জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ঐতিহাসিক জুলাই গন- অভ্যুত্থান র্বপুর্তিতে বাংরাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী বদরগঞ্জ উপজেলার উদ্যোগে বিশাল এক গণ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট ) বিকাল ৫টায় উপজেলা জামায়াত অফিস থেকে মিছিলটি শুরু হয়,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার,আমীর মাওলানা কামারুজ্জামান, নায়েবে আমির শাহ মুহাহাম্মদ রোস্তম আলী ও উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা মেনহাজুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ এ গণ মিছিলে অংশ নেন, হাজার হাজার নেতাকর্মী।গণ মিছিলটি শুরু হয়ে বদরগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা জামায়াত অফিসের সামনে সমাবেশ করে
আয়োজিত সমাবেশে-বক্তব্য রাখেন উপজেলা আমির মাওলানা কামারুজ্জামান ,নায়েবে আমির শাহ মুহাহাম্মদ রোস্তম আলী , উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা মেনহাজুল ইসলাম সহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তাগন আরোও বলেন,এদেশে বারবার সরকার পরিবর্তন হলেও বৈষম্যমুক্ত দেশ গঠন হয়নি। জনগণের ভোট নিয়ে রাজনৈতিকদলগুলো রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও কোন দলই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠান করেনি। ১৭ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার খুন, গুম, রাহাজানির মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে একটি কারাগারে পরিনত করেছিলো। বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল করেছিলো।
একবছর আগে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাস্ট্র কায়েমের লক্ষ্যে এদেশের আপামর ছাত্রজনতা ঝাপিয়ে পড়েছিলো। ক্ষমতালোভী ফ্যাসিস্ট সরকার সেসময় দুই হাজার ছাত্রজনতাকে শহীদ করে। আহত ও পঙ্গত্ব বরণ করে আরও হাজার হাজার ছাত্রজনতা। এখনো পর্যন্ত এ বর্বর হত্যাযজ্ঞের বিচার দৃশ্যমান হয়নি। তাই অবিলম্বে ফ্যাস্টিস্ট আওয়ামী সরকারের সন্ত্রাসী, খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচারের নামে ফাঁসি দিয়েছে। এমনকি জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল ও দাঁড়ি পাল্লা প্রতীক কেড়ে নেয়া হয়।
সবশেষে বক্তারা বলেন,জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে মহান আল্লাহপাক জামায়াতকে দলের নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরিয়ে দিয়েছে। আগামীতে মহান আল্লাহপাকই জামায়াতে ইসলামীকে বিজয় এনে দেবে। এজন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-২ বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলামকে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকে বিপুলভোটে বিজয়ী করতে হবে।
উল্লেখ্য ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট ছাত্র জনতার প্রতিরোধের মুখে বদরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অংগসংগঠনের নেতা কর্মীরা বদরগঞ্জ থেকে পালিয়ে যায়। ফলে ৪ আগষ্ট বদরগঞ্জ আওয়ামীলীগ মুক্ত হয়েছিল ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























