ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

জাতীয় ৮টি দিবস বাতিলের ঘোষণা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

শোক দিবস, শিশু দিবস ও সাতই মার্চসহ জাতীয়ভাবে পালন হত এমন আটটি দিবস বাতিল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে, উপদেষ্টা পরিষদ সম্প্রতি এক বৈঠকে আটটি দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এবং শিগগিরই এসব দিবস বাতিল করে পরিপত্র জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বাতিল হওয়া দিবসগুলোর মাঝে পাঁচটিই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত। এর মধ্যে আছে ১৭ই মার্চ, এটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন।

এ দিনটি ১৯৯৬ সালে তৎকালীন মন্ত্রিসভা ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে, এবং ১৯৯৭ সালের ১৭ই মার্চ থেকে দিনটি সরকারিভাবে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। এছাড়া ১৫ই অগাস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছিল। এক সামরিক অভ্যুত্থানে এ দিনে ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারে নিহত হন। এ দিনটি ২০০৮ সাল থেকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন হত, এবং এ দিনে সরকারি ছুটি থাকত। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৩ই অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকার এই দিনের সাধারণ ছুটি বাতিল ঘোষণা করে।

এছাড়া পাঁচই অগাস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন, আটই অগাস্ট বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন, এবং ১৮ই অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিন – এই সবকটি দিনই জাতীয়ভাবে পালন হয়ে আসছিল। উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে বাতিল হতে যাওয়া বাকি তিন দিবস হল ঐতিহাসিক সাতই মার্চ, চৌঠা নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস এবং ১২ই ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

জাতীয় ৮টি দিবস বাতিলের ঘোষণা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

শোক দিবস, শিশু দিবস ও সাতই মার্চসহ জাতীয়ভাবে পালন হত এমন আটটি দিবস বাতিল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে, উপদেষ্টা পরিষদ সম্প্রতি এক বৈঠকে আটটি দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এবং শিগগিরই এসব দিবস বাতিল করে পরিপত্র জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বাতিল হওয়া দিবসগুলোর মাঝে পাঁচটিই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত। এর মধ্যে আছে ১৭ই মার্চ, এটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন।

এ দিনটি ১৯৯৬ সালে তৎকালীন মন্ত্রিসভা ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে, এবং ১৯৯৭ সালের ১৭ই মার্চ থেকে দিনটি সরকারিভাবে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। এছাড়া ১৫ই অগাস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছিল। এক সামরিক অভ্যুত্থানে এ দিনে ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারে নিহত হন। এ দিনটি ২০০৮ সাল থেকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন হত, এবং এ দিনে সরকারি ছুটি থাকত। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৩ই অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকার এই দিনের সাধারণ ছুটি বাতিল ঘোষণা করে।

এছাড়া পাঁচই অগাস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন, আটই অগাস্ট বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন, এবং ১৮ই অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিন – এই সবকটি দিনই জাতীয়ভাবে পালন হয়ে আসছিল। উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে বাতিল হতে যাওয়া বাকি তিন দিবস হল ঐতিহাসিক সাতই মার্চ, চৌঠা নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস এবং ১২ই ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।