সংবাদ শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনিক্যাল ত্রুটি ও কয়লা সংকটে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঝালকাঠিতে পৌর কবরস্থান-৫ এর উদ্বোধন বাজেট নয়, এটি প্রচারণার দলিল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর জুড়ী-বড়লেখা সফর, ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

লিড ২১৭ , দুই সেঞ্চুরিতে ৪৪৪ রানে থামল বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের আকাশে মেঘের লুকোচুরি খেলা। এর মধ্যে অন্তত দু’বার বৃষ্টি হানা দিয়েছে। তবে যতক্ষণ বল মাঠে গড়িয়েছে দাপট বজায় রেখেছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। গতকাল সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরির পর আজ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক তুলে নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাতে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংস শেষে বেশ স্বস্তিতে স্বাগতিক দল।

জিম্বাবুয়ের ২২৭ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১২৯.২ ওভারে সংগ্রহ করেছে ৪৪৪ রান। লিড পেয়েছে ২১৭ রানের। অভিষেকে ৫ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েছেন জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা।
এর আগে রোডেশিয়ানদের হয়ে টেস্ট অভিষেক ইনিংসে ৫ উইকেটের রেকর্ড আছে দুজনের—অ্যান্ডি ব্লিগনাট ও জন নিয়ুম্বু। ২০০১ সালে বুলাওয়েতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন ব্লিগনাট।

৭ উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। গতকাল শেষ বিকেলে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর দলীয় রান চারশো পার হওয়া নিয়েই শঙ্কা ছিল। তবে মিরাজ ও তানজিম সাকিবের ১৫৬ বলে ৯৬ রানের জুটিতে রান চারশো পেরিয়ে যায়। এর আগে তাইজুলের সঙ্গেও পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়েন মিরাজ।

তাইজুল ও সাকিবের বিদায়ের পরও দলের হাল ধরে রাখেন মিরাজ। তুলে নেন নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। প্রথম সেঞ্চুরিটাও পেয়েছিলেন চট্টগ্রামের এই মাঠেই। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিনে মাইলফলকের খাতাতেও উঠেছে মিরাজের নাম। সাকিব আল হাসানের পর মাত্র দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে মিরাজ টেস্ট ক্রিকেটে ২০০০ রান এবং ২০০ উইকেটের চক্রপূরণ করেছেন। অবশ্য ম্যাচের সংখ্যা হিসেবে মিরাজ টপকেছেন সাকিবকে। জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিকেট কিংবদন্তিদের কাতারে।

সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না মিরাজ। মাসেকেসাকে মারতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন। ১৬২ বলে ১০৪ রান করা মিরাজের আউটের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। হাসান মাহমুদ অন্য প্রান্তে ১৬ বলে শূন্য রানে অপরাজিত।

এর আগে গতকাল প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম উইকেটে ১১৮ রানের জুটি ছিল সাদমান এবং বিজয়ের। ৩ বছর পর দলে ফেরা বিজয় ৩৯ রানে আউট হলেও সেঞ্চুরি করেন সাদমান। মুমিনুলের সঙ্গেও ৭৬ রানের ভালো একটা পার্টনারশিপ ছিল তার। নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুশফিকও খানিক রান তুলেছিলেন।

কিন্তু শেষদিকে ভিনসেন্ট মাসাকেসার তোপে এলোমেলো হয়ে যায় স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইন-আপ। ২৫৯/৩ থেকে অল্প সময়ের ব্যবধানেই স্কোরবোর্ড রূপ নেয় ২৭৯/৭ এ। ৩ উইকেট শিকার করেন মাসাকেসা।
এর আগে জিম্বাবুয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে দুই ফিফটিতে ভর করে তুলেছিল ২২৭ রান।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২৯.২ ওভারে ৪৪৪ (সাদমান ১২০, মিরাজ ১০৪, তানজিম ৪১, মুশফিক ৪০, এনামুল ৩৯, মুমিনুল ৩৩, তাইজুল ২০; মাসেকেসা ৫/১১৫, মাধেভেরে ১/৩৫, বেনেট ১/৪৯, মুজারাবানি ১/৮৩)

