ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

শেষ ভাষণে কাঁদলেন বাইডেন, গণতন্ত্র ও ট্রাম্পকে নিয়ে যা বললেন

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে (ডিএনসি) দেশটির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেষবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন জো বাইডেন।

বাংলাদেশ সময় (২০ আগস্ট) মঙ্গলবার দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, মার্কিনীদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে; সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাচনে পরাজিত করার এখনই উপযুক্ত সময়। খবর বিবিসি ও ডয়চে ভেলের।

ডিএনসিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাইডেনের চোখে পানি এসে যায়। বাইডেন দেশের গণতন্ত্রের বিপদ সম্পর্কে সবাইকে সাবধান করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সামনে বিপদ স্পষ্ট। ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন অতি দক্ষিণপন্থিরা উৎসাহিত হয়েছে।

বাইডেন বলেন, ‘ট্রাম্প তো পুতিনের সামনে ঝুঁকে পড়েন। আমি কখনো তা করিনি। কমলা হ্যারিসও করবেন না।’ তার অভিযোগ, ‘ট্রাম্প দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া সেনার অপমান করেছেন।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো জায়গা নেই। যখন জিতবে, তখনই শুধু বলবে, দেশকে ভালোবাসা, এটা হয় না।’

বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ঘৃণারও কোনো স্থান নেই।

নিজের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেছেন বাইডেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নতির পথে একটা অসাধারণ চার বছর সময় আমরা কাটিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি। মানুষের রোজগার বেড়েছে। মুদ্রাস্ফীতি কমেছে। ওষুধের দাম কমানো সম্ভব হয়েছে।

বাইডেন তার প্রশাসনের প্রশংসা করে বলেছেন, পরিকাঠামো ক্ষেত্রে প্রকল্পগুলির রূপায়ণ হয়েছে। তার দাবি, ট্রাম্পের আমলে কোনো কাজই হয়নি।

তার দীর্ঘ ভাষণের শেষে বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তার মতে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলো, আমেরিকার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই। সেই লড়াইয়ে তিনি কমলা হ্যারিসের পাশে আছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

শেষ ভাষণে কাঁদলেন বাইডেন, গণতন্ত্র ও ট্রাম্পকে নিয়ে যা বললেন

আপডেট সময় ১২:৪২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে (ডিএনসি) দেশটির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শেষবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন জো বাইডেন।

বাংলাদেশ সময় (২০ আগস্ট) মঙ্গলবার দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, মার্কিনীদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে; সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাচনে পরাজিত করার এখনই উপযুক্ত সময়। খবর বিবিসি ও ডয়চে ভেলের।

ডিএনসিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাইডেনের চোখে পানি এসে যায়। বাইডেন দেশের গণতন্ত্রের বিপদ সম্পর্কে সবাইকে সাবধান করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সামনে বিপদ স্পষ্ট। ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন অতি দক্ষিণপন্থিরা উৎসাহিত হয়েছে।

বাইডেন বলেন, ‘ট্রাম্প তো পুতিনের সামনে ঝুঁকে পড়েন। আমি কখনো তা করিনি। কমলা হ্যারিসও করবেন না।’ তার অভিযোগ, ‘ট্রাম্প দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া সেনার অপমান করেছেন।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো জায়গা নেই। যখন জিতবে, তখনই শুধু বলবে, দেশকে ভালোবাসা, এটা হয় না।’

বাইডেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ঘৃণারও কোনো স্থান নেই।

নিজের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেছেন বাইডেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নতির পথে একটা অসাধারণ চার বছর সময় আমরা কাটিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি। মানুষের রোজগার বেড়েছে। মুদ্রাস্ফীতি কমেছে। ওষুধের দাম কমানো সম্ভব হয়েছে।

বাইডেন তার প্রশাসনের প্রশংসা করে বলেছেন, পরিকাঠামো ক্ষেত্রে প্রকল্পগুলির রূপায়ণ হয়েছে। তার দাবি, ট্রাম্পের আমলে কোনো কাজই হয়নি।

তার দীর্ঘ ভাষণের শেষে বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তার মতে, আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলো, আমেরিকার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই। সেই লড়াইয়ে তিনি কমলা হ্যারিসের পাশে আছেন।