আজ ১৫ জুলাই ২০২৫ তারিখ আনুমানিক ১৭ঃ৩০ ঘটিকায় টেকনাফের হোয়াইক্যং বাজার থেকে রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেন দলের ২ জন সদস্যকে সামরিক ইউনিফর্ম ও অন্যান্য দ্রবাদিসহ সেনাবাহিনী, এপিবিএন ও পুলিশের একটি যৌথ অপারেশন দল কর্তৃক আটক করা হয়।
জব্দকৃত দ্রব্যাদি টেকনাফ সীমান্তবর্তী দ্বীপে নবী হোসেনের নিজস্ব আস্তানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।
আটককৃত ব্যক্তিদের বিস্তারিত নিম্নরুপঃ
১. নামঃ ইমন (২৫),
পিতাঃ মোঃ আলী,
ক্যাম্পঃ ৮ ইষ্ট
২. নামঃ মোঃ ইলিয়াস (১৫),
পিতাঃ আবুল হোসেন,
ক্যাম্পঃ ১৭
জব্দকৃত দ্রব্যাদির বিবরন নিম্নরুপঃ
ইউনিফর্ম এর শার্ট ৬টি
ইউনিফর্ম এর প্যান্ট ২০টি
চাল ২০০ কেজি,
ডাল ১০০ কেজি,
১২ ভোল্ট ব্যাটারী ১টি
সোলার প্যানেল ০২ টি (১৫০ ওয়াট)
এখানে উল্লেখ্য যে, টেকনাফ সীমান্তবর্তী দ্বীপে ডাকাত নবী হোসেন এর সামরিক আস্তানায় প্রায় ৩০-৩৫ জন সশস্ত্র সদস্য ডাকাত রয়েছে বলে জানা যায়। তারা অস্ত্র হাতে মিয়ানমার থেকে আনীত মাদক দ্রব্য নাফ নদী পার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ করে এবং নাফ নদীতে মাছ ধরা জেলেদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে। এছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহরণ করা অপহৃতদের নবী হোসেন তার আস্তানায় বন্দি রেখে মোটা অংকের মুক্তিপন আদায় করে থাকে।
বর্তমানে নবী হোসেন দলের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ক্যাম্পের নিরীহ জনগন একটি ভীতিকর পরিবেশের মাঝে বসবাস করছে। সম্প্রতি গত ১৩ জুলাই ২০২৫ তারিখে ক্যাম্প ১১ হতে সেনাবাহিনী এবং এপিবিএন যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ১৪ লক্ষ টাকা ও ১ টি UZI SMG সহ নবী হোসেন দলের ০৪ সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়।এছাড়া নবী হোসেন ক্যাম্প ৮ ইস্ট এর অভ্যন্তরে আইন ভঙ্গ করে অবৈধভাবে স্থায়ী বাসস্থান গড়ে তুললেও এ ব্যাপারে প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকা জনমনে হতাশার সৃষ্টি করেছে।
সাধারন জনগনের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এই সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম বন্ধ করা না গেলে অচিরেই ক্যাম্পের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডাকাত নবী হোসেন গ্রুপের ২ সদস্যকে থানায় হস্তান্তর ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে জানা গেছে।
সৈয়দ হোসাইন, কক্সবাজার চীপ ব্যুরোঃ 





















