ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

৭৫০টি সিনেমায় অভিনয় করা অভিনেতার মৃত্যু

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ৭২০ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণী সিনেমার বর্ষীয়ান অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস রাও মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। আজ (১৩ জুলাই) ভারতের হায়দারাবাদের ফিল্মনগরে নিজের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এ অভিনেতা। অভিনয়ের ক্যারিয়ারে চার দশকেরও বেশি সময়ে সব মিলিয়ে ৭৫০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। খ্যাতনামা এ অভিনেতা ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত হন। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিও করেছিলেন তিনি। ছিলেন বিজেপি সংসদ সদস্য। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রুক্মিনী ও তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪২ সালের ১০ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের ছোট্ট গ্রাম কাঙ্কিপাদুতে জন্ম শ্রীনিবাসের। বাবা সীতারামা অঞ্জনেয়ুলু ছিলেন পেশায় চিকিৎসক। সেই কারণে ছোট্ট শ্রীনিবাসেরও স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়ার। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়ই হয়ে ওঠে ধ্যানজ্ঞান। মঞ্চে অভিনয়ের মধ্যে দিয়েই এ অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। যদিও পরে ভারতের স্টেট ব্যাংকে চাকরি পান।
১৯৭৮ সালে তেলুগু সিনেমা ‘প্রণাম খারিদু’তে অভিনয়েই তার রুপালি পর্দায় অভিষেক। এরপর একের পর এক সিনেমায় কখনো চরিত্রাভিনেতা, কখনো খল চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। পরবর্তী সময়ে তামিল, হিন্দি, কন্নড়, মালয়ালম সিনেমাতেও কাজ করেছেন। অভিনয় জীবনে তার সিনেমার সংখ্যা ৭৫০টিরও বেশি।

দীর্ঘ চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকের মন কেড়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম ‘রক্ত চরিত্র’ (২০১০), ‘ইডিয়ট’ (২০০২), ‘গণেশ’ (১৯৯৮), ‘গোবিন্দা গোবিন্দা’ (১৯৯৩) প্রভৃতি। তবে বলিউডের দর্শকরা তাকে মনে রেখেছেন ‘সরকার’ সিনেমায় দুরন্ত অভিনয়ের জন্য। রামগোপাল বর্মা নির্মিত সিনেমায় ‘সিলভার মণি’ চরিত্রে অমিতাভ বচ্চনের সামনে দাপটে অভিনয় করতে দেখা গেছে তাকে।

২০১২ সালে ‘কৃষ্ণম বন্দে’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পেয়েছিলেন সিমা অ্যাওয়ার্ড। খল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন ৯টি নন্দী অ্যাওয়ার্ড। ২০১৫ সালে ভারতীয় সিনেমায় অবদানের জন্য ভূষিত হন দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’তে। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিও করেছেন। ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য শ্রীনিবাস ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত অন্ধপ্রদেশের পূর্ব বিজয়ওয়াড়ার বিধায়ক ছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

৭৫০টি সিনেমায় অভিনয় করা অভিনেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০১:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

দক্ষিণী সিনেমার বর্ষীয়ান অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস রাও মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। আজ (১৩ জুলাই) ভারতের হায়দারাবাদের ফিল্মনগরে নিজের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এ অভিনেতা। অভিনয়ের ক্যারিয়ারে চার দশকেরও বেশি সময়ে সব মিলিয়ে ৭৫০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। খ্যাতনামা এ অভিনেতা ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত হন। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিও করেছিলেন তিনি। ছিলেন বিজেপি সংসদ সদস্য। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রুক্মিনী ও তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪২ সালের ১০ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের ছোট্ট গ্রাম কাঙ্কিপাদুতে জন্ম শ্রীনিবাসের। বাবা সীতারামা অঞ্জনেয়ুলু ছিলেন পেশায় চিকিৎসক। সেই কারণে ছোট্ট শ্রীনিবাসেরও স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়ার। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়ই হয়ে ওঠে ধ্যানজ্ঞান। মঞ্চে অভিনয়ের মধ্যে দিয়েই এ অঙ্গনে পা রাখেন তিনি। যদিও পরে ভারতের স্টেট ব্যাংকে চাকরি পান।
১৯৭৮ সালে তেলুগু সিনেমা ‘প্রণাম খারিদু’তে অভিনয়েই তার রুপালি পর্দায় অভিষেক। এরপর একের পর এক সিনেমায় কখনো চরিত্রাভিনেতা, কখনো খল চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। পরবর্তী সময়ে তামিল, হিন্দি, কন্নড়, মালয়ালম সিনেমাতেও কাজ করেছেন। অভিনয় জীবনে তার সিনেমার সংখ্যা ৭৫০টিরও বেশি।

দীর্ঘ চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকের মন কেড়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম ‘রক্ত চরিত্র’ (২০১০), ‘ইডিয়ট’ (২০০২), ‘গণেশ’ (১৯৯৮), ‘গোবিন্দা গোবিন্দা’ (১৯৯৩) প্রভৃতি। তবে বলিউডের দর্শকরা তাকে মনে রেখেছেন ‘সরকার’ সিনেমায় দুরন্ত অভিনয়ের জন্য। রামগোপাল বর্মা নির্মিত সিনেমায় ‘সিলভার মণি’ চরিত্রে অমিতাভ বচ্চনের সামনে দাপটে অভিনয় করতে দেখা গেছে তাকে।

২০১২ সালে ‘কৃষ্ণম বন্দে’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পেয়েছিলেন সিমা অ্যাওয়ার্ড। খল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন ৯টি নন্দী অ্যাওয়ার্ড। ২০১৫ সালে ভারতীয় সিনেমায় অবদানের জন্য ভূষিত হন দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’তে। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিও করেছেন। ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য শ্রীনিবাস ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত অন্ধপ্রদেশের পূর্ব বিজয়ওয়াড়ার বিধায়ক ছিলেন।