ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা ফের চালু এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ শুধু জিপিএ-৫ নয়, আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য: ড. সায়মা ফেরদৌস

বিদ্যুতে বরাদ্দ কমেছে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ কমেছে বিদ্যুৎ খাতে। এবার বিদ্যুতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ২০ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুতের উন্নয়নে বরাদ্দ প্রস্তাব ছিল ২৯ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। যা সংশোধিত বাজেটে কমে ২১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাজেটে দীর্ঘ সময় ধরে অগ্রাধিকার পাওয়া বিদ্যুৎ খাতে গতবছর বরাদ্দ কমিয়ে আনা হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৯ হাজার ২৩০কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব ছিল। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা কম। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদ্যুতে বরাদ্দ ছিল ৩৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। আর সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে এনে ২৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা করা হয়।

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন বাজেট ধরা হয়েছে ২০ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। আর পরিচালন ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৮কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় কমলেও পরিচালন ব্যয় আগের বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ১৩কোটি টাকা বেড়েছে।
২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের বাজেটে অসম বণ্টনের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে ঠিকই কিন্তু জ্বালানির অভাবে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ।

বাজেট বক্তৃতায় উপদেষ্টা বলেছেন, বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের সার্বিক ব্যয় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষ বিধান আইন বাতিল করা হয়েছে। ওই আইনের আওতায় সম্পাদিত চুক্তিসমুহ পর্যালোচনার লক্ষ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০০৮ যুগোপযোগী করে নতুন নীতিমালার কাজ চূড়ুান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ নবায়োনযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাজেটে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদ্যুতে বরাদ্দ কমেছে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ১১:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ কমেছে বিদ্যুৎ খাতে। এবার বিদ্যুতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ২০ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুতের উন্নয়নে বরাদ্দ প্রস্তাব ছিল ২৯ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। যা সংশোধিত বাজেটে কমে ২১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

সোমবার (২ জুন) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাজেটে দীর্ঘ সময় ধরে অগ্রাধিকার পাওয়া বিদ্যুৎ খাতে গতবছর বরাদ্দ কমিয়ে আনা হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৯ হাজার ২৩০কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব ছিল। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা কম। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদ্যুতে বরাদ্দ ছিল ৩৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। আর সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে এনে ২৭ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা করা হয়।

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন বাজেট ধরা হয়েছে ২০ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। আর পরিচালন ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৮কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় কমলেও পরিচালন ব্যয় আগের বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ১৩কোটি টাকা বেড়েছে।
২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের বাজেটে অসম বণ্টনের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে ঠিকই কিন্তু জ্বালানির অভাবে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ।

বাজেট বক্তৃতায় উপদেষ্টা বলেছেন, বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের সার্বিক ব্যয় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষ বিধান আইন বাতিল করা হয়েছে। ওই আইনের আওতায় সম্পাদিত চুক্তিসমুহ পর্যালোচনার লক্ষ্যে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০০৮ যুগোপযোগী করে নতুন নীতিমালার কাজ চূড়ুান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ নবায়োনযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাজেটে।