী ডেমু ট্রেন ক্রয় প্রকল্পে প্রায় ৫৯৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতি সাধনের অভিযোগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক মো. তোহিদুল আনোয়ার চৌধুরীসহ সাত সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন বলে দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক মো. তোহিদুল আনোয়ার চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক ও সাবেক প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মো. ইফতিখার হোসেন, সাবেক প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (পূর্ব) মো. আক্তারুজ্জামান হায়দার, পরিকল্পনা বিভাগের সাবেক উপসচিব বেনজামিন হেমক্রম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপপ্রধান অঞ্জন কুমার বিশ্বাস, মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব আশরাফুজ্জামান এবং বাস্তবায়ন, নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সাবেক উপ-পরিচালক মো. মুমিতুর রহমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নেন। কোনো ধরনের সঠিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই না করেই ডেমু ট্রেন ক্রয় প্রকল্পের অনুমোদন নেন। যেখানে অকার্যকর, লোকসানি এবং বাংলাদেশের রেল অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে অনুপযোগী ট্রেন ক্রয় করে নিজেদের আর্থিকভাবে লাভবান এবং অন্যদের সুবিধা দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৫৯৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি: ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭: ধারা ৫(২) এর আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

ডেমু ট্রেন ক্রয়ে ক্ষতি ৬০০ কোটি টাকা, আসামি রেলওয়ের সাবেক ডিজিসহ ৭

আপডেট সময় ০১:১৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অকার্যকর ও অনুপযোগী ডেমু ট্রেন ক্রয় প্রকল্পে প্রায় ৫৯৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতি সাধনের অভিযোগে বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক মো. তোহিদুল আনোয়ার চৌধুরীসহ সাত সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন বলে দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক মো. তোহিদুল আনোয়ার চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক ও সাবেক প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মো. ইফতিখার হোসেন, সাবেক প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (পূর্ব) মো. আক্তারুজ্জামান হায়দার, পরিকল্পনা বিভাগের সাবেক উপসচিব বেনজামিন হেমক্রম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপপ্রধান অঞ্জন কুমার বিশ্বাস, মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব আশরাফুজ্জামান এবং বাস্তবায়ন, নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সাবেক উপ-পরিচালক মো. মুমিতুর রহমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নেন। কোনো ধরনের সঠিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই না করেই ডেমু ট্রেন ক্রয় প্রকল্পের অনুমোদন নেন। যেখানে অকার্যকর, লোকসানি এবং বাংলাদেশের রেল অবকাঠামো ও প্রযুক্তিতে অনুপযোগী ট্রেন ক্রয় করে নিজেদের আর্থিকভাবে লাভবান এবং অন্যদের সুবিধা দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৫৯৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি: ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭: ধারা ৫(২) এর আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।