ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার, ত্রিভুজ প্রেমের বলি? চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩১০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ, গ্রেপ্তার ১ খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রবিবার কিশোরগঞ্জে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে চরিত্রহননের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে ব্যবসায়ী নিরবের সংবাদ সম্মেলন নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী আগামী ৫ বছর কুষ্টিয়া সদর আসনে আমিই প্রধানমন্ত্রী: আমির হামজা শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা জোয়ারের স্রোতে ভেসে গেছে যোগাযোগ, ব্রিজের অভাবে বিপাকে হাসাননগরের মানুষ কালিহাতীতে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

শেখ হাসিনার মামলায় মামুনের জেরা শেষ, ফের সাক্ষ্যগ্রহণ ৮ সেপ্টেম্বর

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৭ বার পড়া হয়েছে

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি মামুনকে জেরা করেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। দুপুর সোয়া ১টার পর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আড়াইটা থেকে ফের জেরা শুরু হয়ে বিকেল প্রায় ৫টা পর্যন্ত চলে। পরে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, তারেক আবদুল্লাহ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।

এর আগে, ২ সেপ্টেম্বর রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন চৌধুরী মামুন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে আংশিক জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর স্টেট ডিফেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাকি জেরার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

জবানবন্দিতে আওয়ামী লীগ শাসনামলে পুলিশে রাজনৈতিক প্রভাব-গ্রুপিংয়ের কথা তুলে ধরেন রাজসাক্ষী মামুন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে জানিয়ে নিজের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

মামানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার এ মামলায় চৌধুরী মামুনসহ এখন পর্যন্ত ৩৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবন্দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন সাক্ষীরা।

গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জয়চন্দ্র সরকার, ত্রিভুজ প্রেমের বলি?

শেখ হাসিনার মামলায় মামুনের জেরা শেষ, ফের সাক্ষ্যগ্রহণ ৮ সেপ্টেম্বর

আপডেট সময় ০৫:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি মামুনকে জেরা করেন শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। দুপুর সোয়া ১টার পর কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আড়াইটা থেকে ফের জেরা শুরু হয়ে বিকেল প্রায় ৫টা পর্যন্ত চলে। পরে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, তারেক আবদুল্লাহ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যরা।

এর আগে, ২ সেপ্টেম্বর রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন চৌধুরী মামুন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে আংশিক জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর স্টেট ডিফেন্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাকি জেরার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

জবানবন্দিতে আওয়ামী লীগ শাসনামলে পুলিশে রাজনৈতিক প্রভাব-গ্রুপিংয়ের কথা তুলে ধরেন রাজসাক্ষী মামুন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে জানিয়ে নিজের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

মামানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার এ মামলায় চৌধুরী মামুনসহ এখন পর্যন্ত ৩৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবানবন্দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন সাক্ষীরা।

গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।