সংবাদ শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনিক্যাল ত্রুটি ও কয়লা সংকটে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঝালকাঠিতে পৌর কবরস্থান-৫ এর উদ্বোধন বাজেট নয়, এটি প্রচারণার দলিল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর জুড়ী-বড়লেখা সফর, ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

টপ অর্ডারদের নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েই গেছে হাবিবুল বাশারের বিশ্লেষণ

টপ অর্ডারের ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েই গেছে
দল জিতলে অনেক ফাঁকফোকর, দুর্বলতা, ঘাটতি আর কমতি ঢাকা পড়ে যায়। যেহেতু সিলেটে হারের পর চট্টগ্রামে ইনিংস জয়ের দেখা মিলেছে, তাই কেউ কেউ বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে আর কোনো নেতিবাচক মন্তব্য করতে নারাজ। তবে হাবিবুল বাশার সুমন ওই দলের লোক নন।

দেশের ক্রিকেটের এ নামী ও বড় তারকার মূল্যায়ন, চট্টগ্রামে বড় জয়ের দেখা মিললেও সামগ্রিককভাবে বাংলাদেশের টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ভালো হয়নি।

আলাপে বাশার বলেন, ‘আমাদের টপ অর্ডার ব্যাটিং তারপরও ভালো হয়নি। প্রথম টেস্টে তো একদমই না, এমনকি এই টেস্টেও টপ অর্ডার ব্যাটাররা ভালো খেলেননি। এই টেস্টে প্রথম ৬ জনের মধ্যে একটিই সেঞ্চুরি। সেটা করেছেন সাদমান ইসলাম। টপ ফাইভ থেকে আর কোনো বড় ইনিংস নেই। আরেক সেঞ্চুরি করেছেন মিরাজ; সাত নম্বরে নেমে। তার মানে ওপরে ও মাঝখানে সাদমান ছাড়া কারো ব্যাটে দীর্ঘ ইনিংস নেই। ওয়ান, টু, থি, ফোর, ফাইভ ও সিক্স-এ কোনো বড় রানের ইনিংস আসছে না সেভাবে।’

সাবেক নির্বাচক যথার্থই বলেছেন। ওপেনার সাদমান ইসলামের ইনিংসটি ছাড়া প্রথম ৬ জনের আর কারো ব্যাট থেকে বড় ইনিংস বেরিয়ে আসেনি। আবার নতুন করে দলে ফেরা এনামুল হক বিজয় (৩৯), মুমিনুল হক (৩৩), অধিনায়ক নাজমুল শান্ত (২৩), মুশফিকুর রহিম (৪০) আর জাকের আলী অনিকের (৫) কেউ লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। বিজয়, মুমিনুল আর মুশফিকের সামনে সুযোগ ছিল দীর্ঘ সময় উইকেটে থেকে লম্বা ইনিংস খেলার। কিন্তু তারা উইকেটে সেট হয়েও দলকে বড় ইনিংস উপহার দিতে পারেননি।

অতীতের উদাহরণ টেনে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘ভুলে গেলে চলবে না আমরা যে পাকিস্তানের সাথে সিরিজ জিতেছিলাম, সেখানেও টপ অর্ডাররা রান পায়নি। মিডল ও লেট অর্ডার রান করেছিল। এই মিরাজ দুই টেস্টেই ‘বিগ ফিফটি’ হাঁকিয়েছিল। ভারতের সাথেও টপ অর্ডারে রান আসেনি। জিম্বাবুয়ের সাথে প্রথম টেস্টে টপঅর্ডারে রান করেনি কেউ।’

ওপরের দিকের ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘যে কোনো টেস্টে প্রথম ইনিংসের পারফরম্যান্সটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। হোক তা ব্যাটিং কিংবা বোলিং। আসলে প্রথম ইনিংসে ম্যাচ ভাগ্য নির্ধারিত হয়। প্রথম বল করলে বোলিং আর আগে ব্যাট করলে প্রথম ইনিংস ব্যাটিং দিয়েই অনেক কিছু নির্ধারিত হয়। ভালো ব্যাটিং না করলে টেস্টে পেছনে থেকেই শুরু করতে হবে। আমরা তাই করছি। আমাদের টপ অর্ডারে রান করছে না। যদিও এ টেস্টে সাদমানের ইনিংসটা ওয়ান্ডারফুল। বাট আমি এখনো মনে করি টপ ফাইভ থেকে দু-দুটি লম্বা ইনিংস দরকার। একটি যথেষ্ট নয়। টেস্টে প্রথম ৫ জনের মধ্যে অন্তত দুইজনের দুটি বড় ইনিংস প্রয়োজন।’

সুমনের উপলব্ধি, বোলিংটা খারাপ হয়নি। কিন্তু ব্যাটিং ভালো না হওয়ায় প্রথম টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ। তাই মুখে অমন কথা, ‘প্রথম টেস্ট আমরা হেরেছি টপ অর্ডার রান না করায়। টপ অর্ডার রান করলে হয়তো আমরা ওই টেস্টটাও জিততাম।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টপ অর্ডারদের নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েই গেছে হাবিবুল বাশারের বিশ্লেষণ

