সংবাদ শিরোনাম ::
খাল দখলের থাবায় বিপন্ন ভোলা-জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা ভাওরা হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডা. মাহফুজ রায়হান আক্কেলের বদলিতে উদ্বিগ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউপির দুর্নীতি মামলায় সাবেক চেয়ারম্যানের ৫ বছর, সচিবের ৩ বছর জেল জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ফরিদপুর জেলা ইউনিট অনুমোদিত  চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বাংলা‌দে‌শিদের জন্য দুই বছর পর ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ভারত নকল নামক জিনিসটি বাংলাদেশে আর নেই : শিক্ষামন্ত্রী মির্জাপুরের অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ই-য়াবাসহ তিন জন আ’টক মনোহরগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন

এস.আলমের ব্যাংকের ৪০০ কোটি দিলীপ আগারওয়ালের পকেটে

কেঁচো খুঁড়তেই রীতিমত সাপ বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। বিচি দিলীপের কত যে কীর্তি তার যেনো ইয়ত্তা নেই। লুটেরা লুটেরাদের মধ্যে পীড়িতির কমতি নেই। এস আলমের ভাই লাবুর মাধ্যমে দিলীপ ৪০০ কোটি টাকা লোন নিয়ে হজম করলেও টু শব্দটি পর্যন্ত উঠেনি। ডায়মন্ড বাবু ওই টাকার মধ্যে গুলশানে আকাশ টাওয়ারে ১২০ কোটি টাকায় ৭টি ফ্লোর আর ৭০ কোটি টাকায় শান্তা টাওয়ারে ২টি ফ্লোর কিনেছে।
রাতারাতি এতো যে শত শত কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে সেসবের উৎস খুঁজে দেখার যেন কেউ নেই। দুদক, এনবিআর, আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে শুরু করে সরকারের রং বেরঙের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে কোনো খবর নেই? আমাদের মত ছাপোষা সাংবাদিকরা যদি এসব তথ্য পেয়ে যাই তাহলে সরকারি সংস্থাগুলো থাকে কোথায়??
দিলীপ ভারতে পান্না ডায়মন্ড নামে ৫ টি শোরুম কিভাবে করল? টাকা পাঠালো কিভাবে? অস্ট্রেলিয়ায় শোরুম করল কিভাবে? বাংলাদেশ ফাইনেশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কী করছে? দুদক কী করছে? দুদক এসব খতিয়ে দেখা ছাড়াই আগেভাগে কিভাবে তার অনুসন্ধান নথিভুক্ত করল? ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর ওয়েব সাইটে সব তথ্য দেয়া আছে। কিন্তু দুদক ও বিএফআইইউ পায় না কেন?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল দখলের থাবায় বিপন্ন ভোলা-জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা

এস.আলমের ব্যাংকের ৪০০ কোটি দিলীপ আগারওয়ালের পকেটে

আপডেট সময় ০৫:১৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

কেঁচো খুঁড়তেই রীতিমত সাপ বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। বিচি দিলীপের কত যে কীর্তি তার যেনো ইয়ত্তা নেই। লুটেরা লুটেরাদের মধ্যে পীড়িতির কমতি নেই। এস আলমের ভাই লাবুর মাধ্যমে দিলীপ ৪০০ কোটি টাকা লোন নিয়ে হজম করলেও টু শব্দটি পর্যন্ত উঠেনি। ডায়মন্ড বাবু ওই টাকার মধ্যে গুলশানে আকাশ টাওয়ারে ১২০ কোটি টাকায় ৭টি ফ্লোর আর ৭০ কোটি টাকায় শান্তা টাওয়ারে ২টি ফ্লোর কিনেছে।
রাতারাতি এতো যে শত শত কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে সেসবের উৎস খুঁজে দেখার যেন কেউ নেই। দুদক, এনবিআর, আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে শুরু করে সরকারের রং বেরঙের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে কোনো খবর নেই? আমাদের মত ছাপোষা সাংবাদিকরা যদি এসব তথ্য পেয়ে যাই তাহলে সরকারি সংস্থাগুলো থাকে কোথায়??
দিলীপ ভারতে পান্না ডায়মন্ড নামে ৫ টি শোরুম কিভাবে করল? টাকা পাঠালো কিভাবে? অস্ট্রেলিয়ায় শোরুম করল কিভাবে? বাংলাদেশ ফাইনেশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কী করছে? দুদক কী করছে? দুদক এসব খতিয়ে দেখা ছাড়াই আগেভাগে কিভাবে তার অনুসন্ধান নথিভুক্ত করল? ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর ওয়েব সাইটে সব তথ্য দেয়া আছে। কিন্তু দুদক ও বিএফআইইউ পায় না কেন?