সংবাদ শিরোনাম ::
২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে রাজিব দাশ সওজে টেন্ডার বাণিজ্যের ‘গডফাদার’ মনিরুজ্জামান মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আউটলেট, ১০৮ হটস্পট চিহ্নিত : মির্জা ফখরুল ডেপুটি রেঞ্জার আবু সুফিয়ানের লোভনীয় পোস্টিং, রাঙ্গামাটিতে ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে বহাল ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এলএ শাখা-৫ এর কর্মচারী মিজানের বিপুল অবৈধ সম্পদের পাহাড় গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমারের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা ভারতে পাচারের অভিযোগ গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে সাড়ে ৭ কোটি টাকার টেন্ডারে নয়ছয়ের অভিযোগ তিন মহাদেশে স্মার্ট টেকনোলজির ব্যবসা, আড়ালে অর্থপাচারের অভিযোগ

আবারও সংগ্রামের সময় এসেছে : সেলিমা রহমান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, কালকের জুলাই সনদ ঘোষণার পরেই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট হবে। তবে এটুকু স্পষ্ট করে বলতে চাই আবারো সংগ্রামের সময় এসেছে।

সেলিমা রহমান বলেন, যদি দেশের জনগণের দাবি অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আবারো ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রামে নামবে। দেশের মালিক জনগণ, এই কথা আবার প্রমাণ হবে।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, সত্যি কথা বলতে, প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তি দুটোই আমাদের আলোচনা হয়ে গেছে। আমরা রাষ্ট্র গঠন করি কেন? রাষ্ট্রে আমরা কি চাই? রাষ্ট্রে আমরা সুশাসন চাই, রাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার চাই, অর্থনৈতিক অধিকার চাই, সবচেয়ে বড় কথা, মৌলিক অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার চাই।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি সুন্দর দেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। কিন্তু সেই বাংলাদেশে আজকে ৫৪ বছর হলো। সেই বাংলাদেশের স্বাধীনতায় আমরা দেখেছি, যতবার আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অগ্রসর হচ্ছি, ততবারই আমাদের কিছু না কিছু বাঁধা এসে আমাদেরকে বিব্রত করছে।

সেলিমা রহমান বলেন, আমাদের জাতি এতই সংগ্রামী যে কোনো বাঁধাই আমাদের থামাতে পারেনি। প্রতিবারই আমরা গণতন্ত্রের পথে একধাপ এগিয়েছি। সর্বশেষ ১৬ বছরব্যাপী আন্দোলনের ফসল হলো এই জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান।

আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটা চরম দানবের সরকারের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি, যারা মানুষের পেটে লাথি মেরে উন্নয়নের কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে দেশ চালাতে চেয়েছে। সেই দানবীয় সরকারের পতন ঘটেছে গণঅভ্যুত্থানে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর গুলি চলার পর সমগ্র জাতি রাজপথে নেমে এসেছিল। ছাত্র, জনতা, শ্রমিক, নারী, পুরুষ, শিশুরাও। দেশজুড়ে এক অনির্ধারিত যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, আজ এক বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন কোথাও দেখা যাচ্ছে না। আজকের অবস্থা হলো, যারা একসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিক্রি করে স্বৈরাচার চালিয়েছিল, তারাই আবার এখন গণঅভ্যুত্থানের নামে ক্ষমতায় আসীন হতে চায়।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, নাগরিকত্বের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, ওয়ার্কার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রহিন হোসেন প্রিন্স, জেএসডির সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব প্রমুখ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৭৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে রাজিব দাশ

আবারও সংগ্রামের সময় এসেছে : সেলিমা রহমান

আপডেট সময় ০৭:১৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, কালকের জুলাই সনদ ঘোষণার পরেই আমাদের অবস্থান স্পষ্ট হবে। তবে এটুকু স্পষ্ট করে বলতে চাই আবারো সংগ্রামের সময় এসেছে।

সেলিমা রহমান বলেন, যদি দেশের জনগণের দাবি অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আবারো ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রামে নামবে। দেশের মালিক জনগণ, এই কথা আবার প্রমাণ হবে।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, সত্যি কথা বলতে, প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তি দুটোই আমাদের আলোচনা হয়ে গেছে। আমরা রাষ্ট্র গঠন করি কেন? রাষ্ট্রে আমরা কি চাই? রাষ্ট্রে আমরা সুশাসন চাই, রাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার চাই, অর্থনৈতিক অধিকার চাই, সবচেয়ে বড় কথা, মৌলিক অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার চাই।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি সুন্দর দেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। কিন্তু সেই বাংলাদেশে আজকে ৫৪ বছর হলো। সেই বাংলাদেশের স্বাধীনতায় আমরা দেখেছি, যতবার আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অগ্রসর হচ্ছি, ততবারই আমাদের কিছু না কিছু বাঁধা এসে আমাদেরকে বিব্রত করছে।

সেলিমা রহমান বলেন, আমাদের জাতি এতই সংগ্রামী যে কোনো বাঁধাই আমাদের থামাতে পারেনি। প্রতিবারই আমরা গণতন্ত্রের পথে একধাপ এগিয়েছি। সর্বশেষ ১৬ বছরব্যাপী আন্দোলনের ফসল হলো এই জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান।

আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটা চরম দানবের সরকারের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি, যারা মানুষের পেটে লাথি মেরে উন্নয়নের কথা বলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে দেশ চালাতে চেয়েছে। সেই দানবীয় সরকারের পতন ঘটেছে গণঅভ্যুত্থানে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর গুলি চলার পর সমগ্র জাতি রাজপথে নেমে এসেছিল। ছাত্র, জনতা, শ্রমিক, নারী, পুরুষ, শিশুরাও। দেশজুড়ে এক অনির্ধারিত যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, আজ এক বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন কোথাও দেখা যাচ্ছে না। আজকের অবস্থা হলো, যারা একসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিক্রি করে স্বৈরাচার চালিয়েছিল, তারাই আবার এখন গণঅভ্যুত্থানের নামে ক্ষমতায় আসীন হতে চায়।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, নাগরিকত্বের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, ওয়ার্কার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রহিন হোসেন প্রিন্স, জেএসডির সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব প্রমুখ।