জামালপুরে শিক্ষক শিক্ষার্থী জনতার হাতে আটকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১ টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর হযরত শাহ জামাল (রঃ) স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান আসাদ।
প্রত্যক্ষ ও কলেজ এবং স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, জামালপুর শহরের পাথালিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে নূরে আলম সিদ্দিক @ লেবু ২০০৪ সালে হয়রত শাহ জামাল র: স্কুল এন্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে যোগদান করেন । যোগদানের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে যান। এদিকে নারী ঘঠিত আরেকটি ঝামেলায় প্রায় ১০ বছর বরখাস্ত ছিলেন ৷ পরবর্তীতে মামলা ও স্থানীয় রাজনৈতিক তদবীরে আবারো চাকুরি শুরু করেন। গত ২ জুলাই বুধবার রাতে হাট চন্দ্রা এলাকায় স্থানীয়রা সহকারী শিক্ষক নুরে আলম সিদ্দিক @ লেবু ও সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের প্রথম বর্ষের ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে আটক করে স্থানীয়রা । ২ তারিখ থেকেই এমনই এক ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সারা জেলা জুড়ে চলছিল আলোচনা-সমালোচনা। এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে অভিভাবকদের। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাকে দ্রুত বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
হযরত শাহ জামাল (রঃ) স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক নুরুল আলম সিদ্দিকী @ লেবুকে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কথা হলে হযরত শাহ জামাল (রঃ) স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান আসাদ মুঠোফোনে জানান, ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় আমাদের নজরে এসেছে। পরবর্তীতে কলেজের প্রধান সহকারী গোলাম মোস্তফাকে আহব্বায়ক ও গনিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক মোবারক হোসেন, সহকারী শিক্ষক আঞ্জুমান আরাকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সহকারী শিক্ষক নুরুল আলম সিদ্দিকী @ লেবুর কাছে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে তিনি কোন জবাব এখনো দেয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে আসলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জামালপুর প্রতিনিধি 



