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লিড ২১৭ , দুই সেঞ্চুরিতে ৪৪৪ রানে থামল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৩:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

চট্টগ্রামের আকাশে মেঘের লুকোচুরি খেলা। এর মধ্যে অন্তত দু’বার বৃষ্টি হানা দিয়েছে। তবে যতক্ষণ বল মাঠে গড়িয়েছে দাপট বজায় রেখেছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। গতকাল সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরির পর আজ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক তুলে নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাতে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংস শেষে বেশ স্বস্তিতে স্বাগতিক দল।

জিম্বাবুয়ের ২২৭ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১২৯.২ ওভারে সংগ্রহ করেছে ৪৪৪ রান। লিড পেয়েছে ২১৭ রানের। অভিষেকে ৫ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েছেন জিম্বাবুয়ের লেগ স্পিনার ভিনসেন্ট মাসেকেসা।
এর আগে রোডেশিয়ানদের হয়ে টেস্ট অভিষেক ইনিংসে ৫ উইকেটের রেকর্ড আছে দুজনের—অ্যান্ডি ব্লিগনাট ও জন নিয়ুম্বু। ২০০১ সালে বুলাওয়েতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন ব্লিগনাট।

৭ উইকেটে ২৯১ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। গতকাল শেষ বিকেলে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর দলীয় রান চারশো পার হওয়া নিয়েই শঙ্কা ছিল। তবে মিরাজ ও তানজিম সাকিবের ১৫৬ বলে ৯৬ রানের জুটিতে রান চারশো পেরিয়ে যায়। এর আগে তাইজুলের সঙ্গেও পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়েন মিরাজ।

তাইজুল ও সাকিবের বিদায়ের পরও দলের হাল ধরে রাখেন মিরাজ। তুলে নেন নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। প্রথম সেঞ্চুরিটাও পেয়েছিলেন চট্টগ্রামের এই মাঠেই। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দিনে মাইলফলকের খাতাতেও উঠেছে মিরাজের নাম। সাকিব আল হাসানের পর মাত্র দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে মিরাজ টেস্ট ক্রিকেটে ২০০০ রান এবং ২০০ উইকেটের চক্রপূরণ করেছেন। অবশ্য ম্যাচের সংখ্যা হিসেবে মিরাজ টপকেছেন সাকিবকে। জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিকেট কিংবদন্তিদের কাতারে।

সেঞ্চুরি করার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না মিরাজ। মাসেকেসাকে মারতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন। ১৬২ বলে ১০৪ রান করা মিরাজের আউটের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। হাসান মাহমুদ অন্য প্রান্তে ১৬ বলে শূন্য রানে অপরাজিত।

এর আগে গতকাল প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম উইকেটে ১১৮ রানের জুটি ছিল সাদমান এবং বিজয়ের। ৩ বছর পর দলে ফেরা বিজয় ৩৯ রানে আউট হলেও সেঞ্চুরি করেন সাদমান। মুমিনুলের সঙ্গেও ৭৬ রানের ভালো একটা পার্টনারশিপ ছিল তার। নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুশফিকও খানিক রান তুলেছিলেন।

কিন্তু শেষদিকে ভিনসেন্ট মাসাকেসার তোপে এলোমেলো হয়ে যায় স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইন-আপ। ২৫৯/৩ থেকে অল্প সময়ের ব্যবধানেই স্কোরবোর্ড রূপ নেয় ২৭৯/৭ এ। ৩ উইকেট শিকার করেন মাসাকেসা।
এর আগে জিম্বাবুয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে দুই ফিফটিতে ভর করে তুলেছিল ২২৭ রান।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১২৯.২ ওভারে ৪৪৪ (সাদমান ১২০, মিরাজ ১০৪, তানজিম ৪১, মুশফিক ৪০, এনামুল ৩৯, মুমিনুল ৩৩, তাইজুল ২০; মাসেকেসা ৫/১১৫, মাধেভেরে ১/৩৫, বেনেট ১/৪৯, মুজারাবানি ১/৮৩)