সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

বিএনপির মহাসচিব পদে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম

জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতিসহ সফলতার সাথে আরো বিভিন্ন পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালন করেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের দায়িত্বে থাকাকালে স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলে পড়ে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন অনেকবার। সরকারি চাকরির বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় ও বুনিয়াদী ক্যাডার হিসাবে পরিচিত ৭ম বিসিএস পরীক্ষায় ১৯৮৫ সালে অংশ নিয়ে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিসিএস (প্রশাসন) চাকরিতে যোগদান করেন। বগুড়া জেলা প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসাবে দায়িত্বপালনকালে ১৯৯১ সালে তিনি তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসাবে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে এই সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। সালাহ উদ্দিন আহমদ তখন থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে নেমে পড়েন। এরপর ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) থেকে বিজয়ের হেট্টিক করে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একটানা তিনবার কক্সবাজার-১ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি রেকর্ড সৃষ্টি করেন। সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেন। অষ্টম সংসদ নির্বাচনের পর চারদলীয় জোট দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র নেতৃত্বে সরকার গঠন করলে সালাহ উদ্দিন আহমদ ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার ইনচার্জ মিনিস্টার হিসাবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি। সালাহ উদ্দিন আহামদই একমাত্র রাজনীতিবিদ, যিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হয়ে স্বাধীনতাত্তোর কক্সবাজার জেলা থেকে সর্বপ্রথম মন্ত্রী হয়েছেন। সালাহ উদ্দিন আহমদ বৃহত্তর চকরিয়া থেকে কিছু অংশ আলাদা করে ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘পেকুয়া’ নামক একটি আলাদা উপজেলা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পেকুয়ায় প্রয়োজনীয় সকল অবকাঠামো, আধুনিক স্থাপনা ও উন্নয়ন করেছেন পরবর্তী সাড়ে চার বছরে। যা এখন দৃশ্যমান ও সুফল ভোগ করছে সকলে। ২০০৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ বছর ২ মাস ওয়ান ইলাভেন সরকারের কারাগারে বন্দী থেকে ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ তিনি কারামুক্ত হন। সালাহ উদ্দিন আহমদ কারাগারে থাকাবস্থায় এরমধ্যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তার সহধর্মিনী এডভোকেট হাসিনা আহমেদ কক্সবাজার-১ আসনে চারদলীয় জোটের মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে প্রায় ৩৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সালাহ উদ্দিন আহামদ ১৯৯৬ সালে প্রথমে কক্সবাজার কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র আহবায়ক এবং পরে পর পর দু’বার কাউন্সিলের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে ২০১০ সালে বিএনপি’র জাতীয় কাউন্সিলে সালাহ উদ্দিন আহমদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্মমহাসচিব নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ভারতের মেঘালয়ের সিলং শহরে নির্বাসিত থাকাবস্থায় বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

বিএনপির মহাসচিব পদে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম

আপডেট সময় ১২:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতিসহ সফলতার সাথে আরো বিভিন্ন পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালন করেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের দায়িত্বে থাকাকালে স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলে পড়ে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন অনেকবার। সরকারি চাকরির বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় ও বুনিয়াদী ক্যাডার হিসাবে পরিচিত ৭ম বিসিএস পরীক্ষায় ১৯৮৫ সালে অংশ নিয়ে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিসিএস (প্রশাসন) চাকরিতে যোগদান করেন। বগুড়া জেলা প্রশাসনে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসাবে দায়িত্বপালনকালে ১৯৯১ সালে তিনি তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসাবে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে এই সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। সালাহ উদ্দিন আহমদ তখন থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে নেমে পড়েন। এরপর ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) থেকে বিজয়ের হেট্টিক করে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একটানা তিনবার কক্সবাজার-১ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি রেকর্ড সৃষ্টি করেন। সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেন। অষ্টম সংসদ নির্বাচনের পর চারদলীয় জোট দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র নেতৃত্বে সরকার গঠন করলে সালাহ উদ্দিন আহমদ ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার ইনচার্জ মিনিস্টার হিসাবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি। সালাহ উদ্দিন আহামদই একমাত্র রাজনীতিবিদ, যিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হয়ে স্বাধীনতাত্তোর কক্সবাজার জেলা থেকে সর্বপ্রথম মন্ত্রী হয়েছেন। সালাহ উদ্দিন আহমদ বৃহত্তর চকরিয়া থেকে কিছু অংশ আলাদা করে ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘পেকুয়া’ নামক একটি আলাদা উপজেলা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পেকুয়ায় প্রয়োজনীয় সকল অবকাঠামো, আধুনিক স্থাপনা ও উন্নয়ন করেছেন পরবর্তী সাড়ে চার বছরে। যা এখন দৃশ্যমান ও সুফল ভোগ করছে সকলে। ২০০৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ বছর ২ মাস ওয়ান ইলাভেন সরকারের কারাগারে বন্দী থেকে ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ তিনি কারামুক্ত হন। সালাহ উদ্দিন আহমদ কারাগারে থাকাবস্থায় এরমধ্যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তার সহধর্মিনী এডভোকেট হাসিনা আহমেদ কক্সবাজার-১ আসনে চারদলীয় জোটের মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে প্রায় ৩৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সালাহ উদ্দিন আহামদ ১৯৯৬ সালে প্রথমে কক্সবাজার কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র আহবায়ক এবং পরে পর পর দু’বার কাউন্সিলের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে ২০১০ সালে বিএনপি’র জাতীয় কাউন্সিলে সালাহ উদ্দিন আহমদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্মমহাসচিব নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ভারতের মেঘালয়ের সিলং শহরে নির্বাসিত থাকাবস্থায় বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।