ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কয়রায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকে মারার অভিযোগ

খুলনার কয়রা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়রা উপজেলা মূখ্য সংগঠক খলিলুর রহমানের ওপর হামলা ও মারধরের প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল ) বেলা ১১ টায় কয়রা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হামলায় আহত খলিলুর রহমান বলেন, গত ৫ এপ্রিল তারিখ রাতে আমার বাড়ি সংলগ্ন কয়রার জোড়সিং লঞ্চঘাট হতে লঞ্চে উঠে খুলনা জেলা শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। লঞ্চ পরবর্তী একটি ঘাটে ভিড়লে হঠাৎ করে ১৪ /১৫ জন লোক লঞ্চে উঠে অতর্কিত হামলা করে। আমাকে মারপিট করতে করতে লঞ্চ থেকে নামায়। এরপর আমাকে অস্ত্রের মুখে একটি মোটরসাইকেল উঠিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।

আমাকে সেখানে আটকে রেখে এক লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। তখন আমি আমার পরিবারের কাছে মুঠোফোনে এক লক্ষ টাকা চেয়ে তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানাই। অবস্থান জানানোর ফলে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে আমার কাছে থাকা নগদ ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে আমাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে আমার পরিবারের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কয়রা থানায় মামলা করি। হামলাকারীদের মধ্যেমকয়েকজনকে আগে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখেছি। তাদের দ্রুতই গ্রেপ্তারের দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়রা উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে ফিফা প্রধান ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

কয়রায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকে মারার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

খুলনার কয়রা উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়রা উপজেলা মূখ্য সংগঠক খলিলুর রহমানের ওপর হামলা ও মারধরের প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল ) বেলা ১১ টায় কয়রা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হামলায় আহত খলিলুর রহমান বলেন, গত ৫ এপ্রিল তারিখ রাতে আমার বাড়ি সংলগ্ন কয়রার জোড়সিং লঞ্চঘাট হতে লঞ্চে উঠে খুলনা জেলা শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। লঞ্চ পরবর্তী একটি ঘাটে ভিড়লে হঠাৎ করে ১৪ /১৫ জন লোক লঞ্চে উঠে অতর্কিত হামলা করে। আমাকে মারপিট করতে করতে লঞ্চ থেকে নামায়। এরপর আমাকে অস্ত্রের মুখে একটি মোটরসাইকেল উঠিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।

আমাকে সেখানে আটকে রেখে এক লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। তখন আমি আমার পরিবারের কাছে মুঠোফোনে এক লক্ষ টাকা চেয়ে তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানাই। অবস্থান জানানোর ফলে তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে আমার কাছে থাকা নগদ ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে আমাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে আমার পরিবারের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কয়রা থানায় মামলা করি। হামলাকারীদের মধ্যেমকয়েকজনকে আগে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখেছি। তাদের দ্রুতই গ্রেপ্তারের দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়রা উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।