আপডেট সময় ০২:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

টপ অর্ডারের ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েই গেছে
দল জিতলে অনেক ফাঁকফোকর, দুর্বলতা, ঘাটতি আর কমতি ঢাকা পড়ে যায়। যেহেতু সিলেটে হারের পর চট্টগ্রামে ইনিংস জয়ের দেখা মিলেছে, তাই কেউ কেউ বাংলাদেশের পারফরম্যান্স নিয়ে আর কোনো নেতিবাচক মন্তব্য করতে নারাজ। তবে হাবিবুল বাশার সুমন ওই দলের লোক নন।

দেশের ক্রিকেটের এ নামী ও বড় তারকার মূল্যায়ন, চট্টগ্রামে বড় জয়ের দেখা মিললেও সামগ্রিককভাবে বাংলাদেশের টপ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ভালো হয়নি।

আলাপে বাশার বলেন, ‘আমাদের টপ অর্ডার ব্যাটিং তারপরও ভালো হয়নি। প্রথম টেস্টে তো একদমই না, এমনকি এই টেস্টেও টপ অর্ডার ব্যাটাররা ভালো খেলেননি। এই টেস্টে প্রথম ৬ জনের মধ্যে একটিই সেঞ্চুরি। সেটা করেছেন সাদমান ইসলাম। টপ ফাইভ থেকে আর কোনো বড় ইনিংস নেই। আরেক সেঞ্চুরি করেছেন মিরাজ; সাত নম্বরে নেমে। তার মানে ওপরে ও মাঝখানে সাদমান ছাড়া কারো ব্যাটে দীর্ঘ ইনিংস নেই। ওয়ান, টু, থি, ফোর, ফাইভ ও সিক্স-এ কোনো বড় রানের ইনিংস আসছে না সেভাবে।’

সাবেক নির্বাচক যথার্থই বলেছেন। ওপেনার সাদমান ইসলামের ইনিংসটি ছাড়া প্রথম ৬ জনের আর কারো ব্যাট থেকে বড় ইনিংস বেরিয়ে আসেনি। আবার নতুন করে দলে ফেরা এনামুল হক বিজয় (৩৯), মুমিনুল হক (৩৩), অধিনায়ক নাজমুল শান্ত (২৩), মুশফিকুর রহিম (৪০) আর জাকের আলী অনিকের (৫) কেউ লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। বিজয়, মুমিনুল আর মুশফিকের সামনে সুযোগ ছিল দীর্ঘ সময় উইকেটে থেকে লম্বা ইনিংস খেলার। কিন্তু তারা উইকেটে সেট হয়েও দলকে বড় ইনিংস উপহার দিতে পারেননি।

অতীতের উদাহরণ টেনে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘ভুলে গেলে চলবে না আমরা যে পাকিস্তানের সাথে সিরিজ জিতেছিলাম, সেখানেও টপ অর্ডাররা রান পায়নি। মিডল ও লেট অর্ডার রান করেছিল। এই মিরাজ দুই টেস্টেই ‘বিগ ফিফটি’ হাঁকিয়েছিল। ভারতের সাথেও টপ অর্ডারে রান আসেনি। জিম্বাবুয়ের সাথে প্রথম টেস্টে টপঅর্ডারে রান করেনি কেউ।’

ওপরের দিকের ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, ‘যে কোনো টেস্টে প্রথম ইনিংসের পারফরম্যান্সটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। হোক তা ব্যাটিং কিংবা বোলিং। আসলে প্রথম ইনিংসে ম্যাচ ভাগ্য নির্ধারিত হয়। প্রথম বল করলে বোলিং আর আগে ব্যাট করলে প্রথম ইনিংস ব্যাটিং দিয়েই অনেক কিছু নির্ধারিত হয়। ভালো ব্যাটিং না করলে টেস্টে পেছনে থেকেই শুরু করতে হবে। আমরা তাই করছি। আমাদের টপ অর্ডারে রান করছে না। যদিও এ টেস্টে সাদমানের ইনিংসটা ওয়ান্ডারফুল। বাট আমি এখনো মনে করি টপ ফাইভ থেকে দু-দুটি লম্বা ইনিংস দরকার। একটি যথেষ্ট নয়। টেস্টে প্রথম ৫ জনের মধ্যে অন্তত দুইজনের দুটি বড় ইনিংস প্রয়োজন।’

সুমনের উপলব্ধি, বোলিংটা খারাপ হয়নি। কিন্তু ব্যাটিং ভালো না হওয়ায় প্রথম টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ। তাই মুখে অমন কথা, ‘প্রথম টেস্ট আমরা হেরেছি টপ অর্ডার রান না করায়। টপ অর্ডার রান করলে হয়তো আমরা ওই টেস্টটাও জিততাম।’