ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

সিইসি-ইসি নিয়োগে অনুসন্ধান কমিটির দায়মুক্তি কেন বেআইনি নয়

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগে সুপারিশকারী রাষ্ট্রপতি গঠিত অনুসন্ধান কমিটিকে দেওয়া দায়মুক্তির বৈধতা নিয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত আজ মঙ্গলবার দেওয়া রুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যাখ্যা করতে বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ এর ৯ ধারায় অনুসন্ধান কমিটিকে যে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে তা কেন অবৈধ ও সংবিধানের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না।

এই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।

গত ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ এর ৯ ধারায় অনুসন্ধান কমিটিকে যে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে তা বেআইনি ও সংবিধান পরিপন্থি।

ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতোপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটি ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’

হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে রিটটি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ সাদিক, জিএম মোজাহিদুর রহমান, মুহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, মোহাম্মদ নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ সাজ্জাদ সরোয়ার, মো. মুজাহেদুল ইসলাম, মো. মিজানুল হক ও মীর কেএম নুরুন নবী।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

সিইসি-ইসি নিয়োগে অনুসন্ধান কমিটির দায়মুক্তি কেন বেআইনি নয়

আপডেট সময় ০৪:২২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগে সুপারিশকারী রাষ্ট্রপতি গঠিত অনুসন্ধান কমিটিকে দেওয়া দায়মুক্তির বৈধতা নিয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত আজ মঙ্গলবার দেওয়া রুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যাখ্যা করতে বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ এর ৯ ধারায় অনুসন্ধান কমিটিকে যে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে তা কেন অবৈধ ও সংবিধানের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না।

এই বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।

গত ১৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২ এর ৯ ধারায় অনুসন্ধান কমিটিকে যে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে তা বেআইনি ও সংবিধান পরিপন্থি।

ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতোপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটি ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’

হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে রিটটি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ সাদিক, জিএম মোজাহিদুর রহমান, মুহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, মোহাম্মদ নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ সাজ্জাদ সরোয়ার, মো. মুজাহেদুল ইসলাম, মো. মিজানুল হক ও মীর কেএম নুরুন নবী।

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।