ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উত্তরার পতিতা হাফসা এখন সাংবাদিক।

মূলধারার সংবাদকর্মীদের প্রশ্নবিদ্ধ করতে একশ্রেণীর মানুষ অপ-সাংবাদিকতায় নেমেছে। ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে রাজধানীর উত্তরা শহরে বিভিন্ন হোটেলে কাজ করা পতিতা হাফসা নামের একজন সংবাদকর্মী পরিচয়দানকারী তার সহকর্মী হিসেবে কিছু অসাধু হলুদ সাংবাদিকদের নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান করে জানা যায়, একটি দৈনিক পত্রিকার সংবাদকর্মীর সঙ্গে পরিচয় হলে তার সহকারী হিসেবে কাজ করেন। বেশ কয়েক দিন। যেতে না যেতেই কিছু টাকার বিনিময়ে কার্ড নিয়ে হয়ে যান তিনিও একজন মস্ত বড় সাংবাদিক। এই নামধারী সাংবাদিক হাফসা নিজে হোটেলে কাজ করে তাদের অনিয়মের অভিজ্ঞতা অর্জন করে ফেলে। বুঝে ফেলে কীভাবে হোটেলে অনিয়ম হয়। ওখান থেকে বের হয়ে এই পুঁজি হাতে নিয়ে নামধারী পতিতা হাফসা মেয়েটি হয়ে যায় সাংবাদিক। পরে হোটেল মালিকদের অনিয়মের সংবাদ পত্রিকায় প্রচার করার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে রীতিমতো। আবার পরিচয় দেন আমি দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার একজন সংবাদকর্মী!
তিনি আরো পরিচয় দেয় সে একজন পত্রিকার সম্পাদক পত্রিকার নাম জিরো টেন
আমাদের একদল চৌকস সংবাদকর্মী যখন তার পিছু নেয় তখন বেড়িয়ে আসে আরও অনেককিছু। বেড়িয়ে আসে- রাসেল নামের এক ছেলের সঙ্গে বিগত আট বছর সংসার করার পরেও সে। এখন ও নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে। পরে অসাধু কিছু ছেলে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে চলাফেরাসহ ভিবিন্ন জায়গায় গিয়ে রাত কাটায়। এমনকি কিছুদিন পূর্বেও হাফসা নামের এই ভূয়া সাংবাদিক কে দেখা যায় যাত্রাবাড়ী পপুলার হোটেলে।
এদিকে কথিত সাংবাদিক রাব্বানী ওরফে বিআরটিএ এর দালালের সঙ্গে চট্টগ্রাম গিয়ে হোটেলে রাত কাটিয়ে ফাঁদে ফেলে দেয় মাসুদ নামের এক অসহায় ব্যক্তিকে। জানা যায়- মাসুদকে আটকে রেখে ব্লাকমেইল করে তার মোবাইল, টাকা, মানিব্যাগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ব্যাংক এটিএম কার্ডসহ নিয়ে পালিয়ে যায় মালিবাগ থেকে। পরে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগী মাসুদ। যাহার সাধারণ ডায়েরি নং- ১৭৪৫। পরবর্তীতে এই মোবাইল ইআইএমই নাম্বার কেটে দিয়ে গুলিস্তানে বিক্রি করে ফেলে, যা বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।
অন্যদিকে নামধারী এক। সাংবাদিক এলএলবিতে ভর্ভি হয়ে সকলের কাছে পরিচয় দেয় আমি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। অথচ সে কোনো আইনজীবী নয়। অপরদিকে মূলধারার সংবাদকর্মীরা নানা অনৈতিক কাজে জরিত নামধারী হাফসা নামক হলুদ সাংবাদিককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরার পতিতা হাফসা এখন সাংবাদিক।

আপডেট সময় ০৩:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

মূলধারার সংবাদকর্মীদের প্রশ্নবিদ্ধ করতে একশ্রেণীর মানুষ অপ-সাংবাদিকতায় নেমেছে। ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে রাজধানীর উত্তরা শহরে বিভিন্ন হোটেলে কাজ করা পতিতা হাফসা নামের একজন সংবাদকর্মী পরিচয়দানকারী তার সহকর্মী হিসেবে কিছু অসাধু হলুদ সাংবাদিকদের নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধান করে জানা যায়, একটি দৈনিক পত্রিকার সংবাদকর্মীর সঙ্গে পরিচয় হলে তার সহকারী হিসেবে কাজ করেন। বেশ কয়েক দিন। যেতে না যেতেই কিছু টাকার বিনিময়ে কার্ড নিয়ে হয়ে যান তিনিও একজন মস্ত বড় সাংবাদিক। এই নামধারী সাংবাদিক হাফসা নিজে হোটেলে কাজ করে তাদের অনিয়মের অভিজ্ঞতা অর্জন করে ফেলে। বুঝে ফেলে কীভাবে হোটেলে অনিয়ম হয়। ওখান থেকে বের হয়ে এই পুঁজি হাতে নিয়ে নামধারী পতিতা হাফসা মেয়েটি হয়ে যায় সাংবাদিক। পরে হোটেল মালিকদের অনিয়মের সংবাদ পত্রিকায় প্রচার করার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে রীতিমতো। আবার পরিচয় দেন আমি দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার একজন সংবাদকর্মী!
তিনি আরো পরিচয় দেয় সে একজন পত্রিকার সম্পাদক পত্রিকার নাম জিরো টেন
আমাদের একদল চৌকস সংবাদকর্মী যখন তার পিছু নেয় তখন বেড়িয়ে আসে আরও অনেককিছু। বেড়িয়ে আসে- রাসেল নামের এক ছেলের সঙ্গে বিগত আট বছর সংসার করার পরেও সে। এখন ও নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে। পরে অসাধু কিছু ছেলে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে চলাফেরাসহ ভিবিন্ন জায়গায় গিয়ে রাত কাটায়। এমনকি কিছুদিন পূর্বেও হাফসা নামের এই ভূয়া সাংবাদিক কে দেখা যায় যাত্রাবাড়ী পপুলার হোটেলে।
এদিকে কথিত সাংবাদিক রাব্বানী ওরফে বিআরটিএ এর দালালের সঙ্গে চট্টগ্রাম গিয়ে হোটেলে রাত কাটিয়ে ফাঁদে ফেলে দেয় মাসুদ নামের এক অসহায় ব্যক্তিকে। জানা যায়- মাসুদকে আটকে রেখে ব্লাকমেইল করে তার মোবাইল, টাকা, মানিব্যাগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ব্যাংক এটিএম কার্ডসহ নিয়ে পালিয়ে যায় মালিবাগ থেকে। পরে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগী মাসুদ। যাহার সাধারণ ডায়েরি নং- ১৭৪৫। পরবর্তীতে এই মোবাইল ইআইএমই নাম্বার কেটে দিয়ে গুলিস্তানে বিক্রি করে ফেলে, যা বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।
অন্যদিকে নামধারী এক। সাংবাদিক এলএলবিতে ভর্ভি হয়ে সকলের কাছে পরিচয় দেয় আমি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। অথচ সে কোনো আইনজীবী নয়। অপরদিকে মূলধারার সংবাদকর্মীরা নানা অনৈতিক কাজে জরিত নামধারী হাফসা নামক হলুদ সাংবাদিককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।