সংবাদ শিরোনাম ::
অনেকে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডো গাড়িতে চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন ফেনীতে ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন, ২ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি শিশু পাবে ক্যাপসুল নাঙ্গলকোটে বোন, ভাগিনা ও ভগ্নিপতির হামলায় ভাই নিহত  মুকসুদপুরে জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত  বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী আসামী হয়েও বহাল তবিয়তে সিলেট গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইলিয়াস আহম্মেদ টাকশালে শত মিলিয়ন ডলারের মেগা-লুটপাটের অভিযোগ: নেপথ্যে সাবেক গভর্নরের ‘প্রিয়পাত্র’ আশরাফুল আলম দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর ফিরেই কাঁদলেন নেইমার, ছেলেকে জড়িয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বাড়ি ভাড়া নেন ২০ হাজার, থাকেন অফিস কক্ষে

চমেকে আহতদের দেখতে গেলেন আমির খসরু

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের দেখতে রোববার বিকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।

এ সময় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সবাই সমর্থন দিচ্ছি। কারণ এ পরিবর্তনে যেসব মৌলিক কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে, এগুলোকে তো একটা ট্র্যাকে আনতে হবে। সুতরাং আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আশা করি সামনের কাজগুলো যত দ্রুত সম্ভব তারা করতে পারবে।

তিনি চমেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন।

এর আগে দুপুরে তিনি নগরীর প্রবর্তক মোড়ে ইসকন মন্দির পরিদর্শন করেন। মন্দিরের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। পরে তিনি আসকারদীঘির পাড়ের রামকৃষ্ণ মন্দির পরিদর্শন করেন।

চমেক হাসপাতালে আমির খসরু বলেন, আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর নির্বিচারে যেভাবে গুলি করা হয়েছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তারা যে এখনো বেঁচে আছে এটা আশ্চর্যের ব্যাপার। অনেকের অবস্থা এখনো জটিল, কঠিন সময় যাচ্ছে। তাদের পরিবারের কাজকর্ম সব বন্ধ। ওরা তো সবাই এখন বিচারের অপেক্ষায় আছে। আমার রাজনৈতিক জীবনে মনে হয় না, বাংলাদেশের ইতিহাসে এধরনের নির্বিচারে গুলি করে হত্যাকাণ্ড চলেছে। এই আহতরা যারা আছেন তারা এখনো আল্লাহর রহমতে বেঁচে আছে। এদের বাকি জীবন কিভাবে কাটবে এটাও একটা বিষয় আছে। তাদের অনেকে ভালো করে হাঁটা-চলা করতে পারবে না। স্বাভাবিক জীবনযাপনও করতে পারবে না। সুতরাং এরা বেঁচে থাকলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করার অবস্থা থাকবে না।

এ সময় তিনি আহতের দায়িত্ব এখন কে নেবে- এমন প্রশ্ন রেখে বলেন, অনেকে অন্ধ হয়ে গেছে। অনেকের পা চলে গেছে আবার অনেকের পা থেকেও সেটি অবশ হয়ে গেছে। এমন দুর্বিষহ অবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হলে এদের পুনর্বাসনের ব্যাপার আছে। আর জাতিরও তো পুনর্বাসনের ব্যাপার আছে। যে অবস্থায় আমরা গিয়ে পৌঁছেছি, এরকম কিছু আমরা কোনোদিন দেখিনি। এদের ত্যাগের বিনিময়ে যদি বাংলাদেশ সামনের দিকে এগোতে পারে তবেই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ দেখতে পাব।

এ সময় আমির খসরুর সঙ্গে ছিলেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, নগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান প্রমুখ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনেকে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডো গাড়িতে চড়ে জুলাই চেতনা বিক্রি করেন

চমেকে আহতদের দেখতে গেলেন আমির খসরু

আপডেট সময় ১০:১২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতদের দেখতে রোববার বিকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।

এ সময় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সবাই সমর্থন দিচ্ছি। কারণ এ পরিবর্তনে যেসব মৌলিক কাঠামো ও প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে, এগুলোকে তো একটা ট্র্যাকে আনতে হবে। সুতরাং আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আশা করি সামনের কাজগুলো যত দ্রুত সম্ভব তারা করতে পারবে।

তিনি চমেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন।

এর আগে দুপুরে তিনি নগরীর প্রবর্তক মোড়ে ইসকন মন্দির পরিদর্শন করেন। মন্দিরের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। পরে তিনি আসকারদীঘির পাড়ের রামকৃষ্ণ মন্দির পরিদর্শন করেন।

চমেক হাসপাতালে আমির খসরু বলেন, আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর নির্বিচারে যেভাবে গুলি করা হয়েছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তারা যে এখনো বেঁচে আছে এটা আশ্চর্যের ব্যাপার। অনেকের অবস্থা এখনো জটিল, কঠিন সময় যাচ্ছে। তাদের পরিবারের কাজকর্ম সব বন্ধ। ওরা তো সবাই এখন বিচারের অপেক্ষায় আছে। আমার রাজনৈতিক জীবনে মনে হয় না, বাংলাদেশের ইতিহাসে এধরনের নির্বিচারে গুলি করে হত্যাকাণ্ড চলেছে। এই আহতরা যারা আছেন তারা এখনো আল্লাহর রহমতে বেঁচে আছে। এদের বাকি জীবন কিভাবে কাটবে এটাও একটা বিষয় আছে। তাদের অনেকে ভালো করে হাঁটা-চলা করতে পারবে না। স্বাভাবিক জীবনযাপনও করতে পারবে না। সুতরাং এরা বেঁচে থাকলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করার অবস্থা থাকবে না।

এ সময় তিনি আহতের দায়িত্ব এখন কে নেবে- এমন প্রশ্ন রেখে বলেন, অনেকে অন্ধ হয়ে গেছে। অনেকের পা চলে গেছে আবার অনেকের পা থেকেও সেটি অবশ হয়ে গেছে। এমন দুর্বিষহ অবস্থা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে হলে এদের পুনর্বাসনের ব্যাপার আছে। আর জাতিরও তো পুনর্বাসনের ব্যাপার আছে। যে অবস্থায় আমরা গিয়ে পৌঁছেছি, এরকম কিছু আমরা কোনোদিন দেখিনি। এদের ত্যাগের বিনিময়ে যদি বাংলাদেশ সামনের দিকে এগোতে পারে তবেই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ দেখতে পাব।

এ সময় আমির খসরুর সঙ্গে ছিলেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, নগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান প্রমুখ।