ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত কিছু ছবি, হাজারো স্মৃতি—আমার জুলাই পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১

নান্দাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও উপকরণ বানিজ্যের অভিযোগ

এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সেই সাথে এগিয়ে চলেছে এদেশের শিক্ষা-ব্যবস্থা। নানাবিধ কারণে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তার পেছনের কারণ জানতে অনাগ্রহী অনেকেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়া মান উন্নয়ন ও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে প্রতিবছর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রতিটি বিদ্যালয় স্লিপ, রুটিন মেরামত এবং প্রাক প্রাথমিক বাবদ দেওয়া হয় বিশেষ বরাদ্দ।

এই বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী ও বিদ্যালয়ের আনুষঙ্গিক কাজ করার সরকারি নীতিমালা রয়েছে।

তবে অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার দুইজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা এ-সকল উপকরণ কমদামে ক্রয় করে প্রধান শিক্ষকদের নিকট তিনগুন বেশিদামে বিক্রি করে আসছেন। কেউ নিতে না চাইলে বাধ্য করা হচ্ছে। যা নিয়ে সবার মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তিব্র ক্ষোভ।

নান্দাইল উপজেলায় কর্মরত থেকে এ বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। বিগত বছরগুলোতে এভাবে উপকরণ বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছে নানান সমালোচনা।

এছাড়া প্রতি বছর অফিস খরচ বাবদ ঘুষ হিসেবে বিদ্যালয় প্রতি নিয়েছেন ৪৫০০-৫০০০/-টাকা। অধিনস্ত ২টি ক্লাষ্টারে বিদ্যালয়ের সংখ্যা মোট ৪৬ টি। সকল প্রধান শিক্ষককে জিম্মি করে অফিসার তার এমন অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে নান্দাইল উপজেলার একাধিক শিক্ষক জানান, তাদের সকল উপকরণ সরবরাহ করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার । ভুক্তভোগী শিক্ষকগন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যকরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

নান্দাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও উপকরণ বানিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সেই সাথে এগিয়ে চলেছে এদেশের শিক্ষা-ব্যবস্থা। নানাবিধ কারণে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তার পেছনের কারণ জানতে অনাগ্রহী অনেকেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়া মান উন্নয়ন ও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে প্রতিবছর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রতিটি বিদ্যালয় স্লিপ, রুটিন মেরামত এবং প্রাক প্রাথমিক বাবদ দেওয়া হয় বিশেষ বরাদ্দ।

এই বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী ও বিদ্যালয়ের আনুষঙ্গিক কাজ করার সরকারি নীতিমালা রয়েছে।

তবে অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার দুইজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা এ-সকল উপকরণ কমদামে ক্রয় করে প্রধান শিক্ষকদের নিকট তিনগুন বেশিদামে বিক্রি করে আসছেন। কেউ নিতে না চাইলে বাধ্য করা হচ্ছে। যা নিয়ে সবার মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তিব্র ক্ষোভ।

নান্দাইল উপজেলায় কর্মরত থেকে এ বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। বিগত বছরগুলোতে এভাবে উপকরণ বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হয়েছে নানান সমালোচনা।

এছাড়া প্রতি বছর অফিস খরচ বাবদ ঘুষ হিসেবে বিদ্যালয় প্রতি নিয়েছেন ৪৫০০-৫০০০/-টাকা। অধিনস্ত ২টি ক্লাষ্টারে বিদ্যালয়ের সংখ্যা মোট ৪৬ টি। সকল প্রধান শিক্ষককে জিম্মি করে অফিসার তার এমন অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে নান্দাইল উপজেলার একাধিক শিক্ষক জানান, তাদের সকল উপকরণ সরবরাহ করেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার । ভুক্তভোগী শিক্ষকগন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যকরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।